চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘আত্মগোপনে’ থাকার পর শুক্রবার (২৮ আগস্ট) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থেকে তাদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে প্রতারণার মামলায় পিন্টুকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে পিন্টু দাসকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা রাসেল খানের অভিযোগের ভিত্তিতে পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের স্বজনদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে করা প্রতারণার মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া বা প্রতারণার শিকার হয়েছেন-এমন আরো কেউ আছেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সংখ্যা এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে কি না, তদন্ত শেষে তা স্পষ্ট হবে।
পুলিশ জানায়, গত ১৯ আগস্ট থেকে পিন্টু দাসের মুঠোফোন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ পাওয়া যায়। একই সময় তার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একপর্যায়ে তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু করে।
শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের সদস্যদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
সানা/কেএমএএ/আপ্র/২৯/৮/২০২৬