গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

জন্মাষ্টমী ও মানবতার পুনর্জন্ম

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৩৪ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০১:১৬ এএম ২০২৬
জন্মাষ্টমী ও মানবতার পুনর্জন্ম
ছবি

শ্রীকৃষ্ণের প্রতীকী ছবি

ড. রাধেশ্যাম সরকার=====    
জন্মাষ্টমী এলেই মথুরার সেই অন্ধকার কারাগারের কথা মনে পড়ে। চারদিকে ভয়, অত্যাচার ও অনিশ্চয়তা। রাজা কংসের নিষ্ঠুর শাসনে মানুষের জীবন যখন বিপন্ন, তখন মধ্যরাত্রির গভীর অন্ধকারে জন্ম নিলেন শ্রীকৃষ্ণ। পুরাণের এই কাহিনি শুধু একটি ধর্মীয় আখ্যান নয়, এর মধ্যে যেন মানবসভ্যতার এক চিরন্তন সত্য লুকিয়ে আছে। অন্ধকার যত ঘন হয়, আলোর প্রত্যাশাও তত তীব্র হয়ে ওঠে। তাই কৃষ্ণের জন্মকে শুধু একজন দেবতার আবির্ভাব হিসেবে দেখলে এর গভীর তাৎপর্যের অনেকটাই অনুধাবন করা হয় না। এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের, ভয়ের বিরুদ্ধে সাহসের এবং হতাশার বিরুদ্ধে আশার আবির্ভাবের প্রতীক।

কৃষ্ণের মাহাত্ম্য তাঁর জন্মকাহিনিতে শেষ হয়নি। তাঁর জীবনজুড়ে ছড়িয়ে আছে প্রেম, আনন্দ, প্রজ্ঞা, কৌশল, কর্তব্য ও ন্যায়ের এক বিস্ময়কর সমন্বয়। শৈশবের বৃন্দাবনে তিনি আনন্দের, সখ্যের ও ভালোবাসার প্রতীক; আবার জীবনের পরবর্তী সময়ে অন্যায় ও অধর্মের বিরুদ্ধে তিনি হয়ে ওঠেন দৃঢ় ও প্রজ্ঞাবান পথপ্রদর্শক। আর তাঁর জীবনদর্শনের সবচেয়ে গভীর প্রকাশ আমরা পাই শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায়। কুরুক্ষেত্রে অর্জুনের সামনে তখন শুধু একটি যুদ্ধ ছিল না, ছিল এক কঠিন নৈতিক সংকট।

একদিকে স্বজন, গুরুজন ও আপনজনের প্রতি মমতা, অন্যদিকে কর্তব্য ও ন্যায়ের প্রশ্ন। এই দ্বন্দ্বই গীতাকে শুধু একটি ধর্মগ্রন্থের সীমায় আটকে রাখেনি, তাকে মানুষের চিরন্তন জীবনসংকটের এক অনন্য গ্রন্থে পরিণত করেছে। কুরুক্ষেত্র তাই কেবল একটি যুদ্ধক্ষেত্র নয়, মানুষের অন্তরেরও একটি ভূখণ্ড। প্রতিদিন আমাদের জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন সত্য জেনেও আমরা সুবিধার দিকে ঝুঁকে পড়ি, কর্তব্য বুঝেও পিছিয়ে যাই, অন্যায় দেখেও নীরব থাকি। তখন আমাদের ভেতরেই শুরু হয় কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ। সেখানে কোনো রথ নেই, তীর নেই, অস্ত্র নেই; আছে বিবেকের সঙ্গে স্বার্থের, সাহসের সঙ্গে ভয়ের এবং সত্যের সঙ্গে আপসের লড়াই।

এই অন্তরের কুরুক্ষেত্রে কৃষ্ণের প্রথম বড় শিক্ষা কর্ম ও কর্তব্যের। গীতার অমর বাণী, “কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন” শুধু আধ্যাত্মিক সাধনার কথা বলে না, মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও নৈতিকতারও এক গভীর নির্দেশনা দেয়। মানুষের অধিকার তার কর্মে, ফলের ওপর নয়। এর অর্থ ফলের প্রয়োজন নেই, তা নয়; বরং ফলের মোহ যেন কর্তব্যকে গ্রাস না করে। আজকের সময়ে এই শিক্ষা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা এমন এক প্রতিযোগিতামুখর সমাজে বাস করছি, যেখানে সাফল্য অনেক সময় সততার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, পরিচিতি দায়িত্বের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে এবং ব্যক্তিগত লাভ সামাজিক কল্যাণকে আড়াল করে দেয়। একজন মানুষ কী পেলেন, তার চেয়ে তিনি কী করলেন—এই প্রশ্নটি যেন ক্রমেই গুরুত্ব হারাচ্ছে। অথচ একটি সমাজের প্রকৃত শক্তি তৈরি হয় দায়িত্বশীল মানুষের হাতে। শিক্ষক যদি শিক্ষাদানকে শুধু চাকরি মনে করেন, চিকিৎসক যদি সেবার জায়গায় কেবল পেশাকে দেখেন, কর্মকর্তা যদি দায়িত্বের বদলে ক্ষমতাকে বড় করেন, ব্যবসায়ী যদি মুনাফার কাছে নৈতিকতাকে বিসর্জন দেন, কিংবা সাধারণ নাগরিক যদি নিজের সুবিধার বাইরে সমাজকে দেখতে না চান, তাহলে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধটি আমাদের ভেতরেই হেরে যায়। কৃষ্ণের শিক্ষা সেখানে আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সৎভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করাও এক ধরনের সাধনা।

কিন্তু কর্তব্য পালনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা অনেক সময় বাইরের শত্রু নয়, নিজের ভেতরের ভয়। অন্যায় দেখেও প্রতিবাদ না করা, সত্য জানলেও নীরব থাকা কিংবা ভুলকে মেনে নেওয়া অনেক সময় আমাদের কাছে সহজ মনে হয়, কারণ সত্যের পথে দাঁড়ানোর মূল্য দিতে হয়। কৃষ্ণের শিক্ষা সেই ভয় অতিক্রম করার শিক্ষা। গীতার “সমত্বং যোগ উচ্যতে” আমাদের শেখায়, সাফল্যে অহংকারে ভেসে না যাওয়া এবং ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়া। জীবন কখনো একরৈখিক নয়। সুখ ও দুঃখ, জয় ও পরাজয়, প্রাপ্তি ও বঞ্চনা পাশাপাশি চলবে। কিন্তু মানুষের চরিত্রের পরীক্ষা হয় প্রতিকূল সময়ে।

একইভাবে সমাজের সুস্থতার জন্যও প্রয়োজন সমদর্শন। মানুষের পরিচয়, ধর্ম, জাতি, বর্ণ, মত কিংবা সামাজিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে যে বিভাজন তৈরি হয়, তা মানুষের মধ্যে দূরত্ব বাড়ায়। কৃষ্ণের সমদর্শনের শিক্ষা আমাদের অন্যের মধ্যে মানুষকে দেখতে শেখায়। নিজের ধর্মকে ভালোবাসা স্বাভাবিক, কিন্তু সেই ভালোবাসা যদি অন্যের প্রতি ঘৃণায় পরিণত হয়, তবে সেখানে ধর্মের সৌন্দর্য হারিয়ে যায়। জন্মাষ্টমীর শিক্ষা তাই শুধু নিজের বিশ্বাসকে উদ্যাপন করা নয়, অন্যের বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখানোরও শিক্ষা। যে সমাজ ভিন্নতাকে সহ্য করতে পারে না, সে সমাজ যত আধুনিকই হোক, তার ভেতরের অন্ধকার দূর হয়নি।

জন্মাষ্টমীর শ্রেষ্ঠ উদ্যাপন তাই বাহ্যিক আয়োজনের চেয়ে অন্তরের পরিবর্তনে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, কর্মে সততা, কর্তব্যে নিষ্ঠা, ভিন্নতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস এবং অহংকার থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা যদি আমাদের জীবনে একটু হলেও জায়গা করে নেয়, তবেই কৃষ্ণের জন্মের আলো আমাদের মধ্যে সত্যিকার অর্থে জ্বলে উঠবে।

কৃষ্ণের এই মানবিক ও অন্তর্লীন দর্শনের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ভাবনারও কোথাও কোথাও একটি গভীর সুরমিল অনুভব করা যায়। গীতায় কৃষ্ণ বলেছেন, “সর্বস্য চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো”, অর্থাৎ তিনি সকলের হৃদয়ে অবস্থান করেন। রবীন্দ্রনাথের “আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে” গানটিতে যেন সেই অন্তর্লীন সত্তারই অন্য এক কাব্যিক অনুভব প্রকাশ পেয়েছে। আবার “আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধূলার তলে” গানটির মধ্যে অহংকার থেকে মুক্ত হয়ে বৃহত্তর সত্যের কাছে নিজেকে সমর্পণের যে আকাঙ্ক্ষা, তার সঙ্গে গীতার আত্মসমর্পণের ভাবের একটি অন্তর্গত মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

এই মিলকে আক্ষরিক অর্থে এক করে দেখার প্রয়োজন নেই। বরং দুই ভিন্ন সময়ের দুই মনীষার চিন্তায় মানুষের অন্তরকে শুদ্ধ করার যে আকাঙ্ক্ষা, সেটিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। রবীন্দ্রনাথের বিশ্বমানবতার ভাবনা যেমন মানুষকে সংকীর্ণ পরিচয়ের বাইরে নিয়ে যেতে চায়, কৃষ্ণের সমদর্শনও তেমনি মানুষকে বাহ্যিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে বৃহত্তর সত্যকে দেখতে শেখায়। আজ যখন ধর্মের নামে বিদ্বেষ, পরিচয়ের নামে বিভাজন এবং রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষের আবেগকে ব্যবহার করার প্রবণতা দেখা যায়, তখন এই উদার মানবিক চেতনা আরো জরুরি হয়ে ওঠে।

আজকের কুরুক্ষেত্র কোথায়? তা কি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে, রাজনীতির ময়দানে কিংবা সমাজের সংঘাতের মধ্যে? আসলে তার একটি বড় অংশ আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে। লোভ যখন বিবেককে হার মানায়, অহংকার যখন বিনয়কে গ্রাস করে, স্বার্থ যখন দায়িত্বকে পরাজিত করে, তখনই আমাদের অন্তরে কুরুক্ষেত্র তৈরি হয়। অন্যায়ের সঙ্গে আপস করার মুহূর্তটিও একটি কুরুক্ষেত্র। দুর্বল মানুষের প্রতি অবিচার দেখেও মুখ ফিরিয়ে নেওয়াও একটি কুরুক্ষেত্র। অন্যের ধর্ম, মত কিংবা পরিচয়কে অবজ্ঞা করার মধ্যেও সেই যুদ্ধ আছে। প্রশ্ন হলো, সেই যুদ্ধে আমরা কার পক্ষে দাঁড়াচ্ছি। আমাদের ভেতরের কংস কি শক্তিশালী হচ্ছে, নাকি কৃষ্ণের আলো? জন্মাষ্টমীর সবচেয়ে গভীর তাৎপর্য সম্ভবত এখানেই। কৃষ্ণের জন্মের কাহিনিতে যেমন অন্ধকারের মধ্য থেকে আলোর আবির্ভাব, তেমনি আমাদের জীবনেও প্রতিদিন নতুন করে সত্য ও মানবিকতার জন্ম দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। জন্মাষ্টমীর আলো যদি শুধু মন্দিরের প্রদীপে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তার অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সেই আলোকে মানুষের আচরণে, সম্পর্কের মধ্যে এবং সামাজিক দায়িত্ববোধে ছড়িয়ে দিতে পারলেই উৎসব তার প্রকৃত অর্থ পায়।

তাই জন্মাষ্টমী শুধু কৃষ্ণের জন্মতিথি স্মরণের দিন নয়, এটি আত্মজিজ্ঞাসারও দিন। এই দিনে আমাদের নিজেদের কাছে কিছু প্রশ্ন রাখা দরকার। আমি কি অন্যায়ের সামনে নীরব থাকি? আমি কি নিজের স্বার্থের জন্য কর্তব্যকে বিসর্জন দিই? সাফল্য আমাকে কি অহংকারী করে তোলে? ব্যর্থতা কি আমাকে সত্যের পথ থেকে সরিয়ে দেয়? ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষকে আমি কি যথেষ্ট সম্মান করি? সংকটের মুহূর্তে আমি কি সত্যের পাশে দাঁড়ানোর সাহস রাখি? কুরুক্ষেত্রের অর্জুনের মতো আমরাও প্রতিদিন কোনো না কোনো দ্বিধার মুখোমুখি হই। কৃষ্ণের বাণী সেই দ্বিধার মধ্যে পথ খুঁজতে শেখায়। তাঁর শিক্ষা আমাদের শুধু কী বিশ্বাস করতে হবে, তা বলে না; কীভাবে বাঁচতে হবে, কীভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং সংকটের সময়ে কোন সত্যের পাশে দাঁড়াতে হবে, সেই প্রশ্নও সামনে আনে।

জন্মাষ্টমীর শ্রেষ্ঠ উদ্যাপন তাই বাহ্যিক আয়োজনের চেয়ে অন্তরের পরিবর্তনে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, কর্মে সততা, কর্তব্যে নিষ্ঠা, ভিন্নতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস এবং অহংকার থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা যদি আমাদের জীবনে একটু হলেও জায়গা করে নেয়, তবেই কৃষ্ণের জন্মের আলো আমাদের মধ্যে সত্যিকার অর্থে জ্বলে উঠবে। কারণ কুরুক্ষেত্র আজও আছে, শুধু তার রূপ বদলেছে। সেই যুদ্ধক্ষেত্র আমাদের বাইরের পৃথিবীর মতোই আমাদের অন্তরেও। আর সেখানে জয়ী হবে কে, তা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করছে আমাদের নিজের সিদ্ধান্তের ওপর—অন্ধকারের, নাকি আলোর।
লেখক: কৃষিবিদ, প্রাবন্ধিক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান, ডিআরপি ফাউন্ডেশন।
সানা/আপ্র/৫/৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইমানকে জাগানোর জন্যই আসে
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইমানকে জাগানোর জন্যই আসে

মাহমুদ আহমদ=======    সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ...

অনলাইনে মত প্রকাশে সাংবাদিকরা কি নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছেন?
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইনে মত প্রকাশে সাংবাদিকরা কি নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছেন?

আমীন আল রশীদ===অনলাইনে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মধ্যে অস্বস্তি ও আশঙ্কা বাড়ছে। সম...

বন্ধ কারখানা ফেরাতে টাকা যথেষ্ট নয়
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বন্ধ কারখানা ফেরাতে টাকা যথেষ্ট নয়

শোয়েব সাম্য সিদ্দিক====একটা ঋণের ফাইল অনুমোদনের আগে কতগুলো ধাপ পার হয়, সাধারণ পাঠক সেটা জানেন না। শা...

ব্যাগ গেল জীবন গেল, নিরাপত্তা গেল কোথায়?
৩১ আগস্ট ২০২৬

ব্যাগ গেল জীবন গেল, নিরাপত্তা গেল কোথায়?

চিররঞ্জন সরকারবাংলাদেশে এখন ছিনতাইও বেশ গণতান্ত্রিক হয়েছে। কাউকে দেখে আর বিশেষ বাছবিচার করে না। ধনী-...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রিয় পাঠক, আপনি মনে করেন র‌্যাব বিলুপ্তির এই উদ্যোগ সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 13 ঘন্টা আগে