ড. উদয় শংকর বিশ্বাস
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার সূচনা হয় ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এর তিন দশক পর ১৯৫৩ সালে রাজশাহী মহানগরীর ৫ কিলোমিটার উত্তরে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের বামপাশের মতিহারের সবুজ চত্বরে প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির ওপর উত্তরের বাতিঘর নামে খ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
বরেন্দ্র অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার ও উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে নানা পেশার বিদ্যানুরাগীগণ রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ, নেতৃত্বগুণ তৈরি, মেধা ও মননের সুষ্ঠু পরিবেশ দেওয়ার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হয়। নানামুখী বাস্তব উদ্যোগের ফলে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী বের হয়ে দেশগঠনে নিজেদের নিয়োজিত রেখে চলেছেন তাদের স্বীয় মেধা ও মননের মাধ্যমে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রগঠনে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রয়েছে উজ্জ্বল ভূমিকা। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের স্বনামখ্যাত অধ্যাপক সৈয়দ মুহম্মদ শামসুজ্জোহান (১৯৩৪-১৯৬৯) আত্মত্যাগ জাতি আজও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে। তিনি নিজের জীবনের বিনিময়ে ছাত্রদের জীবন রক্ষা করে অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন। পাকিস্তানি সৈনিকের বেয়নেট ও গুলির আঘাতে নিহত এই ছাত্রদরদী শিক্ষকের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আজও গর্ব অনুভব করে। মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছিল বিশেষ অবদান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
গণিত বিভাগের অধ্যাপক হবিবুর রহমান (১৯২৩-১৯৭১), সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষক সুখরঞ্জন সমাদ্দার (১৯৩৮-১৯৭১) এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মীর আব্দুল কাইয়ুমকে (১৯৩৯-১৯৭১) পাকিস্তানি বর্বর সেনাবাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে তাদের সেই আত্মত্যাগ বাঙালি জাতি আজও ভোলেনি। মুক্তিযুদ্ধের মতো সব অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা রেখে এসেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ জ্ঞান উৎপাদন করার পাশাপাশি জ্ঞান বিতরণ করা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও সেই কাজটি প্রতিনিয়ত করে চলেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষকেরা নিত্য-নতুন জ্ঞান উৎপাদন করে চলেছেন, গবেষণামূলক দেশি-বিদেশি গবেষণা পত্রিকায় তাদের সেই গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে। অধীত এই জ্ঞান শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষকরা বিতরণ করছেন, বাংলাদেশকে বৈজ্ঞানিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বাস্তবসম্মত ফলাফল জাতির প্রভূত কাজে আসছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে পাঠ নেওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দেশের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ ছাড়া প্রতিটি হলের সামনে আছে লন টেনিস, বাস্কেটবলের প্লে-গ্রাউন্ড। শিক্ষার্থীদের জন্য আছে সুবিশাল দুইটি জিমনেশিয়াম। প্রতিদিন খেলার মাঠে শিক্ষার্থীরা ফুটবল, ক্রিকেট, হকি ইত্যাদি খেলা খেলে। শরীরচর্চার মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের শরীরকে প্রফুল্ল রাখেন। সাংস্কৃতিক দিক থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আছে পুরোনো ঐতিহ্য। দেশের প্রথম কবিতা সংগঠন ‘স্বনন’-এর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার, অনুশীলন নাট্যদল, সমকাল নাট্যচক্র, রুডাসহ বেশ কয়েকটি নাটকের দল আছে। এরা সারা বছর নাটকের চর্চা করে। বিতর্কের সংগঠনও আছে। এ ছাড়া সামাজিক বিভিন্ন সংগঠন যেমন বাঁধন, পাঠক ফোরাম, স্বজনসহ অর্ধশতাধিক সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গর্ব করার মতো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আছে। প্রথমেই বলতে হয় বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের (১৯১০) কথা। এটি হলো দেশের প্রথম জাদুঘর।
নাটোরের জমিদার কুমার শরৎকুমার রায় (১৮৭৬-১৯৪৬), ঐতিহাসিক অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় (১৮৬১-১৯৩০) ও শিক্ষক রমাপ্রসাদ চন্দ (১৮৭৩-১৯৪২)- এ তিনজন মিলে ১৯১০ সালে রাজশাহীতে গড়ে তুলেছিলেন দেশের পুরোনো সংগ্রহশালাটি। প্রত্মসম্পদের দিক থেকে এটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান জাদুঘর। পাকিস্তান আমলে জাদুঘরটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তার অধিভুক্ত করে নেয়। দেশে-বিদেশে এই জাদুঘরের রয়েছে বিশেষ খ্যাতি। এছাড়া শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা (১৯৭৬) নামে দেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম জাদুঘরও রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ও ফোকলোর বিভাগে আছে আরও দুটি বিশেষায়িত জাদুঘর। এই জাদুঘর দুইটিতে বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীরা বাস্তব উপকরণের সঙ্গে পরিচিত হয়। ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায় ক্ষেত্রসমীক্ষায়। সেখান থেকে তারা দেশের লোকসংস্কৃতির নানা উপকরণ সংগ্রহ করে নিয়ে আসে এবং তা নথিবদ্ধ করে। এর মাধ্যমে গড়ে উঠেছে ফোকলোর বিভাগে বিশাল আর্কাইভস। এ রকম প্রতিটি বিভাগের রয়েছে নিজস্ব পঠন-পাঠনের রীতি।
বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২টি অনুষদের অন্তর্ভুক্ত মোট ৫৯টি বিভাগ আছে। এ ছাড়া এমফিল, পিএইচডি, পোস্ট ডক্টরাল ইত্যাদি উচ্চতর গবেষণাকর্ম সম্পাদনের জন্য রয়েছে ছয়টি উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট। এগুলোর মধ্যে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (১৯৭৪) কথা- যা আইবিএস নামে সারা দেশব্যাপী পরিচিত। এটি দেশের প্রথম ও একক বাংলাদেশ বিষয়ক উচ্চতর এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করবার অনন্য প্রতিষ্ঠান। আরো আছে ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস (১৯৮৯), ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউট (২০০০), পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট (২০০০), শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউট (২০০০) নামক প্রতিষ্ঠানগুলো।
বিশ্ববিদ্যালয়টির অধিভুক্ত আছে ১৫টি বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সুযোগদানে বরেন্দ্র তথা উত্তরাঞ্চলের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আজ সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিহাস থেকে জানা যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ছিল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অনেক দিন থেকেই উত্তরাঞ্চল তথা রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল।
রাজশাহী হলো দেশের প্রধান শিক্ষা নগরী। এখানে আছে পূর্ববঙ্গের প্রথম বিদ্যালয় রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল (১৮২৮); লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৪৬), প্রমথনাথ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৬৮), রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসা (১৮৭৪), বিশ্বেশ্বর ভোলানাথ হিন্দু একাডেমি (১৮৯৮), ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের (১৮৯৮) মতো শতবর্ষী অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কলেজ রাজশাহী কলেজের (১৮৭৮) অবস্থানও পদ্মা তীরবর্তী এই জনপদে। শিক্ষার দিক থেকে রাজশাহীর ছিল আলাদা খ্যাতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরে জোরেশোরে রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে এই জনপদের শিক্ষানুরাগী সবাই সরকারের কাছে দাবি জানান। জনগণের দাবি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার একপর্যায়ে মেনে নেয়।
১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ তদানীন্তন পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের অধিবেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৫৩ পাস হওয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি। রাজশাহী কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ড. ইতরাত হোসেন জুবেরী (১৯১০-১৯৬৪)-কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগ করা হয়। রাজশাহীর বিশিষ্ট আইনজীবী এবং তৎকালীন এমএলএ মাদার বখ্শ (১৯০৫-১৯৬৭) ও ড. জুবেরীকে যুগ্ম সম্পাদক করে ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়। মূলত তারাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার খসড়া রচনা করেন। ১৬১জন শিক্ষার্থীর ভর্তির মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৫৩-৫৪ শিক্ষাবর্ষে।
শুরুতে দর্শন, ইতিহাস, বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, গণিত বিষয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স চালু করা হয়। অনার্স কোর্সের সূচনা হয় একদশক পর অর্থাৎ ১৯৬২ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমের যাবতীয় কাজ পদ্মানদীর তীরবর্তী ঐতিহাসিক বড় কুঠিতে শুরু হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যালয় ও উপাচার্যের বাসভবন হিসেবে ডাচ ও ইংরেজদের স্মৃতিবহনকারী বড়কুঠিকে তৎকালীন প্রশাসন বেছে নিয়েছিলেন। সেসময় রাজশাহী কলেজে সকাল সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত দু’ঘণ্টা ক্লাস হতো। শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রাজশাহী কলেজ সংলগ্ন ফুলার হোস্টেলে ছাত্রাবাস এবং বড়কুঠি সংলগ্ন লালকুঠিতে ছাত্রীনিবাস নির্ধারণ করেছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অতীব প্রয়োজনীয় গ্রন্থাগার, শিক্ষক-লাউঞ্জ ও চিকিৎসাকেন্দ্র ইত্যাদি ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর হিন্দু একাডেমিতে ছিল। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিস ছিল ঘোড়ামারা প্রধান ডাকঘরের নিকটবর্তী কুঞ্জমোহন মৈত্রের জমিদার বাড়ির একাংশে। আর এভাবেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানের মতিহারের সবুজ ক্যাম্পাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ীভাবে চলে আসে ১৯৬৪ সালে, যদিও বিশ্ববিদ্যালয়টির অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৯৫৮ সালে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে পরিবর্তিত সময়ের চাহিদা মেটাতে বিশ্বমানের মানব সম্পদ তৈরির জন্য জ্ঞান ও সৃজনশীলতার চর্চা অব্যাহত রেখেছে।
জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের জন্য মেধাবী শিক্ষকমণ্ডলীসহ বিশ্বমানের পাঠ্যক্রম এবং উপযোগী শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের উপর গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। দেশের সবচেয়ে সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৭টি আবাসিক হল এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ১টি ডরমেটরি আছে। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আছে আবাসিক স্থাপনা। প্রাকৃতিক পরিবেশে শিক্ষার্থীরা বিশাল ক্যাম্পাসে নিজেদের সেরা সময়কে গড়ে তুলছেন দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত করতে। ৭২ বছর অতিক্রান্ত ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের তথা উত্তরবঙ্গের বাতিঘর হিসেবে জ্ঞানের আলো বিতরণ করুক আরও শত-শত বছর ধরে।
লেখক: অধ্যাপক, ফোকলোর বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)
কেএমএএ/আপ্র/০৬.০৭.২০২৬