গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

মেনু

খালেদা জিয়া: সাহস, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২৭ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৪ এএম ২০২৬
খালেদা জিয়া: সাহস, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি
ছবি

খালেদা জিয়া

জহিরুল ইসলাম জহির===
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম কেবল একটি দলের পরিচয় বহন করে না; সময়ের বাঁকবদল, গণতন্ত্রের সংগ্রাম এবং রাষ্ট্রের রাজনৈতিক গতিপথের সঙ্গেও তারা অবিচ্ছেদ্য হয়ে ওঠে। খালেদা জিয়া তেমনই এক নাম। গৃহবধূ থেকে রাজনীতির শীর্ষে উঠে আসা, স্বামীর মৃত্যুর পর অনিশ্চয়তার সময়ে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের হাল ধরা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া, তিনবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া, দীর্ঘ কারাবাস ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখেও নিজের অবস্থানে অটল থাকা—সব মিলিয়ে তাঁর জীবন বাংলাদেশের রাজনীতির একটি দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়।

১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের জলপাইগুড়িতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে খালেদা খানম পুতুলের জন্ম। বাবা ইস্কান্দর মজুমদার ছিলেন ব্যবসায়ী এবং মা বেগম তৈয়বা মজুমদার ছিলেন গৃহিণী। তাঁদের আদি পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ি। শৈশবে দিনাজপুরে বেড়ে ওঠা খালেদা জিয়া দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। একই বছর তাঁর বিয়ে হয় তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। পরবর্তীকালে স্বামী রাষ্ট্রপতি হলে তিনি দেশের ফার্স্ট লেডি হিসেবে জাতীয় পরিচিতি লাভ করেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৈরি হয় গভীর অনিশ্চয়তা। সেই সংকটের সময়ই খালেদা জিয়া রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে প্রবেশ করেন। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়গুলোর একটি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন। ১৯৮২ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ক্ষমতা দখলের পর খালেদা জিয়া সামরিক শাসনের বিরোধিতায় রাজপথে সক্রিয় হন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনকে ঘিরে তাঁর অবস্থান ছিল আপসহীন। শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। পরের বছর অনুষ্ঠিত অবাধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হলে খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে তিনি সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর প্রথম সরকারের সময়ে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের শিক্ষায় বিশেষ সহায়তা, শিক্ষা ক্ষেত্রে খাদ্য কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক উদারীকরণের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৈরি পোশাকশিল্পেও কর্মসংস্থান বিস্তৃত হয়। তাঁর সরকার আন্তর্জাতিক পরিসরেও বাংলাদেশের স্বার্থ তুলে ধরে। গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো তাঁর সরকারের উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ডের মধ্যে ছিল।

১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে বিরোধী দলগুলো আন্দোলনে গেলে বিএনপি আবার সরকার গঠন করলেও সেই সরকার মাত্র ১২ দিন স্থায়ী হয়। রাজনৈতিক সংকট নিরসনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের পথ তৈরি হলে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেন। একই বছরের জুনের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতা হারালেও সংসদে ১১৬টি আসন নিয়ে বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে অবস্থান নেয়।

১৯৯৯ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট গঠিত হয়। ২০০১ সালের নির্বাচনে জোট বিজয়ী হলে খালেদা জিয়া তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর সরকারের সময়ে নারী শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী ফোর্বসের বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় তিনি ২৯তম অবস্থানে ছিলেন।


তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে যেমন সাফল্য ও জনপ্রিয়তা জড়িয়ে আছে, তেমনি আছে তীব্র বিতর্ক, বিরোধিতা ও কঠিন প্রতিকূলতার ইতিহাস। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং প্রায় এক বছর কারাগারে থাকেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলতে থাকে।

২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জনও তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। তৎকালীন সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়—এই অবস্থান থেকে তিনি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। এর পরবর্তী বছরগুলোতে রাজনৈতিক সংঘাত, মামলা, গ্রেপ্তার এবং কারাবাস তাঁর ব্যক্তিজীবন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ার পর তাঁকে কারাগারে যেতে হয়। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে সাজা বাড়ানো হয়। তাঁর কারাবাস ও চিকিৎসা নিয়ে দেশ-বিদেশে উদ্বেগও প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তাঁর দণ্ডের পক্ষে প্রমাণের ঘাটতি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও তাঁর স্বাস্থ্যসেবা ও ন্যায়বিচারের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিল।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি গুলশানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেন। গুরুতর অসুস্থতার কারণে কয়েক দফায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, লিভার সিরোসিস, হৃদ্যন্ত্রের জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেও রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায় পর্যন্ত তিনি বিএনপির নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁর দীর্ঘ বন্দিত্ব ও রাজনৈতিক বিধিনিষেধের অবসান ঘটে। রাষ্ট্রপতির আদেশে তাঁর দণ্ড মওকুফ করা হয়। দীর্ঘ সময় পর তিনি আবারও জনপরিসরে স্বাধীনভাবে ফিরে আসেন। তাঁর মুক্তি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে ‘আপসহীন নেত্রী’ অভিধাটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। এই অভিধার পেছনে রয়েছে তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে দৃঢ়তা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব এবং দীর্ঘ প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় নেতৃত্ব ধরে রাখার ইতিহাস। তাঁর সমর্থকেরা তাঁকে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে দেখেছেন; তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ অবশ্য তাঁর শাসন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নানা দিকের কঠোর সমালোচনা করেছে। ইতিহাসের বিচারে একজন রাষ্ট্রনায়কের মূল্যায়ন তাই শুধু প্রশংসা কিংবা নিন্দায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না; তাঁর সিদ্ধান্ত, সাফল্য, ব্যর্থতা, সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা—সবকিছুকেই একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সেই অর্থে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ আয়না। তিনি ছিলেন একই সঙ্গে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা প্রধানমন্ত্রী, রাজপথের বিরোধীদলীয় নেত্রী, কারাবন্দি রাজনীতিক এবং অসুস্থ শরীর নিয়েও দলীয় নেতৃত্বের প্রতীক। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের সিনেট তাঁকে ‘গণতন্ত্রের যোদ্ধা’ হিসেবে সম্মানিত করেছিল।

২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। পরদিন ৩১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউতে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব জানাজায় ইমামতি করেন। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

তাঁর জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর গভীর জনসম্পৃক্ততার একটি স্মারক হয়ে থাকবে। তবে এটিকে ‘মুসলিম বিশ্বের সর্ববৃহৎ জানাজা’ হিসেবে নিশ্চিতভাবে অভিহিত করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য তথ্য নেই। তাই আবেগের অতিরঞ্জনের চেয়ে ইতিহাসের সত্যতাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া শ্রেয়।

আজ বেগম খালেদা জিয়া জীবিত নন; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর অধ্যায় শেষ হয়ে যায়নি। গৃহবধূ থেকে জাতীয় নেত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, রাজপথের আন্দোলন থেকে কারাগার—দীর্ঘ এই পথপরিক্রমায় তিনি নিজেকে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর জীবন যেমন সাহসের গল্প, তেমনি সংগ্রামের; যেমন রাজনৈতিক দৃঢ়তার, তেমনি এক দীর্ঘ ও বিতর্কময় গণতান্ত্রিক যাত্রার।

১৫ আগস্ট তাঁর জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করার সবচেয়ে বড় কারণ শুধু তিনি একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বলে নয়; বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ সময় তাঁর জীবন ও নেতৃত্বের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। সময়ের বিচারে তাঁর সাফল্য ও সীমাবদ্ধতার মূল্যায়ন চলবে, রাজনৈতিক মতপার্থক্যও থাকবে। কিন্তু একটি বিষয় অনস্বীকার্য—বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার নাম মুছে ফেলার নয়; ইতিহাসের পাতা উল্টালেই বারবার ফিরে আসবে তাঁর সাহস, সংগ্রাম, সিদ্ধান্ত এবং নেতৃত্বের গল্প।

মহান আল্লাহ তাঁর রূহের মাগফিরাত করুন এবং তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন—আমিন।
লেখক: জহিরুল ইসলাম জহির, সাবেক সহদপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল

[মতামত লেখকের নিজস্ব]
সানা/আপ্র/১৫/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রস্তুত গ্রিড, অপ্রস্তুত ব্যবস্থাপনা: আলো জ্বলে না!
১৫ আগস্ট ২০২৬

প্রস্তুত গ্রিড, অপ্রস্তুত ব্যবস্থাপনা: আলো জ্বলে না!

 মীর আব্দুল আলীমজাতীয় দৈনিকগুলোয় সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদে রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজারের বিদ্যুৎ সংকটের...

ট্রেজারার পদে আমলা: বিশ্ববিদ্যালয় কি সচিবালয়ের আরেকটি দফতর?
১৫ আগস্ট ২০২৬

ট্রেজারার পদে আমলা: বিশ্ববিদ্যালয় কি সচিবালয়ের আরেকটি দফতর?

ড. খালিদুর রহমানবাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি ধীরে ধীরে জ্ঞানচর্চার স্বাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে আমলাতা...

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে ভাঙতে হবে নীরবতার সংস্কৃতি
১৪ আগস্ট ২০২৬

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে ভাঙতে হবে নীরবতার সংস্কৃতি

মো. রহমত উল্লাহ্    জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে শিশুদের ওপর। সুস্থ জাতি গঠনের জন্য...

এসএসসির ফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়
১৩ আগস্ট ২০২৬

এসএসসির ফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়

শফিক আর. ভূঁইয়াএবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আমাদের বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। ১১টি শিক্ষা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

লোডশেডিং নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক সমাবেশে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ২০০১-২০০৬ সময়কার লোডশেডিং সংকটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন নাহিদ ইসলাম সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 20 ঘন্টা আগে