গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৪ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০৮:১৬ এএম ২০২৬
‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি

মঙ্গলবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন -ছবি সংগৃহীত

‘ডিজিটাল ডিভাইসের’ মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি পরীক্ষায় যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

সে সময় তিনি বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় মন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ফের তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে তল্লাশি নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদার করতে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, পরীক্ষা চলাকালে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য পরীক্ষার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাশের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে। নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় মোটিভেশনাল মিটিং আয়োজন করা হবে বলেও তিনি জানান।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই সেখানে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এই জিলা স্কুলগুলো প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে হবে যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে।
সানা/আপ্র/৩/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। নতুন করে প্রায় সাড়ে...

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

২০৩১ সালের মধ্যে দেশে সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জান...

বিচারকদের মতো শিক্ষকদের জন্যও পৃথক পে-স্কেল হবে: শিক্ষামন্ত্রী
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিচারকদের মতো শিক্ষকদের জন্যও পৃথক পে-স্কেল হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বিচার বিভাগের আওতাধীন বিচারকদের জন্য যেমন পৃথক পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো রয়েছে, তেমনি শিক্ষকদের জন্যও...

১০০ শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার, প্রত্যকে পাবেন এক লাখ টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১০০ শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার, প্রত্যকে পাবেন এক লাখ টাকা

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সারা দেশের ১০০ গুণী শিক্ষককে এক লাখ করে এক কোটি টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 47 মিনিট আগে