গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

যৌন হয়রানির শিকার হলে করণীয় ৭ পদক্ষেপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৫৮ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৩০ এএম ২০২৬
যৌন হয়রানির শিকার হলে করণীয় ৭ পদক্ষেপ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাস্তাঘাট, গণপরিবহন কিংবা জনসমাগমস্থলে যৌন হয়রানি এখনো অনেক নারীর নিত্যদিনের বাস্তবতা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী সচেতন ও নিরাপদ পদক্ষেপ নিলে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমন অপরাধ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জনসমক্ষে যৌন হয়রানিকে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। সচেতনতা, প্রতিবাদ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংস্কৃতি বদলানো সম্ভব।

যৌন হয়রানির ঘটনায় পরিস্থিতি নিরাপদ মনে হলে শান্ত ও দৃঢ়ভাবে হয়রানিকারীকে আচরণ বন্ধ করতে বলা যেতে পারে। অশালীন ভাষা ব্যবহার না করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া উচিত যে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

কাউকে হয়রানির শিকার হতে দেখলে নিরাপদ উপায়ে তার পাশে দাঁড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি হস্তক্ষেপ সম্ভব না হলে অন্যদের সহায়তা চাওয়া বা ভুক্তভোগীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে।

এ ধরনের ঘটনার মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মানসিক সমর্থন পাওয়ার পাশাপাশি অন্যদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ে।

ঘটনাটি আইনগত অপরাধের আওতায় পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানানো উচিত। এতে ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র বা নিজ এলাকায় যৌন হয়রানিবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত আলো, নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি তোলা এবং স্থানীয় সংগঠন বা কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিরাপদ জনপরিসর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যৌন হয়রানির ঘটনায় নীরব থাকা বাধ্যতামূলক নয়, আবার সব পরিস্থিতিতে প্রতিবাদ করাও সম্ভব নাও হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া। মনে রাখতে হবে, যৌন হয়রানির দায় কখনোই ভুক্তভোগীর নয়; দায় সম্পূর্ণভাবে হয়রানিকারীর।

সূত্র: এভরি ডে ফেমিনিজম

এসি/আপ্র/১৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সম্প্রীতির বাংলাদেশে এখন বিরাজ করছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ
১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্প্রীতির বাংলাদেশে এখন বিরাজ করছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ

দেশজুড়ে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজ...

পোশাক বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়েই ভিন্নতাকে জানানো হয় সম্মান
১৯ অক্টোবর ২০২৬

পোশাক বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়েই ভিন্নতাকে জানানো হয় সম্মান

‘লাউড শার্ট ডে’র মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রবণশক্তির সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রয়োজ...

ভ্রমণে গিয়ে হোটেল-রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষায় সতর্কতা
১৯ অক্টোবর ২০২৬

ভ্রমণে গিয়ে হোটেল-রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষায় সতর্কতা

ভ্রমণে গিয়ে অনেক সময় নানা রকম বিপদের মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে অগ্নিকাণ্ড। তাই অগ্নি...

শারদীয় দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণ সুস্বাদু খাবার
১৯ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণ সুস্বাদু খাবার

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পূজার অন্যতম আকর্ষণ হলো সুস্বাদু সব খাবার। আর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে