গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

মেনু

সব মামলায় জামিন, কারামুক্ত সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৪৩ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৫ এএম ২০২৬
সব মামলায় জামিন, কারামুক্ত সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক
ছবি

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক -ছবি সংগৃহীত

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে তাঁকে কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

তাঁর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার বিকেলে খায়রুল হককে কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত গত সোমবার খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখার পর তাঁর কারামুক্তির পথ খুলে যায়। হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করেছিল। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ‘নো অর্ডার’ দেন।

খায়রুল হকের আইনজীবীরা জানান, সাবেক এই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে এবং সবকটি মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অন্য কোনো মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো না হওয়ায় কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা ছিল না।

যে মামলায় সর্বশেষ জামিন: রেস্টুরেন্টকর্মী উজ্জ্বল মিয়াকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর মামলা করা হয়। তবে ওই মামলা দায়েরের অনেক আগেই, ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে কারাগারে ছিলেন খায়রুল হক।

গত ১৭ মে হাইকোর্ট তাঁকে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না দেখাতে এবং হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে গত ৯ আগস্ট প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ তা নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন।

এর পরদিন বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলেও চেম্বার আদালতে তাতে কোনো আদেশ হয়নি।

যেভাবে গ্রেফতার হয়েছিলেন: দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁর নিয়োগ কার্যকর হয়। পরের বছরের ১৭ মে তিনি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসরে যান।

২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাঁকে তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়। মেয়াদ শেষে কয়েক দফা তাঁকে ওই পদে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আট দিন পর, ১৩ আগস্ট আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

এরপর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। বুধবার সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর প্রায় ১৬ মাস পর কারামুক্ত হলেন তিনি।
সানা/ডিসি/আপ্র/১৯/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

রাষ্ট্রপতি ভোটের আগে বিদায়ী বক্তব্য কাঁদলেন মির্জা ফখরুল
১৯ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি ভোটের আগে বিদায়ী বক্তব্য কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এক দিন আগে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় আবেগঘন বিদায়ী বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সদ্য স...

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান জানালেন কোনো চাপের মধ্যে নেই
১৯ আগস্ট ২০২৬

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান জানালেন কোনো চাপের মধ্যে নেই

দুর্নীতি দমন কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান বলেছেন, কোনো ধরনের চাপের মধ্যে নেই তারা এব...

আগামী বছরের এসএসসি মার্চে শুরুর চিন্তা শিক্ষা প্রশাসনের
১৯ আগস্ট ২০২৬

আগামী বছরের এসএসসি মার্চে শুরুর চিন্তা শিক্ষা প্রশাসনের

আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে মার্চে পরীক্ষা নেওয়া...

তারেক রহমানের ভারত সফরে শর্ত নিয়ে বীণা সিক্রির আপত্তি
১৯ আগস্ট ২০২৬

তারেক রহমানের ভারত সফরে শর্ত নিয়ে বীণা সিক্রির আপত্তি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্র...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বিএনপি সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা কতটা, প্রাপ্তি কতখানি

আজ ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এর আগে ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নে সরকার যেমন বেশ কিছু অর্জনের কথা বলছে, তেমনি বিরোধী রাজনৈতিক দল, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের প্রশ্নও সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী মোটামুটি সব কর্মসূচিই পূরণ হয়েছে-কোথাও ৯০, কোথাও ৯৫ এবং কোথাও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রিয় পাঠক, সরকার ভালো করছে নাকি মন্দ করছে? হ্যাঁ বা না জানান।

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে