গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

মেনু

মারা গেছেন বীর উত্তম এ.কে. খন্দকার, প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:৪৫ পিএম, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১৯:২২ এএম ২০২৬
মারা গেছেন বীর উত্তম এ.কে. খন্দকার, প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ
ছবি

ফাইল ছবি

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে. খন্দকার) মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যের কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।


এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এ.কে. খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় সৈনিক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের পরিচয় দিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তার কৌশলগত সিদ্ধান্ত, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অটল দেশপ্রেম স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরো সুসংহত করেছিল।’


প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, “স্বাধীনতার পর এ.কে. খন্দকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং দেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে এই বাহিনীকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করাতে অসামান্য অবদান রাখেন।” 


শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এ. কে. খন্দকার রণাঙ্গনের একজন সম্মুখসারির মুক্তিযোদ্ধা হয়েও দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ রচনা করে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ব্যাপক রোষানলে পড়েছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরাই ছিল তৎকালীন শাসনের দৃষ্টিতে তার ‘অপরাধ’। 


ড. ইউনূস এ.কে. খন্দকারকে একজন দৃঢ়চেতা, সৎ, সাহসী ও আদর্শনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক হিসেবে অভিহিত করেন। বলেন, তার কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য আজীবন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। 


সবশেষে প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।  


রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন এ কে খন্দকার। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পাবনা-২ (বেড়া–সুজানগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


এ কে খন্দকার দুই ছেলে, এক কন্যা ও তিন নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এর আগে গত ৮ জুন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার সহধর্মিণী ফরিদা খন্দকার ইন্তেকাল করেন।


এসি/আপ্র/২০/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
০৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট মামলা
০৪ মার্চ ২০২৬

৬ সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট মামলা

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসানোর ঘটনায় এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্...

অন্য বিভাগে বদলি করায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকার গলা কাটলেন কর্মচারী
০৪ মার্চ ২০২৬

অন্য বিভাগে বদলি করায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকার গলা কাটলেন কর্মচারী

বেতন নিয়ে ঝামেলা ও অন্য বিভাগে বদলির জেরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহয...

থানা লুটের অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হয় পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানকে
০৪ মার্চ ২০২৬

থানা লুটের অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হয় পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানকে

রাজধানীর স্বামীবাগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানকে লক্ষ্য করে যে অস্ত্র...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই