গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

গাজীপুরে পাঁচ নবজাতককে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরলেন মা

জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর

জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর

প্রকাশিত: ১১:১২ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০১:০৯ এএম ২০২৬
গাজীপুরে পাঁচ নবজাতককে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরলেন মা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ নবজাতককে সুস্থ অবস্থায় নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ও খুশি নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।

কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের দীঘাবর গ্রামের গৃহবধূ মাসুমা আক্তার এখন পুরো এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত। ৫ নবজাতককে নিয়ে বাড়িতে ফেরায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। নবজাতকদের দেখার জন্য আশপাশের বাড়ির লোকজন ভিড় করছেন।

গত ৫ এপ্রিল ঢাকার একটি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে মাসুমার কোলজুড়ে আসে পাঁচটি শিশু। এদের মধ্যে তিনটি মেয়ে ও দুটি ছেলে। এমন ঘটনা যেমন বিরল, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণও। জন্মের পরপরই শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ছিল দুশ্চিন্তা।

মাসুমার স্বামী কাজল মিয়া বলেন, আমি কখনো ভাবিনি আমার স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারবো। আল্লাহর রহমতে আজ আমরা সবাই ভালো আছি— এটা আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন।

ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানান, একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিষয়। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাওয়ায় বর্তমানে মা ও শিশুরা সুস্থ রয়েছে।

ফার্মাসিস্ট সাত্তার মিয়া বলেন, বিরল এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়। অনেকে ক্লিনিকে ভিড় করেন নবজাতকদের এক নজর দেখতে।

হাসপাতাল ম্যানেজার নারায়ণ চন্দ্র বলেন, নবজাতকদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্চতর চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাতা ডা. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, ঢাকায় তার হাসপাতালে আইসোলেশনে রেখে নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। একসঙ্গে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা কিছুটা জটিল ছিল। পরে স্বাভাবিক হলে পরিবারের লোকজন তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, বাড়িতে কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে যেন আমার এই হাসপাতালে চলে আসে সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৫ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ওই ৫ সন্তানের জন্ম হয়। এর আগে মাসুমা-কাজল দম্পতির ৯ বছর বয়সি এক মেয়ে আছে। সন্তান প্রসবের পর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এনআইসিইউ বিভাগের চিকিৎসকের পরামর্শে ও নির্দেশনা অনুযায়ী নবজাতকদের মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকে আইসোলেশনে রাখা হয়।

এসি/আপ্র/১১/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন
১৪ অক্টোবর ২০২৬

হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে খোলপেটুয়া নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা থেকে ড্রেজার মেশিনের...

চেক ডিজঅনার মামলায় উজ্জ্বল হোসেনের এক বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ৩০ লাখ টাকা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

চেক ডিজঅনার মামলায় উজ্জ্বল হোসেনের এক বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা ৩০ লাখ টাকা

মেহেরপুরে ব্যবসায়িক অংশীদারের করা প্রতারণা ও চেক ডিজঅনার মামলায় উজ্জ্বল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে এক...

তারাগঞ্জে দুর্গাপূজার অনুদান বিতরণ, নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময়
১৪ অক্টোবর ২০২৬

তারাগঞ্জে দুর্গাপূজার অনুদান বিতরণ, নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময়

খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ উদযাপ...

ঘোড়াঘাটে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের মহড়ায় দুর্যোগ সচেতনতার বার্তা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

ঘোড়াঘাটে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের মহড়ায় দুর্যোগ সচেতনতার বার্তা

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে