গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ছয় মাসের আয়না

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৫৩ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৮ এএম ২০২৬
ছয় মাসের আয়না
ছবি

ছবি সংগৃহীত

শামসুল আলম

কোনো সরকার ছয় মাসে দেশ বদলে ফেলতে পারে না। এমনকি কোনো মানুষও ছয় মাসে নিজের স্বভাব বদলাতে পারেন না, শুধু নতুন জামা কিনে পরতে পারেন। রাষ্ট্রের ব্যাপারটি আরও কঠিন। এখানে ফাইলের পা ভারী, দপ্তরের দরজা ভারী, আর মানুষের প্রত্যাশা তার চেয়েও ভারী। তবু ছয় মাসের একটি বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। এই সময়টুকুতে বোঝা যায়, সরকার হাঁটতে শুরু করেছে, নাকি এখনো জুতার ফিতা বাঁধছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়া তারেক রহমান সরকারের আজ ছয় মাস পূর্ণ হলো। এই ছয় মাসে সরকার নিজস্ব হিসাবে বহু কাজের সূচনা করেছে- প্রথম দুই মাসেই ৬০টি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ এবং প্রথম ১০০ দিনে প্রায় ২০০টি উদ্যোগ ও প্রকল্পের কথা জানিয়েছিল।

ছয় মাসের এই আয়নায় প্রথম যে ছবিটি দেখা যায়, তা হলো কাজের তাড়া। পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ, বন্ধ শিল্প চালুর উদ্যোগ, বিনিয়োগ সহজীকরণ, সরকারি প্রকল্পের ব্যয় ও সময় নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা ও ক্রীড়ায় নতুন কর্মসূচি- সরকারের তালিকা ছোট নয়। রাষ্ট্রযন্ত্রকে একটু নড়াচড়া করানোর চেষ্টা যে হয়েছে, সেটি অস্বীকার করলে আয়নাটির সঙ্গেই অন্যায় করা হবে। তবে মুজতবা আলী সাহেব বেঁচে থাকলে সম্ভবত বলতেন- ‘তালিকা দেখে এত আনন্দিত হওয়ার কী আছে? বাজারে গিয়ে আগে এক কেজি মাছ কিনে দেখুন।’ কারণ সরকারের কাজের তালিকা আর নাগরিকের জীবন- দুটি ভিন্ন খাতা। সরকারি খাতায় একটি প্রকল্প ‘চলমান’; নাগরিকের খাতায় সেটি ‘কবে হবে?’

অর্থনীতির ছবিটিও মন্দ নয়; আবার খুব ভালো বলার মতোও নয়। রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান আগের তুলনায় শক্ত হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিসুদ কমিয়েছে—অর্থনীতির শরীরে যেন জ্বরের পারদ একটু নেমেছে। কিন্তু রোগী এখনো বিছানায়। মূল্যস্ফীতি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে। সরকারের হিসাব বলবে অর্থনীতি স্থিতিশীল হচ্ছে; বাজারের ব্যাগ হাতে গৃহিণী বলবেন, “বাবা, স্থিতিশীল তো বটেই; দামগুলো একই জায়গায় স্থির হয়ে আছে, নামছে না!” এই দুই সত্যকে পাশাপাশি রাখতে হবে। ছয় মাসের মূল্যায়নে বিশ্লেষকেরাও বলেছেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার কিছু অগ্রগতি থাকলেও মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থান এখনো বড় পরীক্ষা।

এখানে সরকারের জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা বাজার। পরিবার কার্ড দরকার, কৃষক কার্ড দরকার, সামাজিক নিরাপত্তা দরকার- সবই দরকার। কিন্তু একজন নিম্নআয়ের মানুষ যখন বাজারে গিয়ে দেখে চাল, ডাল, তেল, মাছ ও সবজির দাম তার আয়কে ব্যঙ্গ করছে, তখন রাষ্ট্রের বড় বড় নীতির ভাষা তার কাছে খুব দূরের শব্দ। সরকারের প্রথম ছয় মাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে যদি আগামী ছয় মাসে মানুষ বাজারে গিয়ে সামান্য হলেও স্বস্তি পায়। সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, কৃত্রিম সংকট ও মধ্যস্বত্বভোগীর অস্বাভাবিক মুনাফা- এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাজারকে শুধু পুলিশ দিয়ে নয়, সরবরাহব্যবস্থা ঠিক করেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তারপর আসে গ্যাস ও বিদ্যুৎ। এই জায়গাটিতে আয়নাটি একটু কুয়াশাচ্ছন্ন।

শিল্পের জন্য গ্যাস, ঘরের জন্য বিদ্যুৎ, পরিবহনের জন্য জ্বালানি- আধুনিক রাষ্ট্রের এগুলো আর বিলাসিতা নয়, শ্বাস-প্রশ্বাস। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাসের ঘাটতি ও বিদ্যুৎ সংকট আবার মানুষের দরজায় কড়া নাড়ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের সমস্যা অর্থনীতির জন্য সরাসরি বিপদ। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতও জ্বালানি সরবরাহে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। সরকারকে এখানে আশ্বাসের চেয়ে বেশি কিছু দিতে হবে- একটি পরিষ্কার জ্বালানি রোডম্যাপ। কত খঘএ আমদানি হবে, দেশীয় গ্যাস কতদিন চলবে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি কতটা আসবে, শিল্পকে কীভাবে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ দেওয়া হবে- মানুষকে জানতে হবে।

পরিবার কার্ড হয়তো এই সরকারের সবচেয়ে মানবিক পরীক্ষাগুলোর একটি। দরিদ্র পরিবারের হাতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছানো নিঃসন্দেহে ভালো ধারণা। কৃষক কার্ডও তাই। কিন্তু এখানে একটি ছোট্ট বিপদ আছে- কার্ড যেন ভোটের কার্ড না হয়ে যায়। যে দরিদ্র বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন, তিনি যেমন রাষ্ট্রের নাগরিক; যে দেননি, তিনিও তেমনই। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সরকার পরিচালনায় ‘যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি- সবার সমান অধিকার’ নীতির কথা বলেছেন। সেই কথাটিকে যদি পরিবার কার্ডের তালিকায় বাস্তব রূপ দেওয়া যায়, তাহলে এটি একটি বড় সামাজিক সংস্কার হবে। দলীয় পরিচয় নয়, দরিদ্রতার পরিচয়ই হবে যোগ্যতার মাপকাঠি।

খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের গল্পটিও বেশ সুন্দর। সরকার পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন এবং ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য নিয়েছে। প্রথম ছয় মাসে বিভিন্ন প্রতিবেদনে খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা এসেছে। কিন্তু আমাদের দেশে গাছ লাগানো হয় বেশ আনন্দের সঙ্গে, আর গাছ বাঁচানো হয় অনেকটা অনাথ শিশুর মতো। ছবি তোলা শেষ, ফিতা কাটা শেষ; তারপর গাছটির কী হলো কেউ জানে না। খালের ক্ষেত্রেও একই বিপদ। আজ খাল খনন করলাম, কাল দখল হয়ে গেল—তাহলে রাষ্ট্র শুধু মাটি সরাল, জল ফেরাল না। পরিবেশের কাজের সাফল্য তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নয়, তিন বছর পর দেখা উচিত।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় সরকারের উদ্যোগগুলোও আশাব্যঞ্জক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সক্ষমতা বাড়ানো, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড, শিশু হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তি, কারিগরি শিক্ষা, শিক্ষক নিয়োগ- সবই প্রয়োজনীয় কাজ। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার একটি পুরোনো রোগ আছে: আমরা ভবন বানাতে খুব পছন্দ করি, প্রতিষ্ঠান বানাতে একটু কম। হাসপাতাল তৈরি হলো- ডাক্তার নেই; স্কুল হলো- শিক্ষক নেই; স্মার্ট ক্লাসরুম হলো—ক্লাস হয় না। সুতরাং নতুন সরকারের জন্য আসল পরীক্ষা হবে ভবন নয়, সেবা। একজন রোগী চিকিৎসা পেলেন কি না, একজন ছাত্র সত্যিই শিখল কি না- এ দুই প্রশ্নের উত্তরেই উন্নয়নের মান নির্ধারিত হবে।

প্রশাসনের ক্ষেত্রেও সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা ও দায়িত্ব পালনে জোর দিয়েছেন। অবহেলা হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। ছয় মাসের মূল্যায়নের পর মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এটি ভালো লক্ষণ- যদি কর্মদক্ষতার মাপকাঠি সত্যিই দলীয় আনুগত্যের ওপরে থাকে। কারণ বাংলাদেশের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় সমস্যা অযোগ্য কর্মকর্তা নয়, বরং কখনো কখনো যোগ্য কর্মকর্তাকে অযোগ্য ব্যবস্থার মধ্যে ফেলে রাখা। সরকার যদি ‘আমার লোক’ এবং ‘ওদের লোক’- এ পুরোনো অভিধানটি ফেলে দিতে পারে, তাহলে প্রশাসনিক সংস্কারে সত্যিই নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।

পররাষ্ট্রনীতিতেও সরকার বাস্তববাদী হওয়ার চেষ্টা করছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নও সামনে রাখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন। প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব দরকার, কিন্তু বন্ধুত্বের অর্থ নিজের দরজার চাবি প্রতিবেশীর হাতে দিয়ে দেওয়া নয়। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য—সবাই বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারে; কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু হওয়া উচিত বাংলাদেশ নিজেই। পররাষ্ট্রনীতির এই ভারসাম্য রক্ষা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হতে পারে।

এখন আসি সমালোচনার জায়গায়। একটি সরকারকে শুধু নিজের তৈরি রিপোর্ট কার্ড দিয়ে পরীক্ষা করা যায় না। শিক্ষক যদি নিজেই খাতা দেখে নিজেই নম্বর দেন, ছাত্রটির আনন্দ হতে পারে, কিন্তু অভিভাবকের সন্দেহ থেকেই যায়। বর্তমান সরকারের নিজস্ব মূল্যায়নে ছয় মাসের কাজকে যথেষ্ট সফল বলা হয়েছে; অন্যদিকে বিশ্লেষকেরা বলেছেন- প্রত্যাশা যত বড়, অর্জন এখনো তার তুলনায় সীমিত; মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, জ্বালানি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে। এই সমালোচনা সরকারের জন্য বিরূপ সংবাদ নয়। বরং ভালো সরকার সমালোচনাকে ভয় পায় না; খারাপ সরকার শুধু প্রশংসার শব্দ শুনতে চায়।

ছয় মাস শেষে তাই তারেক রহমান সরকারের সামনে সবচেয়ে জরুরি কাজ আরও এক‘শটি নতুন ঘোষণা দেওয়া নয়। বরং ইতোমধ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তব ফল নিশ্চিত করা। পরিবার কার্ডের টাকা ঠিক মানুষের হাতে পৌঁছাক। কৃষক কার্ড কৃষকের উৎপাদন খরচ কমাক। খাল খননের পর খাল বাঁচুক। গাছ লাগানোর পর গাছ বাঁচুক। হাসপাতালে ভবনের সঙ্গে ডাক্তার থাকুন। স্কুলে স্মার্ট বোর্ডের সঙ্গে স্মার্ট শিক্ষক থাকুন। গ্যাসের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে গ্যাসও থাকুক। আর সরকারি অফিসে নাগরিক যেন পরিচয় নয়, অধিকার নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন।

ছয় মাসের আয়নায় তারেক রহমান সরকারের চেহারা তাই একেবারে কালোও নয়, একেবারে সাদা-সাদা ছবিও নয়। কোথাও কাজের ব্যস্ততা আছে, কোথাও অগ্রগতির আলো, কোথাও পুরোনো সমস্যার ছায়া। সরকার হাঁটা শুরু করেছে- এটি আশার কথা। এখন হাঁটার গতি বাড়াতে হবে। কিন্তু দৌড়াতে গিয়ে যেন পা না ভাঙে। রাষ্ট্র পরিচালনা ম্যারাথন; এখানে প্রথম এক কিলোমিটারে খুব দ্রুত দৌড়ানো যতটা বিপজ্জনক, শেষ পঁচিশ কিলোমিটার হাঁপিয়ে পড়াও ততটাই।

আজকের শেষ কথাটি খুব সাধারণ- মানুষ বড় বড় কথা শুনতে শুনতে ক্লান্ত। তারা এখন ছোট ছোট সুখ চায়। বাজারে একটু কম দাম। রাতে একটু নিশ্চিন্ত বিদ্যুৎ। কারখানায় গ্যাস। ছেলের হাতে চাকরি। কৃষকের ঘরে ন্যায্যমূল্যের টাকা। হাসপাতালে চিকিৎসা। থানায় নিরাপত্তা। আদালতে ন্যায়। সরকারি অফিসে সম্মান। রাষ্ট্রের সাফল্যের সবচেয়ে নির্ভুল জরিপ কোনো জরিপ সংস্থা করে না। সেটি করে রিকশাচালকের পকেট, কৃষকের গোলা, শ্রমিকের বেতন, মায়ের বাজারের ব্যাগ এবং তরুণের চাকরির আবেদনপত্র। ছয় মাসের আয়নায় সরকার নিজের মুখ দেখেছে। এখন আয়নাটি জনগণের হাতে।

লেখক: সিনিয়র ব্যুরোক্র্যাট বিশ্লেষক ও কলামিস্ট
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র/১৭.০৮.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

সাধারণ হোটেলে এক কাপ চা ৩০ টাকা: জীবনযাত্রায় লাগামহীন দাম
১৭ আগস্ট ২০২৬

সাধারণ হোটেলে এক কাপ চা ৩০ টাকা: জীবনযাত্রায় লাগামহীন দাম

প্রতিদিন সকালের স্নিগ্ধ আলো কিংবা ব্যস্ত দুপুরের ক্লান্তি কাটাতে এক কাপ গরম চা আমাদের জীবনের এক অবধা...

বাংলাদেশে কি পুনরায় জঙ্গিবাদের উত্থান হতে যাচ্ছে?
১৬ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে কি পুনরায় জঙ্গিবাদের উত্থান হতে যাচ্ছে?

সাবির মুস্তাফাবাংলাদেশে কি সশস্ত্র জঙ্গিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে? সাম্প্রতিক কিছু খবর এবং আন্তর...

কর বাড়িয়ে আদৌ কি ধূমপান কমানো সম্ভব?
১৬ আগস্ট ২০২৬

কর বাড়িয়ে আদৌ কি ধূমপান কমানো সম্ভব?

মিঠুন বৈদ্যবাংলাদেশ সরকার দেশকে তামাকমুক্ত করার যে অঙ্গীকার করেছে, তা কেবল জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি নয়,...

খালেদা জিয়া: সাহস, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি
১৫ আগস্ট ২০২৬

খালেদা জিয়া: সাহস, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি

জহিরুল ইসলাম জহির===বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম কেবল একটি দলের পরিচয় বহন করে না; সময়ের বাঁক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বিএনপি সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা কতটা, প্রাপ্তি কতখানি

আজ ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এর আগে ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নে সরকার যেমন বেশ কিছু অর্জনের কথা বলছে, তেমনি বিরোধী রাজনৈতিক দল, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের প্রশ্নও সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী মোটামুটি সব কর্মসূচিই পূরণ হয়েছে-কোথাও ৯০, কোথাও ৯৫ এবং কোথাও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রিয় পাঠক, সরকার ভালো করছে নাকি মন্দ করছে? হ্যাঁ বা না জানান।

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে