গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

মামলামুক্ত হয়ে মাথা উঁচু করেই বিদায় নিলেন খালেদা জিয়া

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী

প্রকাশিত: ১৪:২৭ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ০০:২২ এএম ২০২৬
মামলামুক্ত হয়ে মাথা উঁচু করেই বিদায় নিলেন খালেদা জিয়া
ছবি

ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামার তথ্যমতে ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা করা হয়। তার মধ্যে ২২টি মামলায় খালাস ও ১৩টি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছিলেন তিনি।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালে ২টি, ২০১০ সালে ১টি, ২০১৩ সালে ১টি, ২০১৪ সালে ২টি, ২০১৫ সালে ১৬টি, ২০১৬ সালে ১০টি, ২০১৭ সালে ২টি, ২০২৪ সালে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে সবকয়টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও কুমিল্লা, খুলনা, নড়াইল ও পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীরা বাদী হয়ে এসব মামলা করেন। পরে সব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তার আইনজীবীরা।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলোতে দুর্নীতি, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ‘মিথ্যা’ জন্মদিন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব মামলার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি মামলাগুলোর বিচার চলমান ছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার রায় ঘোষণার পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঠানো হয় কারাগারে। সাজা ভোগ করেন দুই বছর এক মাস ১৬ দিন।

এরপর করোনাকালে আওয়ামী লীগ সরকার তার সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করে। শর্তসাপেক্ষে কারামুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার সুযোগ দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তবে বয়সজনিত কারণে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত হলেও বার বার আবেদনের পরও তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব রাজনৈতিক মামলা থেকে একে একে খালাস পেতে শুরু করেন তিনি।

এ ব্যাপারে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে হামলার মামলা দিয়েছেন। মিথ্যা মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ওই সময় নানা শারীরিক অসুস্থতা ভুগলেও তাকে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি।

এসি/আপ্র/৩১/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

আলতাফ হোসেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে গোবিন্দগঞ্জে স্মরণসভা ও দোয়া
১৪ অক্টোবর ২০২৬

আলতাফ হোসেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে গোবিন্দগঞ্জে স্মরণসভা ও দোয়া

এ টি এম সাজ্জাদ হোসেন সাবু, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভ...

মেহেরপুরে পিআইডির সেমিনারে মূলধারার সাংবাদিকদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ
১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেহেরপুরে পিআইডির সেমিনারে মূলধারার সাংবাদিকদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ

এস এ খান শিল্টু: মেহেরপুরে মূলধারার গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধ...

বাগেরহাটে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত
১৪ অক্টোবর ২০২৬

বাগেরহাটে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থা বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩...

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) নামের এক যুবককে দফায় দফায় পিটিয়ে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে