গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

যৌন হয়রানির শিকার হলে করণীয় ৭ পদক্ষেপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৫৮ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৯:০৯ এএম ২০২৬
যৌন হয়রানির শিকার হলে করণীয় ৭ পদক্ষেপ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাস্তাঘাট, গণপরিবহন কিংবা জনসমাগমস্থলে যৌন হয়রানি এখনো অনেক নারীর নিত্যদিনের বাস্তবতা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী সচেতন ও নিরাপদ পদক্ষেপ নিলে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমন অপরাধ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জনসমক্ষে যৌন হয়রানিকে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। সচেতনতা, প্রতিবাদ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংস্কৃতি বদলানো সম্ভব।

যৌন হয়রানির ঘটনায় পরিস্থিতি নিরাপদ মনে হলে শান্ত ও দৃঢ়ভাবে হয়রানিকারীকে আচরণ বন্ধ করতে বলা যেতে পারে। অশালীন ভাষা ব্যবহার না করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া উচিত যে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

কাউকে হয়রানির শিকার হতে দেখলে নিরাপদ উপায়ে তার পাশে দাঁড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি হস্তক্ষেপ সম্ভব না হলে অন্যদের সহায়তা চাওয়া বা ভুক্তভোগীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে।

এ ধরনের ঘটনার মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মানসিক সমর্থন পাওয়ার পাশাপাশি অন্যদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ে।

ঘটনাটি আইনগত অপরাধের আওতায় পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানানো উচিত। এতে ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র বা নিজ এলাকায় যৌন হয়রানিবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত আলো, নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি তোলা এবং স্থানীয় সংগঠন বা কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিরাপদ জনপরিসর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যৌন হয়রানির ঘটনায় নীরব থাকা বাধ্যতামূলক নয়, আবার সব পরিস্থিতিতে প্রতিবাদ করাও সম্ভব নাও হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া। মনে রাখতে হবে, যৌন হয়রানির দায় কখনোই ভুক্তভোগীর নয়; দায় সম্পূর্ণভাবে হয়রানিকারীর।

সূত্র: এভরি ডে ফেমিনিজম

এসি/আপ্র/১৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন

ত্বকে যতই ভালোভাবে মেকআপ করা হোক, নাক, কপাল বা থুতনিতে ছোট ছোট কালো দাগের মতো ব্ল্যাকহেডস থাকলে সৌন্...

মানুষ না খেয়ে কতদিন বাঁচতে পারে
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানুষ না খেয়ে কতদিন বাঁচতে পারে

ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়ার পর কয়েক দিন, এমনকি এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় পর কাউকে জীবিত উদ্ধার করা...

ফ্যাটি লিভারের ৫ লক্ষণ, অবহেলা নয়
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফ্যাটি লিভারের ৫ লক্ষণ, অবহেলা নয়

ফ্যাটি লিভার ডিজিজ অনেক সময় নীরবে বিকশিত হয়। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমলেও বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে...

তরুণদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি কমছে যেসব কারণে
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তরুণদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি কমছে যেসব কারণে

ভুলে যাওয়া, মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা কিংবা মানসিক ক্লান্তির মতো সমস্যাকে একসময় বয়স বাড়ার সঙ্গে সম্পর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 49 মিনিট আগে