গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

জামানতহীন ঋণের ফাঁদে নিঃস্ব নলুয়ার অর্ধশত পরিবার

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ০১:২১ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০২:১৬ এএম ২০২৬
জামানতহীন ঋণের ফাঁদে নিঃস্ব নলুয়ার অর্ধশত পরিবার
ছবি

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

বেশি মুনাফার প্রলোভন, জামানত ছাড়াই দ্রুত বড় অঙ্কের ঋণ—এমন চটকদার প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার নলুয়া এলাকার অর্ধশতাধিক সাধারণ মানুষ জমানো সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়ার পর রাতের আঁধারে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে ‘গ্রামীণ সেবা সংস্থা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে গেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সখীপুর উপজেলার নলুয়া বাজারে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদের দেশের স্বনামধন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এর কর্মীরা এলাকায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালান। সাধারণ সঞ্চয়ের বিপরীতে আকর্ষণীয় মুনাফা এবং কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।

সহজ শর্তে দ্রুত ঋণ পাওয়ার আশায় স্থানীয় দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও গৃহিণীদের অনেকে প্রতিষ্ঠানটির সদস্য হন। শুরুতে নিয়মিত কিস্তি সংগ্রহ ও স্বাভাবিক লেনদেনের মাধ্যমে স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। পরে সেই আস্থার সুযোগ নিয়ে ঋণ দেওয়ার অগ্রিম জামানত ও সঞ্চয়ের নামে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে গত কয়েক দিনে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

ভুক্তভোগীরা জানান, সঞ্চয়ের টাকা ও ঋণের অগ্রিম অর্থ দেওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ঋণ নিতে নলুয়া বাজারের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁরা দেখেন, প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। গত দুই দিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। বন্ধ রয়েছে তাদের ব্যবহৃত সব মোবাইল ফোন নম্বরও।

কার্যালয়ে তালা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেক ভুক্তভোগী। দীর্ঘদিনের জমানো অর্থ হারিয়ে তাঁরা এখন দিশেহারা। তাঁদের অভিযোগ, ঋণের আশ্বাস দিয়ে টাকা নেওয়ার পরই কার্যালয় বন্ধ করে পালিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটির লোকজন।

এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, অনুমোদনহীন ও ভুয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চটকদার প্রচারণায় প্রলুব্ধ হয়ে সাধারণ মানুষ প্রায়ই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সরকারি অনুমোদন ও বৈধ নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী দ্রুত কথিত প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে তাঁদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সানা/আপ্র/৮/৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ইয়াবা কারবারের অভিযোগ
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ইয়াবা কারবারের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের কান্দাপাড়া এলাকায় জিহাদ নামের এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, ইয়াবা বিক্রির চেষ্টা ও...

সাতক্ষীরায় কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেফতার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাতক্ষীরায় কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল নিষিদ্ধ কোরেক্স সিরাপসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সোম...

ঘোড়াঘাটে ১২৫ একর জমিতে এক গভীর নলকূপ
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘোড়াঘাটে ১২৫ একর জমিতে এক গভীর নলকূপ

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ১২৫ একর জমির সেচের জন্য রয়েছে মাত্র একটি গভীর নলকূ...

অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন, অ্যারিস্টোকেয়ারকে আইনি নোটিশ
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন, অ্যারিস্টোকেয়ারকে আইনি নোটিশ

চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগ এলাকায় অ্যারিস্টোকেয়ার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসা কার্যক্রম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 44 মিনিট আগে