গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬

মেনু

অর্ধশতাব্দী পরও নজরুল: সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের অনির্বাণ শিখা

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৫ পিএম, ২৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৪ এএম ২০২৬
অর্ধশতাব্দী পরও নজরুল: সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের অনির্বাণ শিখা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ড. মো.শফিকুল ইসলাম    

বাংলা সাহিত্য ও বাঙালির জাতীয় জীবনের এক অবিনাশী নাম কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি বিদ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। দেখতে দেখতে তাঁর প্রয়াণের অর্ধশতাব্দী পূর্ণ হলো। কিন্তু এই দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরেও নজরুল আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যাননি; বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা সংকট, বৈষম্য, অন্যায়, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও মানবীক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে তিনি যেন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। তাঁর জীবন ও সাহিত্যকে স্মরণ করা কেবল একজন কবিকে স্মরণ করা নয়; এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, মানুষের সমঅধিকার, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং মানবমর্যাদার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে নতুন করে স্মরণ করা।

নজরুল মাত্র ২৩-২৪ বছরের সক্রিয় সাহিত্যজীবনে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতকে যে ঐশ্বর্য দিয়ে গেছেন, তা বিস্ময়কর। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সাংবাদিকতা-সর্বত্রই তাঁর ছিল স্বতন্ত্র ও সাহসী পদচারণা। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি অসুস্থ ও নির্বাক অবস্থায় কাটিয়েছেন। ১৯৪২ সাল থেকে তার সৃষ্টিশীল জীবন কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায়। অথচ তার আগেই তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এমন এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছিলেন- যা শতাব্দী পেরিয়েও অম্লান।

নজরুলের সবচেয়ে বড় পরিচয় সম্ভবত তিনি মানুষের কবি। তাঁর সাহিত্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, শ্রেণি কিংবা সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সমাজের নিপীড়িত, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের পক্ষে তার কলম ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। তিনি এমন এক সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। তার বিখ্যাত উচ্চারণ- ‘গাহি সাম্যের গান-/মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’- আজও মানবীক সমাজ নির্মাণের এক চিরন্তন আহ্বান।

নজরুলের বিদ্রোহ ছিল ধ্বংসের জন্য বিদ্রোহ নয়; তার বিদ্রোহ ছিল অন্যায় ভেঙে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য। তার ‘বিদ্রোহী’ কবিতার “চির-উন্নত মম শির” উচ্চারণ বাঙালির আত্মমর্যাদা ও প্রতিবাদী চেতনার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছেন, কারাবরণ করেছেন, আবার কারাগারেই লিখেছেন প্রতিবাদের অমর ভাষ্য। তার কাছে সাহিত্য ছিল শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়,সমাজ পরিবর্তনেরও শক্তিশালী হাতিয়ার।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও নজরুলের গান ও কবিতা মুক্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। স্বাধীনতার আকাক্সক্ষা, শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং আত্মমর্যাদার যে বাণী তার রচনায় ছড়িয়ে আছে, তা মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে সাহস জুগিয়েছে। সেই কারণে স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে নজরুলের সম্পর্ক শুধু সাহিত্যিক নয়; এটি আমাদের জাতীয় ইতিহাস ও আত্মপরিচয়েরও অংশ।

বঙ্গবন্ধুর জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে অন্যতম হলো জাতীয় কবি নজরুলকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা। এই সিদ্ধান্তটি ছিল চমৎকার। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। বাংলাদেশের মানুষ তাকে হৃদয়ের সর্বোচ্চ আসনে স্থান দেয়। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট প্রদান করে। ১৯৭৬ সালে তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয় এবং একই বছর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। মৃত্যুর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হয়।

নজরুলকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে আমরা দীর্ঘকাল ধরে জানলেও একটি বিষয় বহু বছর অসম্পূর্ণ ছিল। তার ‘জাতীয় কবি’ মর্যাদার আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। আমি আগেও আমার লেখায় দাবি জানিয়েছিলাম, কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। আনন্দের বিষয়, দীর্ঘদিনের সেই জাতীয় প্রত্যাশার অবসান ঘটেছে। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং বাংলাদেশের ইতিহাস, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

নজরুলের আরেকটি বড় পরিচয় তার অসাম্প্রদায়িকতা। একই মানুষ লিখেছেন অসংখ্য ইসলামি গান, হামদ-নাত ও গজল; আবার রচনা করেছেন শ্যামাসংগীত ও হিন্দু পুরাণনির্ভর অসংখ্য গান-কবিতা। তার কাছে ধর্ম মানুষের আত্মিক মুক্তি ও মানবীকতার পথ, বিভাজনের দেয়াল নয়। তিনি ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের পরিচয়কে বড় করে দেখেছেন। এ কারণেই বর্তমান বিশ্বে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, সাম্প্রদায়িক সংঘাত ও পরিচয়ের রাজনীতি যখন বিভিন্ন সমাজকে বিভক্ত করছে, তখন নজরুলের অসাম্প্রদায়িক দর্শন আরও বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।

তরুণদের নিয়েও নজরুলের ছিল অসীম প্রত্যাশা। তার বিশ্বাস ছিল, সমাজের জড়তা ভাঙতে পারে তারুণ্য। অন্যায়কে প্রশ্ন করা, পুরোনো ও অচল ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং নতুন পৃথিবী নির্মাণের সাহস তরুণদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি। আজকের তরুণ প্রজন্ম যখন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিশ্বায়নের এক দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে বেড়ে উঠছে; তখন তাদের শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করলেই চলবে না- মানবীকতা, নৈতিক সাহস, ন্যায়বোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতাও অর্জন করতে হবে। এই জায়গায় নজরুল হতে পারেন তাদের অন্যতম পথপ্রদর্শক; বিশেষ করে বৈষম্যের প্রশ্নে নজরুল আজও বিস্ময়করভাবে আধুনিক।

সমাজে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান, সুযোগের অসমতা, শোষণ, বঞ্চনা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার-এসবের বিরুদ্ধে তার কণ্ঠ ছিল আপসহীন। নজরুল এমন সমাজ চেয়েছিলেন, যেখানে মানুষের পরিচয় নির্ধারিত হবে তার মানবীক মর্যাদায়, অর্থ-সম্পদ কিংবা সামাজিক অবস্থানে নয়। উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার সুফল সমাজের প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছেও পৌঁছাবে। নজরুলের সাম্যের দর্শন তাই আধুনিক অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ধারণার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

নজরুলের নামে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আরও বেশি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে নজরুল যুক্ত থাকলেই তার প্রতি দায়িত্ব শেষ হয় না। নজরুলকে জানতে হবে, পড়তে হবে, গবেষণা করতে হবে এবং তাঁর মানবীক ও অসাম্প্রদায়িক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নজরুলবিষয়ক আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, তাঁর সংগীত ও সাহিত্যকর্মের ডিজিটাল সংরক্ষণ, অনুবাদ এবং বিশ্বব্যাপী প্রচারের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়া প্রয়োজন। নজরুলের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়কে নজরুল গবেষণার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যও আমাদের সামনে থাকা উচিত।

নজরুলকে স্মরণ করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় কেবল তার সমাধিতে ফুল দেওয়া কিংবা বছরে দুবার আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা নয়। তাকে সত্যিকারভাবে সম্মান জানাতে হলে তাঁর আদর্শকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যখন কোনো মানুষ ধর্মের কারণে বৈষম্যের শিকার হবে, তখন নজরুলের অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলতে হবে; যখন দুর্বল মানুষের ওপর অন্যায় হবে, তখন তার বিদ্রোহী চেতনাকে ধারণ করতে হবে; যখন বৈষম্য বাড়বে, তখন তার সাম্যের দর্শনের দিকে ফিরে তাকাতে হবে; আর যখন মানবীকতা সংকটে পড়বে, তখন নজরুলের মানুষের ধর্মকে সামনে আনতে হবে। তাই মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরও তিনি অতীতের কোনো কবি নন।

নজরুল বর্তমানের ও ভবিষ্যতেরও কবি। তার বিদ্রোহ অন্যায়ের বিরুদ্ধে, তার সাম্য বৈষম্যের বিরুদ্ধে, তার অসাম্প্রদায়িকতা বিভেদের বিরুদ্ধে এবং তার মানবতা সব ধরনের ঘৃণার বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী উত্তর। তার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা হোক, আমরা এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলব- যেখানে ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বাঁচবে; যেখানে তরুণেরা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না; যেখানে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তা মানুষের মনকে আলোকিত করবে। তবেই জাতীয় কবির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা বাস্তব জীবনে অর্থবহ হয়ে উঠবে।

কাজী নজরুল ইসলাম শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই অর্ধশতাব্দী। কিন্তু তার কণ্ঠ আজও যেন বলে,মাথা উঁচু করে দাঁড়াও, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলো, মানুষকে মানুষ হিসেবে ভালোবাসো। এই আহ্বান যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন নজরুল প্রাসঙ্গিক থাকবেন। আর মানবসভ্যতায় অন্যায়, বৈষম্য ও বিভেদ যতদিন থাকবে, ততদিন সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের পথ দেখাবেন।

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র/২৮.০৮.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী: অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা
২৭ আগস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী: অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা

মো. বোরহানুল আশেকীনবিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের বলে থাকে রোহিঙ্গা শরণার্থী, তবে বাংলাদেশের কাছে...

তরুণ প্রজন্মের জীবনধারা: মূল্যবোধের সংকট ও সম্ভাবনা
২৭ আগস্ট ২০২৬

তরুণ প্রজন্মের জীবনধারা: মূল্যবোধের সংকট ও সম্ভাবনা

প্রদীপ্ত মোবারকবর্তমান বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। প্রযু...

উপকূলের নোনা জলে বিপন্ন হৃদয়-মস্তিষ্ক ও অর্থনীতি
২৭ আগস্ট ২০২৬

উপকূলের নোনা জলে বিপন্ন হৃদয়-মস্তিষ্ক ও অর্থনীতি

বাংলাদেশের উপকূল যেন ধীরে ধীরে এক অদৃশ্য পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। নদীর পানি নোনা হচ্ছে, মা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর চাওয়ার সাথে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে