গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

গোল্ডেন ডোমে এবার বিশাল চুক্তি পেল স্পেসএক্স

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৮ পিএম, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১২:১৪ এএম ২০২৬
গোল্ডেন ডোমে এবার বিশাল চুক্তি পেল স্পেসএক্স
ছবি

নজরদারির জন্য স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪১৬ কোটি ডলারের চুক্তি দিয়েছে মার্কিন মহাকাশবাহিনী -ছবি সংগৃহীত

মহাকাশ গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেলিযোগাযোগ খাতের পর এবার সামরিক প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও আরো বড় পরিসরে যুক্ত হচ্ছে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। 

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কর্মসূচি ‘গোল্ডেন ডোম’-এর অংশ হিসেবে বিদেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত এবং নজরদারির জন্য স্যাটেলাইট ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪১৬ কোটি ডলারের চুক্তি দিয়েছে মার্কিন মহাকাশবাহিনী।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেট জানিয়েছে, ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রকল্পের জন্য মার্কিন মহাকাশবাহিনী ‘মহাকাশভিত্তিক আকাশচলমান লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ ব্যবস্থা’ নামেও এ কর্মসূচিকে উল্লেখ করেছে।

প্রস্তাবিত ‘গোল্ডেন ডোম’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার পেছনে আগামী দুই দশকে দেশটির আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে।

মার্কিন মহাকাশবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে এবং মহাশূন্যে থাকা লক্ষ্যবস্তু সার্বক্ষণিক শনাক্ত ও নজরদারির জন্য এ প্রকল্পে উন্নত মহাকাশভিত্তিক সেন্সর, নিরাপদ ও দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী ভূভিত্তিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণ অবকাঠামো ব্যবহার করা হবে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এটি দীর্ঘমেয়াদি একটি কর্মসূচি এবং এর আওতায় ভবিষ্যতে আরো একাধিক চুক্তি সম্পাদিত হবে। তবে স্পেসএক্সের সঙ্গে হওয়া এ প্রাথমিক চুক্তির লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে মহাশূন্যে পূর্ণাঙ্গ স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক স্থাপন করা।

এর আগে গত বছরের শেষ দিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ‘গোল্ডেন ডোম’ কর্মসূচিতে সহায়তার জন্য স্পেসএক্স প্রায় ২০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি পেতে যাচ্ছে। তবে নতুন চুক্তির আর্থিক পরিমাণ সেই পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

এদিকে ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রকল্পের বাইরে চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন মহাকাশবাহিনী আরো ২২৯ কোটি ডলারের একটি পৃথক চুক্তির জন্যও স্পেসএক্সকে নির্বাচন করেছে। ওই চুক্তির আওতায় মহাকাশভিত্তিক শক্তিশালী ও উচ্চগতির যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

যদিও সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় স্পেসএক্সের সম্পৃক্ততা নতুন নয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানটির ‘স্টারশিল্ড’ কর্মসূচি ব্যবহারের জন্যও মার্কিন মহাকাশবাহিনী ৭ কোটি ডলারের একটি চুক্তি অনুমোদন করেছিল।

ক্রমবর্ধমান এসব চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা অবকাঠামোয় স্পেসএক্সের ভূমিকা আরো বিস্তৃত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।


সানা/ডিসি/আপ্র/২/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এআইয়ের পরিণতি ঠেকাতে কেউ প্রস্তুত নয়
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এআইয়ের পরিণতি ঠেকাতে কেউ প্রস্তুত নয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির সুদূরপ্রসারী পরিণতি মোকাবিলায় বিশ্ব এখনো প্রস্তুত নয় বলে সতর্ক ক...

এআই এজেন্টের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এআই এজেন্টের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রতিনিধি বা এআই এজেন্ট ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব এজেন্ট নিজে পরিকল্পনা করতে...

স্মার্টফোন থেকে খুলে নেওয়া যাবে ক্যামেরা, নতুন চমক
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্মার্টফোন থেকে খুলে নেওয়া যাবে ক্যামেরা, নতুন চমক

একঘেয়ে কালো ও আয়তাকার স্মার্টফোনের প্রচলিত নকশা থেকে বেরিয়ে এবার ভিন্নধর্মী একটি ডিভাইস নিয়ে এসেছে ফ...

ম্যাকবুক নিও’র প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যাপটপ আনছে লেনোভো
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ম্যাকবুক নিও’র প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যাপটপ আনছে লেনোভো

ম্যাকবুক নিও ও ডেল এক্সপিএস ১৩-এর মতো জনপ্রিয় বিভিন্ন ল্যাপটপকে টক্কর দিতে কেবল ৭০০ ডলারে বাজারে আসছ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে