গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা ত্রিবেদীর

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৫১ পিএম, ১২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৩১ এএম ২০২৬
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা ত্রিবেদীর
ছবি

ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী -ছবি সংগৃহীত

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের জনগণের কল্যাণে যা ভালো, আগামী দিনে সেটিই করা হবে।

শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১১টার দিকে বেনাপোল–পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় নোম্যান্স ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় দূতাবাস ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিভিন্ন খাতে ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা আরো বিস্তৃত হবে। তিনি বলেন, একটি যৌথ ক্রিকেট দল গঠিত হলে তা আরো ভালো ফল বয়ে আনতে পারে।

সীমান্ত পরিস্থিতি, পুশ ইন, ভ্রমণ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে কোনো বিভাজন নেই।

তিনি বলেন, “ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। আমার তো মনে হচ্ছে না আমি বাংলাদেশে এসেছি। ভারতের ১৪০ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি, এই ১৬০ কোটি জনগণের জন্য যা ভালো হয় সেটাই করা হবে।”

তিনি আরো বলেন, দুই দেশের জন্য কল্যাণকর যেকোনো পদক্ষেপ ভবিষ্যতে গ্রহণ করা হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতেই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া হবে।

গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার সাবেক রেলমন্ত্রী ও ব্যারাকপুরের সাবেক সংসদ সদস্য দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হন।

বাংলাদেশে ভারতীয় মিশনে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মা। তিনি বর্তমানে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের কর্মকর্তারা হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান। তবে দীনেশ ত্রিবেদীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটিয়ে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে এ পদে পাঠানো হয়েছে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিতির কারণে তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তিনি দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং একসময় সর্বভারতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর এই দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের চলমান সীমান্ত উত্তেজনা, ভিসা ও বাণিজ্য সহজীকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কূটনৈতিক গতিশীলতা আনতে ভূমিকা রাখতে পারে।
সানা/আপ্র/১২/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের পরিবারের বিরুদ্ধে ২ মামলা
২৬ অক্টোবর ২০২৬

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের পরিবারের বিরুদ্ধে ২ মামলা

পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম এবং তার পরিবারের সদ...

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে: রাষ্ট্রপতি
২৬ অক্টোবর ২০২৬

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে...

মিষ্টির আসনে মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান
২৬ অক্টোবর ২০২৬

মিষ্টির আসনে মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পদ...

দরিদ্র পরিবার শনাক্তে সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার
২৬ অক্টোবর ২০২৬

দরিদ্র পরিবার শনাক্তে সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার

দেশের দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতে পরিবারভিত্তিক সমন্বিত তথ্য...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 19 ঘন্টা আগে