গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ইসলাম===

সুকর্মেই বেঁচে থাকা যায় মানুষের অন্তরে

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৮ পিএম, ২৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:৪১ এএম ২০২৬
সুকর্মেই বেঁচে থাকা যায় মানুষের অন্তরে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মাহমুদ আহমদ    

মানুষ মরণশীল হলেও কর্মগুণে অমরত্ব লাভ করে। আমরা আমাদের এই ছোট্ট জীবনটাকে কীভাবে কর্মের মাধ্যমে ইতিবাচক সুদীর্ঘ দান করতে পারি। মৃত্যুর পরও যাতে আমরা মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে পারি।  হ্যাঁ, নিজস্ব কর্মের মাধ্যমে একজন মানুষ তার জীবনকে সুদীর্ঘ দান করতে পারে, অবশ্য সেটি হতে হবে সুকর্ম- যার মাধ্যমে অন্যরা তাকে যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে তার প্রয়াতের পরও।

পারস্পরিক ভালোবাসা ও প্রেম-প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সুবিবেচনা প্রদর্শন আবশ্যক। আর সুবিবেচনা হচ্ছে, মানুষের কথা ও কাজের মধ্যে যেন কোনো ভিন্নতা না থাকে। ধর্ম মানুষের নৈতিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করে আর মন্দকর্ম থেকে বিরত রাখে। যুগে যুগে নবী-রাসুলগণ উন্নত ও যুগোপযোগী জীবন বিধান নিয়ে এসেছেন। কেননা, আল্লাহ কারো ওপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন না (সুরা বাকারা, ২৮৬)। আল্লাহতাআলা খুব ভালো করে জানেন, কার সাধ্য কতখানি।

মানব শিশু মানবীয় সমস্ত বৈশিষ্ট্য ধারণ করলেও একমাত্র পরিণত বয়সেই সে এর সমস্ত কিছুর উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে। তাই বলে এর আগে তাকে দেয়া শিক্ষা তো মূল্যহীন নয়। যেমন- আমরা সবাই জানি, পশু জন্ম নিলেই পশু কিন্তু মানুষ জন্ম নিলেই মানুষ নয়, তাকে পুনরায় মানুষ হিসাবে জন্ম নিতে হয়। মানুষ হতে হয় কর্মসূত্রে। মনুষ্য সত্তা এমনিতেই আসে না, মানুষ হওয়ার জন্য মানুষকে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়।

মানুষ মরণশীল। কিন্তু কর্ম গুনেই অমরত্ব লাভ করে। এই সংক্ষিপ্ত জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে, স্মরণীয় করে রাখতে হলে কল্যাণকর কর্মের কোন বিকল্প নেই। আর এ জন্যই বলা হয় মানুষ বেঁচে থাকে তার আপন কর্মে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়- ‘মরণ সাগর পারে, তোমরা অমর,/তোমাদের স্মরি/নিখিলে রচিয়া গেলে আপনারই ঘর,/তোমাদের স্মরি।”

মানুষ যখন মন, মেধা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে পরিপূর্ণতা লাভ করলো, তখনই বিশ্বনবী ও শ্রেষ্ঠনবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর আল্লাহতায়ালা পরিপূর্ণ ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল করলেন। বিশ্ব যখন মানুষের হাতের মুঠোয়, তখনই বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমন ঘটে। মহানবীর (সা.) পূর্বের কোনো নবী বিশ্বনবী হওয়ার দাবি করেন নি আর তাদেরকে বিশ্বনবী হিসেবে আল্লাহপাক প্রেরণও করেন নি।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরবের অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগের পশুতুল্য মানুষগুলোকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন আর তাদের সংশোধনের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করেছেন। হজরত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিঝুম রাতের হৃদয়গ্রাহী দোয়া আর পরিশ্রমের ফলে সেই পশুতুল্য মানুষগুলোকে আল্লাহপাক ফিরিশতায় পরিণত করেছিলেন, আলহামদুলিল্লাহ।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে পরিণত করার জন্য এসেছিলেন, তিনি বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এসেছিলেন, যাতে তারা এক জাতিতে পরিণত হয় এবং ধরাপৃষ্ঠে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি সব ধর্মের প্রতি ভালোবাসার অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জীবন দ্বারা একথা প্রমাণ করে গিয়েছেন, ধর্মের নামে কোনো অন্যায়-অবিচার নেই। সব ধর্মের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো শ্রদ্ধার বস্তু। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমাজের সর্বক্ষেত্রে এবং সকল জাতির মাঝে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।  তিনি (সা.) শিখিয়েছেন, কীভাবে ধর্ম স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সেতুবন্ধন সৃষ্টিকারী। কীভাবে ধর্ম মানুষের জন্য বয়ে আনে কল্যাণ। মানুষ কীভাবে তার কর্ম গুনেই অমরত্ব লাভ করতে পারে।

যুগে যুগে মানুষ যখন অজ্ঞতাকে আলিঙ্গন করে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তখনই ধর্ম প্রবর্তক ও সংস্কারকেরা স্রষ্টার পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা ও মুক্তির শাশ্বত উপায় নিয়ে এই ধরাধামে আগমন করে মানব জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। অনেকের ধারণা শাশ্বত, ধর্মের জন্যই পৃথিবীতে রক্তপাত বেশি হচ্ছে অথচ কোনো ধর্মই রক্তপাতের কথা বলেনি বা কোনো ধর্মই চায় না সমাজে অশান্তি বিরাজ করুক। বরং ধর্ম একটি ফলবতী গাছ ধ্বংস করতেও বারণ করে।

ধর্ম মানুষকে স্বীয় প্রবৃত্তি দমন করার মাধ্যমে সহিষ্ণুতার শিক্ষা দিয়েছে। ধর্ম মানুষকে মানুষের জন্য শান্তি কামনা করার শিক্ষা দিয়েছে আর ইসলামে পারস্পরিক সালাম বিনিময়ের প্রথা এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এখনো প্রায় সব ধর্মেই বিভিন্নভাবে এই প্রথা প্রচলিত আছে। ধর্ম অস্ত্র-ধারণ করতে বলেছে শুধু মাত্র আত্মরক্ষার জন্য। আর আত্মরক্ষা করার অধিকার সবারই আছে। তাহলে ধর্মের দোষ হবে কেন?

সর্বদা পরিবর্তনশীল এই ধরাধামে মানুষ যখন স্বীয় সংকীর্ণ স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে, ধর্ম তখন শিকার হয় অপব্যাখ্যার; ব্যবহৃত হয় ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে। তখন ধর্ম হয় করো জন্য লাভজনক এবং কারো জন্য স্বপ্ন। ধর্ম যখন ‘লাভজনক’ হয়, তখন আমরা সৃষ্টির কল্যাণে কাজ না করে শুধু মোনাজাতে স্রষ্টার সান্নিধ্য কামনা করি; জ্ঞানচর্চা ছেড়ে আমিত্ব এবং স্বার্থের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে অন্যায় ও পাপাচারে লিপ্ত হই; তখন ধর্ম হয়ে ওঠে কারো কাছে বাহ্যিক আড়ম্বরতা এবং কারো কাছে উপার্জনের উৎস।

ধর্মকে পুঁজি করে অন্যায়ভাবে গ্রামের সহজ সরল মানুষের অর্থ লোপাটের অনেক ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় আর এর মাধ্যমে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে আমরা লক্ষ্য করে থাকি। আমরা ব্যাবসাবাণিজ্য, চাকুরি যাই করি না কেন, আমাদের ভাবতে হবে, আমাদের উপার্জন কতটা হালাল।

আল্লাহতাআলা পবিত্র কোরআনের ইরশাদ করেছেন, ‘হে মানবগোষ্ঠী! পৃথিবীতে যা আছে তা থেকে হালাল, পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষণ কর এবং শয়তানের অনুসরণ কর না। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন (সুরা বাকারা, আয়াত ১৬৮)।

আসলে প্রকৃত ধর্ম সত্যিকারের মানুষকে এই পার্থিব জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে অনন্ত জীবনের পথে নিয়ে চলে। দর্শন অথবা বিজ্ঞান এখনো বলতে পারে না, জীবনাবসানের পর মানুষের আত্মার প্রকৃত অবস্থা কি হবে? ধর্ম মানুষকে চিরস্থায়ী ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী স্রষ্টার সাথে সংযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যমে মানব জীবনকে অর্থবহ ও উচ্চ মর্যাদা দান করে। এখানেই মানুষের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হওয়ার রহস্য নিহিত।

একজন মানুষ সে যে ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন, সে যদি তার ধর্মের পরিপূর্ণ অনুসরণ করে চলে, তাহলে পরিবার, সমাজ ও দেশে কোনো ভাবেই বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে না। এছাড়া সমাজে শান্তি শৃঙ্খলার জন্য চাই সম্প্রীতি আর ভ্রাতৃত্ব। কেননা ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য হলো, ধর্ম এবং আল্লাহর তৌহিদ আর একত্ববাদের মূল ভিত্তিস্বরূপ। এটি জীবনের সেই মতবাদ বা দৃষ্টিভঙ্গি যা বর্ণ ও বংশমর্যাদার ঊর্ধ্বে, জাতিসত্তা ও দেশত্বের বৈষম্য থেকে মুক্ত আর সম্মান ও মানবতার পতাকাবাহক আর এটিই মূল বিষয়বস্তু যা সমগ্র মানবজাতিকে ধর্ম ও জাতীয়তার ঊর্ধ্বে উঠে একই মালায় গ্রথিত করে।

আমরা যদি আমাদের আমল ঠিক করি এবং ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার ওপর থেকে জীবন পরিচালনা করি, তাহলে আমরা ইহকালে যেমন শান্তিতে থাকতে পারবো, তেমনি পরকালেও আমাদের জন্য রয়েছে জান্নাতের সুসংবাদ।

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে (বেহেশতে) প্রবেশ করবে। তারা হলো-মন্ত্রতন্ত্র দ্বারা ঝাড়-ফুঁক করায় না। অশুভ লক্ষণাদিতে বিশ্বাস করে না এবং তারা শুধুমাত্র তাদের প্রতিপালকের ওপর নির্ভর করে (বুখারি ও মুসলিম)।

একটি বিষয় আমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে- সব জমিতে যেমন সব ফসল ফলে না, তেমনি সব মানুষের দ্বারাও সব কাজ হয় না। তবে মনে রাখতে হবে, সৃষ্টিকর্তা এ ধরণিতে প্রতিটি মানুষকে একটা বিশেষ কাজের জন্য পাঠিয়েছেন। প্রত্যেকের জীবনের উদ্দেশ্য রয়েছে।  তাই প্রত্যেককে একটু ভেবেচিন্তে দেখতে হবে, সে কোন কাজে ভালো। আমি যে কাজে ভালো সেই কাজটাকেই আমাকে মনোযোগের সাথে করতে হবে, তাহলে জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো। আমি যদি বিশেষ কোনো কাজে সফলতা লাভ করি এবং তা মানুষের কল্যাণের কারণ হয়, তাহলে মানুষও আমাকে মনে রাখবে।আমি আমার ভালো কর্মের মাধ্যমেই যুগ যুগ বেঁচে থাকব মানুষের অন্তরে।

হজরত মুনজির ইবনে জারির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তার পিতা বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের প্রচলন ঘটাবে এবং অন্যরা সেটার অনুসরণ করবে তবে তার জন্য এর প্রতিদান লেখা হবে এবং এর অনুসরণকারীরও অনুরূপ নেকি লেখা হবে। অথচ তাদের প্রতিদান থেকে এতটুকু কমানো হবে না।

অনুরূপ যে ব্যক্তি কোনো পাপ কাজের প্রচলন ঘটাবে এবং অন্যরাও সে পাপ কাজের অনুসরণ করবে, তবে সে পাপ কাজের অন্য প্রচলনকারীর আমলনায় পাপ যুক্ত হতে থাকবে। অথচ যে পাপ করবে তার পাপের সামান্য অংশও কমানো হবে না’ (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)।

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি পাপের কাজে আহ্বান করবে, সেই পাপের দায়ভার তার (আহ্বানকারীর) ওপরেও বর্তাবে। অথচ পাপকারীরও পাপের মধ্যে কোনো ঘাটতি হবে না’ (মুয়াত্তা মালেক)।

আমরা যদি নিজেকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই তাহলে আমাদেরকে সর্বপ্রথম আমাদের কর্ম ভালো করতে হবে আর ধর্মের প্রকৃত শিক্ষার আলোকে নিজেদেরকে পরিচালিত করতে হবে।

লেখক: প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট এবং ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক

কেএমএএ/আপ্র/২৮.০৮.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

অর্ধশতাব্দী পরও নজরুল: সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের অনির্বাণ শিখা
২৮ আগস্ট ২০২৬

অর্ধশতাব্দী পরও নজরুল: সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের অনির্বাণ শিখা

ড. মো.শফিকুল ইসলাম    বাংলা সাহিত্য ও বাঙালির জাতীয় জীবনের এক অবিনাশী নাম কাজী ন...

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী: অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা
২৭ আগস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী: অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা

মো. বোরহানুল আশেকীনবিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের বলে থাকে রোহিঙ্গা শরণার্থী, তবে বাংলাদেশের কাছে...

তরুণ প্রজন্মের জীবনধারা: মূল্যবোধের সংকট ও সম্ভাবনা
২৭ আগস্ট ২০২৬

তরুণ প্রজন্মের জীবনধারা: মূল্যবোধের সংকট ও সম্ভাবনা

প্রদীপ্ত মোবারকবর্তমান বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। প্রযু...

উপকূলের নোনা জলে বিপন্ন হৃদয়-মস্তিষ্ক ও অর্থনীতি
২৭ আগস্ট ২০২৬

উপকূলের নোনা জলে বিপন্ন হৃদয়-মস্তিষ্ক ও অর্থনীতি

বাংলাদেশের উপকূল যেন ধীরে ধীরে এক অদৃশ্য পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। নদীর পানি নোনা হচ্ছে, মা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর চাওয়ার সাথে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে