গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

মেনু

পদ্ধতিগত অপচয় নাকি হরিলুট

বিদ্যুতের বাড়তি মূল্যের বোঝা কার ঘাড়ে?

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৫৯ পিএম, ০৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০২:০০ এএম ২০২৬
বিদ্যুতের বাড়তি মূল্যের বোঝা কার ঘাড়ে?
ছবি

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশন শিগগিরই বিদ্যুতের নতুন খুচরা মূল্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে -ফাইল ছবি

প্রণব মজুমদার
জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের পর বিদ্যুতের দামও বাড়ছে! এমন খবর অনেক দিন থেকেই শোনা যাচ্ছে। তবে দাম বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে অর্থ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছেন। ১ জুন দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দাম বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে গিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশন শিগগিরই বিদ্যুতের নতুন খুচরা মূল্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, গড়ে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে এবং নতুন এই মূল্য তালিকা চলতি জুন মাস থেকেই কার্যকর করা হবে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য একটি স্বস্তির খবর হলো, ‘লাইফ লাইন’ স্তরের গ্রাহকদের জন্য আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। অর্থাৎ, আগের মতোই শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা বর্তমান হারেই বিল পরিশোধের সুবিধা পাবেন।

বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটির আগেই মূল্য সমন্বয়ের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে, এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের দেওয়া শর্তের অংশ হিসেবেই বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের এই উদ্যোগ। কয়েক মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে।

গত ২০ ও ২১ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী গণশুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিটে ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিতরণ কোম্পানিগুলোর এ প্রস্তাবের বিপরীতে বিইআরসির কারিগরি কমিটি গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করে এবং কমিশন শেষ পর্যন্ত এই সুপারিশই গ্রহণ করতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিইআরসির এক কমিশনার জানিয়েছেন, সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ইউনিট প্রতি মূল্যবৃদ্ধি ১ টাকার কম হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম হারে দাম বাড়ানো হবে। এরপর ২০০ থেকে ৪০০ এবং ৪০০ থেকে ৬০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য বিল ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পাবে। তবে সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধির চাপ এবং বাড়তি বিলের ধাক্কা সইতে হবে ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী উচ্চ গ্রাহকদের। বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি পাওয়ার পরও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) লোকসান থেকে বের হতে পারেনি। বরং বিগত অর্থবছরে সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নেওয়ার পরও প্রায় ৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকার মতো লোকসান করেছে।

কথা হচ্ছে কেন ধারবাহিকভাবে বছর বছর লোকসান গোনে দেশের বিদ্যুৎ বিভাগ? এর উত্তর-অবৈধ সংযোগ এবং চুরি। এসব বিষয় বিগত সরকারগুলো দেখেও দেখেনি! বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কাগজে-কলমে যা সিস্টেম লস আছে, তা কমানোর সুযোগ আছে।

সিস্টেম লস মানে দাঁড়ায় পদ্ধতিগত লোকসান। পদ্ধতিগত অপচয়ও বলা চলে। সিস্টেম লসের নামে বিদ্যুতের চুরিটি করা হয় উৎপাদন কেন্দ্র থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর পথে পথে। যা জায়েজ করা হয় কারিগরি ত্রুটির আড়ালে। অবৈধ সংযোগ, মিটার টেম্পারিং, বিলিং জালিয়াতিকে সিস্টেম লসের খাতায় দেখিয়ে বৈধতা দেওয়ার এ চেষ্টা রোখার কথা বারবার আলোচনায় এলেও আজও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অথচ সিস্টেম লস বন্ধ না করতে পারলেও তা কমিয়ে আনার কথা ২৬ ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস কমানো এবং বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সিস্টেম লস কমানো গেলে বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব। কিন্তু সঞ্চালন ও বিতরণ পর্যায়ে প্রায় ১০ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে। বাংলাদেশে সিস্টেম লসের কারণে বছরে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা লোকসানের তথ্য অনেক দিনের। মন্ত্রীর তথ্য মতে, প্রতি এক শতাংশ সিস্টেম লসের জন্য বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়।

একেক সময় একেক বাড়ির মিটার রিডিং নিয়ে একটা গড়পড়তা হিসাব করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সিস্টেম লসের নামে গোঁজামিল দেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে সমন্বয় করে অর্থাৎ ভোক্তাদের বিল বাড়িয়ে দিয়ে এ গোঁজামিল দেওয়া হয়। বিদ্যুতে অপচয় উন্নত বিশ্বেও আছে। সেখানে তা বড় জোর ২-৫ শতাংশ। সেখানে বাংলাদেশে ১০.১৩ শতাংশ! বিশাল এ চুরির লোকসান মেটাতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ায়। অথচ সাধারণ মানুষ এ চুরিতে লিপ্ত নয়। চোরের বিল দিচ্ছে সৎ গ্রাহকরা। বড় দাগের চুরিটা করে বড় বড় স্পিনিং মিল, ডাইং কারখানা আর রি-রোলিং মিল। তাদের মিটার টেম্পারিং বা বাইপাস লাইন করে দেয় স্বয়ং বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর গুণধর প্রকৌশলী ও লাইনম্যানরা। চোরাই লাইনে চলছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সারা দেশে গড়ে ওঠা হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজেও। সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচের কারবারও আছে। তা চুরি নয়, রীতিমত হরিলুট। সেটাও হয় সিস্টেম লস কমানোর অজুহাতে। সিস্টেম লসের নামে এ চুরি সমন্বয় করতে ব্যবস্থা একটাই। সেটা হচ্ছে বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো। যার দায় এবং জের পুরোটাই গ্রাহকদের। অনেক সময় সাধারণ গ্রাহকদের অতিরিক্ত বা ‘ভুতুড়ে বিল’ শোধ করতে হয়। আপত্তি বা অভিযোগ করা যায়, কিন্তু, কখনো এর কোনো সমাধান হয় না।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা দেশে দৈনিক ১ ঘণ্টা লোডশেডিং করে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা হচ্ছে, সব চোরাই বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অপচয় রোধ করা গেলে তার চেয়ে বেশি সাশ্রয় হবে। দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে এলাকার চিহ্নিত দালাল চক্র ইচ্ছামতো আবাসিক ও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুতের লাইনে অবৈধ সংযোগ লাগিয়ে টাকা আয় করছে। এজন্য দালালরা নিজেরাই মই তৈরি করে রেখেছে। তারা তাদের ইচ্ছামতো যখন যেখানে লাইন দেওয়া দরকার, সেভাবেই দেয়। মাঝেমধ্যে আবার লাইন কাটার মহড়া দিয়ে নাটক দেখায়। সিস্টেম লসে নামে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানিতে এ চৌর্যবৃত্তির শরিক অনেকে। তা চলছে দিনের পর দিন। একদম ‘ওপেন সিক্রেট’। চুরির এ মহোৎসব জবাবদিহির আওতামুক্ত।

কখনো কাউকে এ অপরাধে শাস্তি পেতে হয়েছে বলে তথ্য নেই। বরং চুরির কারণে যে লোকসান হয়, তা পুষিয়ে নিতে গ্রাহক পর্যায়ে চরম হয়রানির মধ্য দিয়ে চোরদের এক ধরনের আস্কারা বা অভয় দিয়ে রাখা হচ্ছে। তাদেরকে আরো প্রাপ্তির জন্য ভুতুড়ে বিল ও ঘুষ-দুর্নীতি তো আছেই। বছর শেষে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো প্রকারান্তরে চুরি চর্চাকে আরো প্রণোদনা বা বৈধতা দেওয়া।

দেশ স্বাধীনের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন করত। নব্বইয়ের দশকের পর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পিডিবি ধীরে ধীরে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। পরে সিস্টেম লস কমাতে ঢাকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার জন্য ১৯৯১ সালের ১ অক্টোবর ডেসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। যাত্রার প্রায় দেড় যুগ লোকসান টানতে টানতে ক্লান্ত হয়ে অবশেষে ২০০৮ সালে ডেসা বিলুপ্ত হয়ে যায়। পিডিবির বাইরে যে উদ্দেশ্য নিয়ে ডেসা গঠিত হয়েছিল তা সফল হয়নি। ডেসার চরম দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটি সমালোচনার মুখে পড়ে। এরপর ১৯৯৮ সালে ডেসার একটি অংশ বনানী, গুলশান, মিরপুর ও উত্তরা নিয়ে ডেসকো নামে নতুন কোম্পানি গঠিত হয়। আর ডেসার বিশাল টাকার দায় অমীমাংসিত রেখেই ২০০৮ সালে গঠিত হয় ডিপিডিসি। বর্তমানে ঢাকায় ডেসকো ও ডিপিডিসি এ দুটি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিতরণ কাজে নিয়োজিত। এরপরও সিস্টেম লস কমানো যাচ্ছে না, বরং অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়েছে এ দুই প্রতিষ্ঠানে।

বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের দৈনিক গড় চাহিদা ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। গ্রীষ্মকালে এর চাহিদা বেশি। পিক আওয়ারে (সন্ধ্যা) ভোক্তার চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিনই চাহিদার তুলনায় প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকে। এ জন্য লোডশেডিং অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তবে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে সম্প্রতি। ২০ মে রাত ৯টায় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। এ সময় উৎপাদন হয় ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ খান তথ্যটি সংবাদপত্রকে জানান। এর আগে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই অর্জিত হয়েছিল।

চাহিদা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির মানেই হলো বাড়তি খরচের চাপ। যা কিনা সকল পণ্যমূল্যে প্রভাব পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি উসকে দেয়। ভোক্তার নাভিশ্বাস! এমনিই দেশের মানুষ বিশেষ করে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির বাড়তি বোঝা সইতে আর পারছে না; সেখানে সেবা খাতের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মীদের চুরি ও সিস্টেম লসের দায় কেন নেবে তারা?

মিটার রিডারসহ বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মীদের দুর্নীতি দমনে কঠোর হতে হবে সরকারেকে। কাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে গোটা বিদ্যুৎ বিভাগকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করা প্রয়োজন। কেননা, ফি বছর সিস্টেম লসের সমন্বয় হিসেবে বিদ্যুৎ খরচের ইউনিট বাড়ানো যৌক্তিক সমাধান হতে পারে না। তাই দেশের বর্তমানে ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার ২৫৮ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ বিলের বোঝা সরকারের দেওয়া সমীচীন হবে না।
লেখক: কথাসাহিত্যিক ও ‘অর্থকাগজ’ সম্পাদক
সানা/আপ্র/৩/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

তোফায়েল ভাইকে নিয়ে কিছু স্মৃতি, কিছু কথা
০২ জুন ২০২৬

তোফায়েল ভাইকে নিয়ে কিছু স্মৃতি, কিছু কথা

সালেহ উদ্দিন আহমদতোফায়েল আহমেদ, আমাদের তোফায়েল ভাই চলে গেলেন। যারা তাকে শুধু হাল-আমলের চশমা দিয়ে চেন...

নজরুলের আলোয় গড়ে উঠুক মানবিক বাংলাদেশ
২৫ মে ২০২৬

নজরুলের আলোয় গড়ে উঠুক মানবিক বাংলাদেশ

জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা

কাপাসিয়ার রক্তে রঞ্জিত পরিবারের প্রশ্ন- মানুষ কেন আপনজনের খুনি হয়
১৩ মে ২০২৬

কাপাসিয়ার রক্তে রঞ্জিত পরিবারের প্রশ্ন- মানুষ কেন আপনজনের খুনি হয়

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা আমাদের সময়ের এক ভয়াবহ সামাজিক দ...

সুশাসনের স্বপ্নে এক মানবিক বাংলাদেশ
১০ মে ২০২৬

সুশাসনের স্বপ্নে এক মানবিক বাংলাদেশ

অধ্যাপক ড. মোহা. হাছানাত আলী বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এই ভূখণ্ডের জন্মই হয়েছে সংগ্রাম, স্বপ্ন ও আ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

বর্তমান সরকারের চারমাস পূর্ণ না হতেই হঠাৎ মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ালেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক এই পদত্যাগের পেছনে শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি কি মনে করেন তিনি সত্যিই অসুস্থতার কারণে সরে গেলেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে