গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

মেনু

ইতিহাসে নতুন অধ্যায় প্রথম মা-ছেলের ফুটবল বিশ্বকাপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৫৭ পিএম, ০৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০:১০ এএম ২০২৬
ইতিহাসে নতুন অধ্যায় প্রথম মা-ছেলের ফুটবল বিশ্বকাপ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিশ্বকাপ মানেই শুধু কোন দল কত গোল দিল, প্রিয় তারকা গোল করলেন কি না বা শেষ পর্যন্ত কে চ্যাম্পিয়ন হলো- এসব গল্প নয়। এই মহারণের মঞ্চে জন্ম নেয় এমন কিছু মুহূর্ত- যা পরিসংখ্যানের গণ্ডি পেরিয়ে ঠাঁই করে নেয় ইতিহাসের পাতায়। এবারের বিশ্বকাপেও তেমনই এক অনন্য ইতিহাসের জন্ম দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ডিফেন্ডার টাইলার বাইন্ডন ও তার মা জেনি বাইন্ডন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে এর আগে কখনোই মা ও ছেলে দুজনকে খেলতে দেখা যায়নি। ওই অসম্ভবকেই সম্ভব করে ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখেছেন বাইন্ডন মা ও ছেলে।

১৫ জুন ইরানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ২১ বছর বয়সি টাইলার বাইন্ডন। গ্যালারিতে বসে ছেলের সেই স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত দেখছিলেন তার মা নিউজিল্যান্ড নারী দলের সাবেক গোলরক্ষক জেনি বাইন্ডন। আর এ সময়েই বিশ্ব ফুটবল এক ইতিহাসের সাক্ষী হলো, প্রথমবারের মতো একই পরিবারের মা ও ছেলে দুজনই বিশ্বকাপে খেলে কীর্তি গড়লেন। তবে দুজনের খেলার বছর ভিন্ন।

বিশ্বকাপে বাবা ও ছেলের বিশ্বকাপ খেলার গল্প নতুন নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বকাপে খেলা বাবা-ছেলের গল্পও জানি আমরা। কিন্তু মা-ছেলের এমন নজির ছিল না। সেই অপূর্ণ ইতিহাসই এবার পূর্ণ করলেন জেনি ও তার ছেলে টাইলার বাইন্ডন।

মায়ের পথ ধরেই ছেলের বিশ্বকাপ: জেনি বাইন্ডন নিউজিল্যান্ড ফুটবলের পরিচিত এক নাম। গোলরক্ষক হিসেবে ২০০৭ ও ২০১১ সালের নারী ফিফা বিশ্বকাপে খেলেছেন। মজার বিষয় হলো, এই দুই বিশ্বকাপেই তিনি অংশ নিয়েছিলেন মা হওয়ার পর। এ ছাড়া ২০০৮ ও ২০১২ সালের অলিম্পিক গেমসেও খেলেছেন তিনি।

২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে খেলেছেন ৭৭টি ম্যাচ। যে জার্সি গায়ে চাপিয়ে তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন, ওই একই জার্সিতে ছেলেকে বিশ্বকাপে খেলতে দেখাটা ছিল অসাধারণ। মুহূর্তটি স্মরণ করে জেনি বলেন- “সে আমার কাছে এসে শুধু আমার হাতা ধরল এবং বলল, ‘আমরা পেরেছি, মা।” তখনই বিষয়টি সত্যিকার অর্থে উপলব্ধি করলাম। এটা সত্যিই অসাধারণ। মা ও ছেলে দুজনই বিশ্বকাপে খেলেছে। এমন ঘটনা তো সচরাচর ঘটে না।’

ইতিহাসের সাক্ষী টাইলার: ২০২৬ বিশ্বকাপই ছিল টাইলার বাইন্ডনের প্রথম বিশ্বকাপ। এর আগে ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ড পুরুষ জাতীয় দলের হয়ে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল। ইতিহাস গড়ার পর নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিতে দেরি করেননি তিনি। নিজের ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে টাইলার লিখেছেন, ‘অনেক কারণেই আজকের দিনটি বিশেষ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। আর বিশ্বকাপে খেলা প্রথম মা-ছেলের জুটি হিসেবে এই মুহূর্তটি আমার মায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে দারুণ কৃতজ্ঞ।’

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের যাত্রা প্রত্যাশামতো দীর্ঘ হয়নি। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। তবে টাইলার ও জেনি বাইন্ডন প্রমাণ করে দিয়েছেন, বিশ্বকাপে সব গল্পই জয়-পরাজয়ের নয়। কখনো কখনো একটি মুহূর্তই পরিণত হয় ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর গল্পে। সূত্র: ইএসপিএন।

কেএমএএ/আপ্র/০৬.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

অভিশাপে রূপ নেয় জীবনযাত্রার অপরিহার্য চালিকাশক্তি সম্পদ
০৬ জুলাই ২০২৬

অভিশাপে রূপ নেয় জীবনযাত্রার অপরিহার্য চালিকাশক্তি সম্পদ

সম্পদ জীবনের এক অপরিহার্য চালিকাশক্তি, সভ্যতার অগ্রগতি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ভিত্তি। অন্ন, বস্ত্র ও...

ভিসা ছাড়া কেপ ভার্দে ভ্রমণ করতে পারবেন না বাংলাদেশিরা
০৬ জুলাই ২০২৬

ভিসা ছাড়া কেপ ভার্দে ভ্রমণ করতে পারবেন না বাংলাদেশিরা

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৬তম। যুক্তরাজ্যভিত্তিক নাগরিকত্ব...

বাংলাদেশে কাঁঠালের তরকারি মাংসের মতো ও পুষ্টিতে ভরপুর
০৬ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে কাঁঠালের তরকারি মাংসের মতো ও পুষ্টিতে ভরপুর

৪ জুলাই ছিল কাঁঠাল দিবস। কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার তুলে ধরা এবং উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্য হিসেবে এর সম্ভাবন...

রাসায়নিক ঝুঁকিবিহীন মশানিরোধক নেট ‘ইনসেক্ট শিল্ড’
০৬ জুলাই ২০২৬

রাসায়নিক ঝুঁকিবিহীন মশানিরোধক নেট ‘ইনসেক্ট শিল্ড’

মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে কয়েল, অ্যারোসল স্প্রে আর ইলেকট্রিক ব্যাটের পাশাপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘ইনসেক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই