গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হচ্ছে, আলোচনায় যেসব নতুন মুখ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৩৫ পিএম, ০৮ মে ২০২৬ | আপডেট: ০৯:১৯ এএম ২০২৬
মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হচ্ছে, আলোচনায় যেসব নতুন মুখ
ছবি

ডাক পাওয়া সম্ভাব্য নেতাদের সংগৃহীত ছবি

মন্ত্রণালয়গুলোর ওপর বাড়তে থাকা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপ কমাতে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি সরকার। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও কর্মদক্ষতাকেও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, নতুন করে পাঁচ থেকে ছয়জনের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তিন থেকে চারজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় একজনকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি দুজন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা চলছে। আগামী বাজেট অধিবেশনের আগেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্রগুলো আরো জানায়, টেকনোক্র্যাট কোটায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহিদুর রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য বি এম মোশাররফ হোসেনকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে বর্তমান মন্ত্রিসভায় নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় সেখান থেকেও একজনকে যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও একজনকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় থাকলেও তার বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় অন্য কারও নামও সামনে আসতে পারে।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে বলে সূত্র জানায়। মুখ্য সচিবকে মন্ত্রিসভায় আনা হলে ওই পদে নতুন নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

সরকারের একটি সূত্র বলছে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও কাজের ধীরগতির কারণে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের চিন্তাও চলছে। কোনো কোনো মন্ত্রীর দায়িত্ব কমানো কিংবা দপ্তর পরিবর্তনের বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। এমনকি কয়েকজনকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করার সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি। 
এছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ানো, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গতি আনতে নতুন কয়েকজন উপদেষ্টা নিয়োগের প্রস্তুতিও চলছে বলে জানা গেছে।

তবে কবে নাগাদ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ বা রদবদলের ঘোষণা আসবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়া যায়নি বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমান মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টাও রয়েছেন। 
সানা/আপ্র/৮/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আবাসস্থল পরিবর্তনে আবারও ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবাসস্থল পরিবর্তনে আবারও ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু

আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের কার্যক্রম আবারও চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়...

শেষ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী: সমবায় প্রতিমন্ত্রী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেষ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী: সমবায় প্রতিমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরক...

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক

সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এতে স্বাস্থ্য ক্যাডারভুক্ত ৫ হ...

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন ইস্যু গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার দাব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে