গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে সাইবার আইনে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট

প্রকাশিত: ২১:০৫ পিএম, ২৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০০:০৭ এএম ২০২৬
প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে সাইবার আইনে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি

রোববার সকালে সিলেটে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন -ছবি সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে কোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়ালে সাইবার আইনের আওতায় সরাসরি গ্রেফতারসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২৮ জুন) সকালে সিলেটে এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস না হলেও বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কেউ যদি অপপ্রচার চালায়, তবে তা শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে চুপ করে না থেকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবি করে কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট বা সংবাদ প্রচার করলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আর সত্যতা না থাকলে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার দায়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের জালালাবাদ গ্যাস ভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সভায় তিনি বলেন, নকল প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। ১৯৮০ সালের নকল প্রতিরোধ আইন সংশোধন করে ডিজিটাল ও সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত বিষয় যুক্ত করে নতুনভাবে কঠোর আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

মন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ কার্যক্রম শুরু হবে, যার আওতায় শিক্ষকদের ট্যাব ও ল্যাপটপ দেওয়া হবে এবং কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠদান পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো অনিয়ম বা নকল ধরা পড়লে কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা দায়ী থাকবেন। শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা সমাধানের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগ দ্রুত শুরু করা হবে। গ্রামীণ স্কুলগুলোতে শিক্ষক সংকট কমিয়ে আনা হবে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনস্বার্থ ও প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য বিবেচনায় নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সরকারিকরণের পর শিক্ষকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে লিখিত অঙ্গীকার নেওয়া হবে।

এ ছাড়া তিনি জানান, স্কুল ও মাদ্রাসায় শূন্য থাকা প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষকের পদ দ্রুত পূরণ করা হবে। প্রয়োজনে কওমি মাদ্রাসার যোগ্য দাওরায়ে হাদিস গ্র্যাজুয়েটদেরও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সানা/আপ্র/২৮/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৯ জুন ২০২৬

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধ...

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস
২৯ জুন ২০২৬

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলসহ একাধিক সংশোধনী এনে জাতীয় সংসদে অর্থবিল-২০২৬ পাস হয়েছে। সোমবার...

ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে রাতে আছে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
২৯ জুন ২০২৬

ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে রাতে আছে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২০ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০...

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
২৯ জুন ২০২৬

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বিগত সময়ে স্বাস্থ্য খাতের বিপর্যয়, ভুল নীতি এবং হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কারণে দেশের অর্থনৈতিক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 22 ঘন্টা আগে