গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমায় কমলো এলপিজির দাম

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৫৬ পিএম, ০৭ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৮:০৯ এএম ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমায় কমলো এলপিজির দাম
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান মূল্যসূচক সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় জুলাই মাসের জন্য দেশের বেসরকারি খাতের এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

গত ২ জুলাই জারি করা কমিশনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জুলাই মাসের জন্য সৌদি আরামকো প্রতি মেট্রিক টন প্রোপেনের মূল্য ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের মূল্য ৬০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে। প্রোপেন ও বিউটেনের ৩৫:৬৫ অনুপাত অনুযায়ী গড় সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস দাঁড়িয়েছে প্রতি মেট্রিক টন ৫৯১ মার্কিন ডলার। জুন মাসে এই গড় মূল্য ছিল ৬৮০ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেছে ৮৯ মার্কিন ডলার।

এই মূল্যহ্রাসের সরাসরি প্রভাবেই দেশের বাজারে এলপিজির দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ২৯ টাকা ৭৬ পয়সা। এর আগে জুন মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫৫ টাকা কমানো হয়েছিল।

এ ছাড়া রেটিকুলেটেড ব্যবস্থায় তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৩ টাকা ৫৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ৭২ পয়সা ৪৮ পয়সা বা প্রতি ঘনমিটার ৭২৪ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অটোগ্যাসের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৮০ পয়সা, যা আগের মাসের তুলনায় কম। নতুন এই মূল্য ২ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে সরকারি খাতের ১২ দশমিক ৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সাই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম দ্রুত বাড়তে থাকে। এর প্রভাবে গত এপ্রিলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হয়। ওই মাসের শুরুতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়। পরে ১৯ এপ্রিল আরও ২১২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এর দাম দাঁড়ায় এক হাজার ৯৪০ টাকা। পরের মাসে দাম অপরিবর্তিত রাখা হলেও যুদ্ধবিরতির পর বিশ্ববাজারে দাম কমতে শুরু করলে জুনে সিলিন্ডারপ্রতি ৫৫ টাকা কমানো হয়।

বাংলাদেশে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। এলপিজির প্রধান কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেন সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর। সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রতি মাসে এই দুই উপাদানের আন্তর্জাতিক মূল্য ঘোষণা করে, যা সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস নামে পরিচিত।

এই মূল্যকে ভিত্তি ধরে আমদানিকারকদের চালানমূল্য, ডলারের বিনিময় হার, আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যয়, বন্দর ব্যয় এবং বিপণন খরচসহ বিভিন্ন উপাদান বিবেচনায় নিয়ে কমিশন দেশে এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে। জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, চলতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় তার সুফল সরাসরি পেয়েছেন দেশের ভোক্তারা।

এসি/আপ্র/০৭/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা ৮০ বছর হলো
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা ৮০ বছর হলো

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে পেনশনারের মৃত্যুর পর নমিনি বা স্বামী-স্ত্রীর পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা ৭৫ বছর থেকে...

নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

দেশের মানুষের নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত পণ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ...

সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

দেশে নিম্নস্তরের বা কম দামি প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বনি...

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তন, আসছে ঋণ-স্বাস্থ্যবিমা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তন, আসছে ঋণ-স্বাস্থ্যবিমা

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরো আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করতে একগুচ্ছ নতুন সুবিধা যুক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জুয়া ও মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধের পর শুধু গ্রেফতার, বিচার ও শাস্তি দিলেই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে আপনি কি একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 22 ঘন্টা আগে