গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

মেনু

তনু হত্যা মামলা: আরো দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:২৪ পিএম, ২২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০২:১৪ এএম ২০২৬
তনু হত্যা মামলা: আরো দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
ছবি

সোহাগী জাহান তনু হত্যা -ফাইল ছবি

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন করে আরো দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাঁদের ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত করে তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষা করা হবে।

আদালত সূত্র জানায়, গত ১৬ জুলাই কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এ আদেশ দেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নতুন করে যাদের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মেঘাই গ্রামের মো. সোলেইমানের ছেলে সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম (৪১) এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীনগর-রাজাপাড়া এলাকার এম এ মান্নানের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাব্বী (৩২)। তাঁদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম আদালতে আবেদন করে জানান, তদন্তে তনুর জব্দ করা পোশাকের ডিএনএ রিপোর্ট পর্যালোচনা করে একাধিক পুরুষের সম্পূর্ণ ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া গেছে। এসব ডিএনএ প্রোফাইল যাচাইয়ের জন্য সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির রক্তের নমুনা সংগ্রহ ও তুলনামূলক পরীক্ষার অনুমতি চাওয়া হয়।

আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, এটি একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। ভিকটিমের পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে সন্দেহভাজনদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা গেলে প্রকৃত অপরাধী শনাক্তে সহায়তা হতে পারে। তাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হলো।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল মামলায় আরো তিনজনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত। তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই।

অন্য দুই সন্দেহভাজন হলেন ঘটনার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ওরফে জাহিদ এবং সৈনিক শাহীন আলম। গত ৮ জুন তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। এ ঘটনায় তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।
সানা/আপ্র/২২/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রতারণার মামলায় তৌহিদ আফ্রিদির জামিন
২১ জুলাই ২০২৬

প্রতারণার মামলায় তৌহিদ আফ্রিদির জামিন

রাজধানীর ওয়ারী থানার প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ...

পুরুষ নির্যাতন রোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে রিট
২১ জুলাই ২০২৬

পুরুষ নির্যাতন রোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে রিট

পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন নতুন করে প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। হ...

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর
২১ জুলাই ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর

এবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (...

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান
২০ জুলাই ২০২৬

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি আবাসন প্রক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই