গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

মেনু

শিক্ষায় যত দোষ ও আমাদের নন্দ ঘোষ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১২ পিএম, ০৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৬ এএম ২০২৬
শিক্ষায় যত দোষ ও আমাদের নন্দ ঘোষ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ড. শোয়াইব জিবরান

নন্দ ঘোষ ছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পালক পিতা। শ্রীকৃষ্ণ মাতৃক্রোড় হারানোর পর নন্দ ঘোষ আর যশোদার আদরেই গোকুলে বড় হয়েছিলেন। নন্দ ঘোষ শ্রীকৃষ্ণের জন্মদাতা পিতা ছিলেন না, ছিলেন পালক পিতা মাত্র। ফলে শ্রীকৃষ্ণকে আদর করার অধিকার থাকলেও শাসনের অধিকার তার ছিল না।

শ্রীকৃষ্ণ আদরেই বড় হচ্ছিলেন আর নানা অঘটন ঘটিয়ে চলেছিলেন। দইয়ের হাড়ি ভাঙা থেকে গরুর মাঠে নানা ঝামেলা পাকানো ইত্যাদি। প্রতিবেশিরা যখন এসবের বিচার নন্দ ঘোষের কাছে দিতেন নন্দ সেটার কঠোর প্রতিকার করতে পারতেন না। ফলে লোকজন এক সময় বলতে শুরু করলো নন্দ ঘোষের আশকারার কারণেই শ্রীকৃষ্ণ এমনটি করে বেড়াচ্ছেন। তারপর থেকে প্রবাদটি হয়ে গেল, ‘যত দোষ, নন্দ ঘোষ’। সেসব যুগ এখন আর নেই। গোকুলের মাঠও নেই। কিন্তু গরু ও নন্দ ঘোষরা এখনো আছেন। যদিও গরুরা এখন ফার্মে তোলা খাবারে বড় হচ্ছে, তবুও নন্দঘোষরা সব দোষের দায় নিয়েই চলেছেন। স্কুলে গিয়েই যে তারা সবাই সুবোধ বালক-বালিকা হয়ে যাচ্ছে, এমনটি নয়। নানা অঘটনের সংবাদ সারাক্ষণই আসছে।

ডিসি সাহেব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাসে গিয়ে পড়া ধরলে তারা পড়তে পারছে না। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রান্তিক পরীক্ষায় সবাই এ প্লাস পাচ্ছে না। পেলেও বায়ান্ন সালে কী হয়েছিল বলতে পারছে না। আর এখন তো তারা রীতিমত বিপ্লব করে বেড়াচ্ছে। একে-তাকে প্রকাশ্যে অশ্লীল গালি দিচ্ছে, মারছে, মাস্টার মশাইদেরও পেটাতে ছাড়ছে না। কিন্তু এসব দেখে রাখার দায়িত্ব কাদের ছিল? সবাই বলছে, শিক্ষকদের। মানে পালকপিতা, এ যুগের নন্দ ঘোষদের। ধুমছে লোকেরা নতুন যুগের নন্দ ঘোষদের শিক্ষার সব দোষের জন্য দোষারোপ করছে। নন্দ ঘোষরা নিজ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির কাছে, ইউএনও-ওসি, ডিসি, পত্রিকাওয়ালা, ফেসকবুক সর্বত্র নন্দদুলালদের সামনেই প্যাঁদানি খাচ্ছেন। এমনকি নন্দ দুলালওরাও প্যাঁদানি দিচ্ছে। আসলেই সব দোষ কি নন্দ ঘোষের ছিল?

গ্রিসে একটি শব্দ আছে ফেটুম, ইংরেজিতে ফেইট আর আমাদের এখানে বলে নিয়তি। তাহলে সেসব কাণ্ডের দায় অযথাই লোকে কেন বেচারা নন্দ ঘোষের ওপর দেয়? পৌরাণিক ঘটনা ও চরিত্র নিয়ে এসব প্রশ্নের উত্তর এখন আর পাওয়া যাবে না। কিন্তু বর্তমান নন্দ দুলাল, নন্দ ঘোষ আর গোকুলের কুলপতিদের নিয়ে খানিকটা আমরা চিন্তা, বিবেচনা, পুনর্বিবেচনা তো করতে পারি?

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম শিক্ষাব্যবস্থা। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্রের পরেই প্রায় বাংলাদেশের অবস্থান। কিন্তু বাজেটের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান একদম তলানিতে। উল্লিখিত দেশগুলোয় জিডিপির ৬ থেকে ৪ শতাংশ শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ করা হলেও বাংলাদেশে তা উল্লেখ করার মত নয়। এত দিনের কথা বাদ দিলেও এবছরেও প্রস্তাব করা হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন ৫ শতাংশ পৌঁছানো- যেখানে আমাদের তুলনা করা শিক্ষাব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে এখনই ছয় শতাংশ ব্যয় করছে। আর শিক্ষকদের বেতন ভাতার দিকে তুলনা করলে তুলনা করা পশ্চিম তো অনেক দূরের বিষয়, ভারত, পাকিস্তান, এমনকি নেপালের চেয়েও বাংলাদেশে তা লজ্জাজনকভাবে কম। তবুও ধরা গেল বাংলাদেশে শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। কম বেতনে, এমনকি স্কুলের পিয়নের চেয়েও কম বেতনে শিক্ষকরা কাজ করবেন। ঠিক আছে। তাহলে সে মহান সম্মান? সেটিও তো পিয়ন দারোয়ানের চেয়ে কম।

এ দেশে কেউ কখনো শুনেছে কোনো পিয়ন দারোয়ানকে স্কুলে গিয়ে কোনো কর্তা ধমকেছেন! কিন্তু ক্লাসরুমে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষকদের ধমকানোর ঘটনা ঘটছে অহরহ; এমনকি ক্লাসরুমে প্রবেশের নৈতিক অধিকার নেই এমন কর্তারাও অহরহ তা করছেন। তাহলে সে শিক্ষকদের কাছে আমরা শিক্ষার্থীদের পড়ানোর নৈতিক মনোবল আশা করি কী করে? আর শিক্ষার্থীরাইবা কেন এই নখদন্তহীন কাগুজে লোকেদের কথা শুনবে? তারা তো শুনবে স্থানীয় রাজনীতিবিদদের কথা, পাড়ার মাস্তানদের কথা, প্রশাসনের হর্তাকর্তাদের কথা। বাস্তবে সেটিই ঘটে চলেছে।

একটা শিশু চব্বিশ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্র আট ঘণ্টা স্কুলে থাকে। বাকি ষোল ঘণ্টাই থাকে পরিবারে, সমাজে। শিশুরা স্কুলের কৃত্রিম পরিবেশে যা কিছু শেখে তারচেয়ে বেশি শেখে বাস্তব জগত থেকে। একটা সাম্প্রতিক উদাহরণ থেকেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাবে। আমাদের ষোল বৎসরব্যাপী শিক্ষাব্যবস্থার কোথাও কি অশ্লীল গালি বা শিক্ষকদের, বয়স্ক মানুষদের অপদস্থ করার শিক্ষাক্রম আছে? বা এ সংক্রান্ত একটিও শব্দ আছে? কিন্তু এখন আমাদের চারপাশে যে অহরহ এসবের বন্যা দেখা যাচ্ছে এগুলো শিক্ষার্থীরা শিখন কোথা থেকে? খুব সহজ উত্তর চারপাশের বাস্তব জগত থেকে।

আমাদের সমাজের বড় একটি অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত। কিন্তু তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই বেরিয়েই দুর্নীতিগ্রস্ত হননি। এ জন্য সময় লেগেছে। কিন্তু এখন শিক্ষার্থী অবস্থাতেই ভয়াবহ দুর্নীতি জড়িত হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কারণ তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যতটা না পুঁথিগত শিক্ষা গ্রহণ করেছে, এর চেয়ে বেশি গ্রহণ করেছে বাস্তব জগৎ থেকে; সমাজ থেকে। আর বিদ্যালয় তো সামাজিক প্রতিষ্ঠানই। যা কিছু সমাজে ঘটছে, তার প্রতিবিম্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও দেখা যাচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থা সমাজ গড়ে তোলে। এরপর শিক্ষা ওই সমাজ বদলায়।

সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিন্দু কলেজ যার বর্তমান নাম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়। ইংরেজরা এটিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেই গড়ে তুলেছিল সব ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে। এটা শুধু যে ইংরেজদের শিক্ষিত করেছে এমন নয়। সেখান থেকে ডিরোজিও, বিদ্যাসাগর, মধুসূদন বেরিয়েছিল। উনিশ শতকে বটেই বিশ শতকের ষাটের দশক পর্যন্ত মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট হতেন। বিশ্বব্যবস্থা ক্রমশ অর্থ আর প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ার পর এ পেশা ব্রাত্য হতে শুরু করে। তথাপি পশ্চিমে এটা টিকে থাকে কেননা সেখানে এ পেশার আর্থিক ও সামাজিক, রাষ্ট্রীয় সম্মান ধরে রাখা হয়। কিন্তু ভারতবর্ষের টুকরো অংশে বিশেষত বাংলাদেশে তা ধরে রাখা হয়নি। অর্থ ও সম্মান দুটোই তলানিতে চলে যায়। ফলে মেধাবীরা এ পেশায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

ঐতিহাসিকভাবেই তৎকালীন পূর্ব বাংলা আগে থেকেই পিছিয়ে ছিল। কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলে শিক্ষার হার ছিল অনেক কম। আর শিক্ষিত যারা ছিলেন তাদের মূল অংশ ছিলেন হিন্দু ধর্মের অনুসারী। তারাই অধিক হারে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশভাগের পর এ শ্রেণির মানুষেরা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন বা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর মারাত্মক প্রভাব পড়ে শিক্ষকতা পেশায়। এতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয় তা কখনই আর কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। সম্ভব হতো যদি এ পেশাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হতো। তা হয়নি। ফলে এখন পেশাজীবী হতে চাওয়া লোকদের মধ্যে সবচেয়ে অপ্রিয় পেশা শিক্ষকতা। অনেকে বলেন, কিছু না পেলেই তবে লোকে শিক্ষকতা পেশায় আসে। আর মেধাবীদের যে কিছু অংশ পছন্দ করে এ পেশায় আসেন তারাও শিক্ষার বিরাজমান ভেতরের পরিবেশের কারণে এক সময় কোণঠাসা হয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। তবুও অনিচ্ছুক বা আধা দক্ষ পেশাদারদের দক্ষতা উন্নয়ন করা যেত- যদি প্রকৃত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হতো।

এ দেশে শিক্ষক প্রশিক্ষণের যে দুটো কর্মসূচি বিএড বা ডিপএইএড প্রোগ্রাম আছে তা মূলত মামুলি সুবিধাভিত্তিক। মানে শিক্ষকরা এ ডিগ্রি নিলে কিছু আর্থিক ও চাকুরিগত সুবিধা লাভ করেন। ফলে তারা এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে আসেন দায়সারাভাবে। সার্টিফিকেট পেয়ে গেলে সেটি চাকরি ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন পেশাক্ষেত্র ক্লাসরুমে ব্যবহার করেন না। আর সরকারি বা আধা সরকারি শিক্ষকরা এ সীমিত প্রশিক্ষণের সুযোগ লাভ করলেও বেসরকারিরা খুব একটা পান না। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মাদ্রাসা শিক্ষার। সেখানে শিক্ষক প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। প্রশিক্ষণ তো দূরের বিষয় ন্যূনতম তদারকিটুকুও নেই। ফলে নানা রকম অত্যাচার ব্যভিচারের যে ঘটনাগুলো এখন ঘন ঘন ভাইরাল হচ্ছে তার কারণ প্রশিক্ষণ ও তদারকির অভাব। অথচ সব দোষ শেষ পর্যন্ত শিক্ষকদের ঘাড়েই যাচ্ছে। শিক্ষায় রাষ্ট্র ও অভিভাবকদের মূল চাওয়া কী? সংখ্যা ও ভালো ফলাফল। রাষ্ট্র চায় দেখাতে তার দেশে শিক্ষার হার বেশি। আর অভিভাবক দেখাতে চান তার সন্তান এ প্লাসধারী। রাষ্ট্র ও অভিভাবকদের এ যৌথ চাওয়ার ফলে আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা হয়ে পড়েছে পরীক্ষা ও পাসকেন্দ্রিক।

সে পাসটিও অনেক সময় কৃত্রিম। রাষ্ট্র বলে দেয় ফেল করানো যাবে না। ফেল করলে শিক্ষকের দোষ। এক সময় বেশি নম্বর দেওয়ার নির্দেশনা প্রায় প্রকাশ্য হয়ে পড়েছিল। ফলে শিক্ষার্থীরা পাস করেছে শতভাগ, ভালো গ্রেডও পেয়েছে। কিন্তু শেখেনি সে মাপে। এতে যখন ওই শিক্ষার্থী চাকরির বাজারে বা প্রতিযোগিতায় গেছে, তখন ফাঁকি ধরা পড়ে গেছে। শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাহলে উত্তরণের উপায়গুলো কী কী? প্রথম পদক্ষেপ শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানো। শিক্ষাকে রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া। শিক্ষকতা পেশাকে মর্যাদাপূর্ণ করে তোলা। মেধাবীদের এ পেশায় আকৃষ্ট করা। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। মাদ্রাসা শিক্ষা বিশেষত কওমি মাদ্রাসাকে রাষ্ট্রের ব্যবস্থার ভেতর নিয়ে আসা। সংখ্যা বা গ্রেড নয়, মানের দিকে নজর ফেরানো। শেখে নাই মানে শেখা নিশ্চিত করা। শেখা নিশ্চিত না করে পাস না করানো।

সরকারের পাশের সংখ্যার বাহাবা পাওয়ার আর অভিভাবকদের এ প্লাসের নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষাক্রমকে নিয়মিত নবায়ন করতে হবে। অন্ধ বিদেশি অনুকরণ বন্ধ করতে হবে। বিদেশের কোনো ধারণা নিলে তা দেশের উপযোগী করে নিতে হবে। প্রয়োগমুখী ও বাস্তবের সাথে সংযোগের ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। উচ্চশিক্ষাকে শুধুমাত্র মেধাবীদের জন্য রেখে সুযোগ সীমিত করে প্রাথমিক শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। তাত্ত্বিক বিষয়ের চেয়ে বৃত্তিমূলক ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, শিক্ষাধারাগুলোর মধ্যে একটা সমন্বয় ও যোগসূত্র তৈরি করতে হবে। একই ধারার অন্তত প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করতে হবে। এখন যা দেখছি তা ধারাগুলোর মধ্যে বৈষম্যেরই ফল। মনে রাখতে হবে জ্বর যেমন অসুখ নয়, ভেতরের কোনো ঘায়ের লক্ষণমাত্র; শিক্ষার যত দোষ বাইরে বের হয়ে আসছে সেগুলোও সমস্যা নয়। ভেতরের সমস্যার লক্ষণ মাত্র। তাই নন্দঘোষদের খালি দোষ না দিয়ে ভেতরের সমস্যাগুলোর সমাধান প্রয়োজন।  

লেখক: কবি ও শিক্ষাবিদ
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র/০৫.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

একই রাস্তায় যখন সবাই চলে, একই রাষ্ট্রে কেন নয়?
২৪ আগস্ট ২০২৬

একই রাস্তায় যখন সবাই চলে, একই রাষ্ট্রে কেন নয়?

শফিক আর. ভূঁইয়াবাংলাদেশে আমরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে অনেক কথা বলি। তাদের জন্য ভাতা দিই, বিশেষ দি...

আস্থার সংকট, মানুষের আস্থা
২৪ আগস্ট ২০২৬

আস্থার সংকট, মানুষের আস্থা

শামসুল আলমসকালের চায়ের কাপটি হাতে নিয়ে আজকের খবরের কাগজ খুললে মনে হয়, রাষ্ট্র আসলে ইট-পাথরের কোনো বি...

সুরক্ষাবলয়ে ফাটল: হামের কাছে কেন হার মানছে শিশুরা?
২৩ আগস্ট ২০২৬

সুরক্ষাবলয়ে ফাটল: হামের কাছে কেন হার মানছে শিশুরা?

ড. আনোয়ার খসরু পারভেজমাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে হাজারের উপরে শিশুর মৃত্যু এবং হাজার হাজার শিশুর আক্রা...

একজন শিক্ষকের অপমৃত্যু, আমাদের বিবেকের পরীক্ষা
২৩ আগস্ট ২০২৬

একজন শিক্ষকের অপমৃত্যু, আমাদের বিবেকের পরীক্ষা

আবু সাঈদ মো. নাজমুল হায়দার    একজন শিক্ষক শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না; তিনি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই