গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

মেনু

সংসদ ভবনের সামনে হ্যাঁচকা টানে গেল প্রধান শিক্ষিকার প্রাণ

ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন রাজধানীবাসী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:০০ পিএম, ২৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৯ এএম ২০২৬
ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন রাজধানীবাসী
ছবি

শনিবার ভোরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার খেজুরবাগানসংলগ্ন সড়কে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে চলন্ত রিকশা থেকে পড়ে রনজিনা পারভীন নামের এই প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে -ছবি পরিবার থেকে সংগৃহীত

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীতে ছিনতাই এখন আর রাতের অন্ধকার কিংবা নির্জন সড়কের অপরাধে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যস্ত সড়কে ভোর-সকালে কিংবা দিনদুপুরেও অস্ত্র হাতে সক্রিয় হচ্ছে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র। ব্যাংকে জমা দিতে নেওয়া সোয়া কোটি টাকা ছিনিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ডলার লুট, চলন্ত যানবাহন থেকে টেনে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া কিংবা বাধা দিলে ধারালো অস্ত্রের আঘাত-একটির পর একটি ঘটনায় নগরবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
এই প্রতিবেদন লেখার দিন রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার খেজুরবাগানসংলগ্ন সড়কে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে চলন্ত রিকশা থেকে পড়ে রনজিনা পারভীন নামের এক প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত রনজিনা পারভীনের বয়স ৫৫ বছর। তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, চোখের চিকিৎসার জন্য রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসক দেখাতে শুক্রবার রাতে স্বামীর সঙ্গে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসেন রনজিনা পারভীন। শনিবার ভোরে গাবতলী বাস টার্মিনালে নেমে স্বামীর সঙ্গে রিকশায় করে হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। রিকশাটি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার খেজুরবাগানসংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি রিকশার পেছন দিক থেকে তাঁর ব্যাগ ধরে টান দেন। হ্যাঁচকা টানে ভারসাম্য হারিয়ে রনজিনা রিকশা থেকে সড়কে পড়ে যান। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং মাথা ফেটে যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, চলন্ত রিকশায় থাকা ওই শিক্ষিকার ব্যাগ ধরে টান দেওয়ার সময় তিনি পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

একইদিনে, একই সময়ে আরেকটি ঘটনা হলো-ছিনতাইয়ের সময় ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেছে ছিনতাইকারীর। রাজধানীর কদমতলীতে পথচারীদের ছিনতাইয়ের সময় এক ছিনতাইকারীর হাতে থাকা ছুরির আঘাতে আরেক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে উপজেলার বড়ইতলা ভাঙা ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তার নাম-পরিচয় এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কদমতলী থানার পরিদর্শক সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, ভাঙা ব্রিজের পাশে তিন ছিনতাইকারী দুই পথচারীকে ঘিরে ধরেন। তাদের মধ্যে একজন পথচারীকে জাপটে ধরে টাকা-পয়সা ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন ছিনতাইকারীরা। এ সময় পথচারীরা চিৎকার শুরু করলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। একজন ছিনতাইকারী পথচারীকে সুইচগিয়ার দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন। তখন পেছনে থাকা আরেক ছিনতাইকারী তাকে জাপটে ধরে রাখায় তার হাতের নিচ দিয়ে ছুরির আঘাত গিয়ে ওই ছিনতাইকারীর বুকের পাশে লাগে। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত যুবক সড়কে পড়ে থাকেন। এ সময় অন্য দুই ছিনতাইকারী সেখান থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত যুবককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিদর্শক সজীব কুমার বাড়ৈ বলেন, নিহত যুবকের নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত হয়ে পালিয়ে যাওয়া অন্য দুই ব্যক্তিকেও শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।
ছিনতাইকারীদের আধিক্য এবং দৌরাত্ম্য কোন মাত্রায় পৌঁছেছে, একই দিনে একই সময়ের দুটি ঘটনা থেকে অনেকটাই স্পষ্ট।
চলতি মাসে আরো কয়েকটি ঘটনা হলো-গত ৯ আগস্ট সকালে উত্তরায় ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডিএল ফিলিং স্টেশনের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে। তিনটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা টাকা বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি নিয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। পরে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাটি রাজধানীতে পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ ছিনতাইয়ের ভয়াবহতা সামনে নিয়ে আসে। 
এর আগে ২৬ জুন মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় জনতা ব্যাংকের সামনে প্রকাশ্যে এক মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বেলা ৩টার দিকে মো. লোকমান নামের ওই ব্যবসায়ী ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত হন। দুই দুর্বৃত্ত তাঁর ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাঁকে গুলি করে ব্যাগ নিয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
 

ব্যস্ত সড়কেও অস্ত্রধারীদের দাপট: নগরবাসীর অভিযোগ, সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেল কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িতে করে ছিনতাইকারীরা এখন ব্যস্ত সড়কেও হঠাৎ হাজির হচ্ছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই টাকা, মুঠোফোন বা মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে তারা। বাধা দিলে হামলা চালাতেও দ্বিধা করছে না। সম্প্রতি মোহাম্মদপুরের আদাবর শেখেরটেকে একটি বিকাশ এজেন্টের দোকানে ধারালো চাপাতি নিয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালায় দুই যুবক। এতে দোকান মালিক শফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে ছিনতাইকারীদের আস্তানায় অভিযান চালাতে গেলে পুলিশের ওপরও হামলা হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর ও উপপরিদর্শক তরুণ কুমার আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। এর কয়েক দিন আগে শেরেবাংলা নগর থানার জিয়া উদ্যান এলাকায় ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হন পুলিশের দুই সদস্য। ১২ জুন রাতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হন উপপরিদর্শক সামসুজ্জোহা ও কনস্টেবল হৃদয় হোসেন।
সম্প্রতি শাহবাগ পার হয়ে প্রেসক্লাব থেকে মিরপুরে সিএনজি অটোরিকশায় যাওয়ার সময় ছিনতাইয়ের চেষ্টার শিকার হন শাহাদাৎ হোসেন। তাঁর ভাষ্য, চলন্ত অটোরিকশার ওপর দিয়ে চাকু দিয়ে আঘাত করে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সতর্ক থাকায় ফোনটি নিতে পারেনি ছিনতাইকারীরা। তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়িতে যাওয়ার সময় একই ধরনের ঘটনার মুখে পড়েন আরমান আহমেদ। তাঁর মুঠোফোন টান দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সতর্ক থাকায় সেটি রক্ষা পায়। তাঁর অভিযোগ, ওই সড়কে মাঝেমধ্যেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে।
 

ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে দুই নারীর মৃত্যু: ছিনতাইকারীর হামলায় চলতি বছর রাজধানীতে দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ৭ জুন গাবতলী থেকে বাসে নেমে ধানমন্ডির বাসার দিকে যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীর হামলার শিকার হন সোহেলি ইসলাম। দুই ছিনতাইকারী তাঁর হাতে প্যাঁচানো ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে টান দিলে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তখনও কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। এর আগে ১৯ মার্চ উত্তরায় ঈদের কেনাকাটার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার পর ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে গুরুতর আহত হন ২১ বছর বয়সী গৃহবধূ মুক্তা আক্তার। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 

সাত মাসে ১৭৮ মামলা: ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১৭৮টি মামলা হয়েছে। জানুয়ারিতে ২৯টি, ফেব্রুয়ারিতে ২২টি, মার্চে ২৫টি, এপ্রিলে ২৫টি, মে মাসে ৩৩টি, জুনে ২৪টি এবং জুলাইয়ে ২০টি মামলা হয়েছে। সাত মাসের মধ্যে মে মাসে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে। তবে অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি মামলার সংখ্যা ছিনতাইয়ের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। অনেক ভুক্তভোগী ঝামেলা এড়াতে মামলা করেন না, কেউ সাধারণ ডায়েরি করেন, আবার অনেকে হারানো মালামাল উদ্ধারের আশা না থাকায় কোনো আইনি পদক্ষেপই নেন না। ফলে প্রকৃত ছিনতাইয়ের সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজধানীতে শত শত ছিনতাইপ্রবণ স্থান: পুলিশের আগের তালিকায় রাজধানীতে ৩৪২টি ছিনতাইপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছিল। এসব এলাকায় প্রায় ১ হাজার ২০০ অপরাধী সক্রিয় থাকার তথ্যও দেওয়া হয়। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় ১০৮টি, বৃহত্তর মিরপুরে ৯৫টি, গুলশান ও উত্তরা এলাকায় ৯৪টি, মতিঝিল বিভাগে ৩০টি, ওয়ারীতে ৩৫টি এবং রমনা ও লালবাগ এলাকায় ৪৫টি ছিনতাইপ্রবণ স্থান ছিল। পুলিশের আরেক তালিকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের আট বিভাগে ১ হাজার ৩৮৭ ছিনতাইকারী সক্রিয় থাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রমনা বিভাগে ১৫২, লালবাগে ১৫৯, ওয়ারীতে ৩০৮, মতিঝিলে ১৬৮, তেজগাঁওয়ে ২৪০, মিরপুরে ৫৩, গুলশানে ৬৭ এবং উত্তরায় ২৪০ জন ছিনতাইকারীর নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে।
 

অভিযান চলছে, দাবি পুলিশের: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তরার ছিনতাইয়ের ঘটনা শনাক্ত করে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মতিঝিলের ঘটনাতেও ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজধানীতে অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই বলেও দাবি করেন তিনি। তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, ছিনতাইকারী, টানাপার্টি, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ কাজ করছে। প্রতিদিন অভিযান চালানো হচ্ছে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার তানভির সরদার জানান, বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হচ্ছে; তাঁদের মধ্যে ছিনতাইকারী ও টানাপার্টির সদস্যও রয়েছে। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, বিমানবন্দর সড়কে আগের তুলনায় টহল বাড়ানো হয়েছে। বিমানবন্দর চৌরাস্তা মোড়েও সাদা পোশাক ও পোশাকধারী পুলিশ মোতায়েন থাকে। টানাপার্টি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ছিনতাইপ্রবণ এলাকায় নজরদারি ক্যামেরার আওতা বাড়ানো, চুরি যাওয়া মুঠোফোন দ্রুত শনাক্ত এবং তালিকাভুক্ত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান ও কার্যকর তৎপরতাই রাজধানীবাসীর ছিনতাই-আতঙ্ক কমাতে পারে। 
সানা/আপ্র/২৯/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

শাহজালালে ফের কুশসহ দুই ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার
২৮ আগস্ট ২০২৬

শাহজালালে ফের কুশসহ দুই ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দিনের ব্যবধানে আবারো কুশ নামের অপ্রচলিত মাদক উদ্ধার...

মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে শেখ পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা
২৭ আগস্ট ২০২৬

মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে শেখ পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

মানিলন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও তা...

দিন-রাত সমান, ঢাকায় ছিনতাইকারীদের দাপট থামছে না
২৬ আগস্ট ২০২৬

দিন-রাত সমান, ঢাকায় ছিনতাইকারীদের দাপট থামছে না

রাজধানীতে ছিনতাই এখন আর রাতের অন্ধকার কিংবা নির্জন সড়কের অপরাধে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যস্ত সড়কে দিনদুপুরেও...

দুই দিনে ঘুষ সাইটে ৮০৪ অভিযোগ, দাবি ১৩ কোটি টাকা
২৪ আগস্ট ২০২৬

দুই দিনে ঘুষ সাইটে ৮০৪ অভিযোগ, দাবি ১৩ কোটি টাকা

সরকারি সেবা নিতে গিয়ে কোথায় কত টাকা ঘুষ চাওয়া হচ্ছে, সেই অভিজ্ঞতা জানানোর জন্য চালু করা ‘ঘুষ.সাইট’-এ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর চাওয়ার সাথে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে