ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি সমর্থিত সামরিক জোট ও হুথিদের মধ্যে প্রায় দুই মাস ধরে হামলা-পাল্টা হামলা চললেও এত দিন এতে সরাসরি জড়িত হওয়ার ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখিয়েছিলেন তিনি। তবে রিয়াদের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নিজের অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
শনিবারের (১০ অক্টোবর) ওই হামলায় ১২ জন নিহত ও ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া দুই বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক হতাহত হয়েছেন।
হামলার পর এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন আরো সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “সম্ভবত, আমরা বিষয়টি দেখছি। আমরা মাত্র সাম্প্রতিক হামলার ব্যাপারে জানতে পেরেছি। তো বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। আমরা দ্রুতই পদক্ষেপ নেব।”
এ সময় ট্রাম্প জানান, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। পরে আরেক সাংবাদিক যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নেবে কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এটি দেখব।”
এদিকে, রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরবের আকাশসীমায় বিমান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির কথা জানিয়েছে হুথিরা। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী, মক্কা ও মদিনাগামী বিমান ছাড়া অন্য কোনো বিমান সৌদি আরবের আকাশসীমায় প্রবেশ করতে পারবে না। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে হামলার শিকার হওয়ার আশঙ্কাও জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
সানা/ডিসি/আপ্র/১১/১০/২০২৬