গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

মেনু

প্রাথমিক শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিংয়ে চালু হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৬ পিএম, ১২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৯ এএম ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিংয়ে চালু হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১১ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন কর্মদিবসে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারভিত্তিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন। সারাদেশের ক্ষেত্রে এই সময় সকাল ৯টা ২০ মিনিট এবং ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা প্রাপ্ত তথ্য সমন্বয় করে উপজেলা পর্যায়ে পাঠাবেন এবং উপজেলা পর্যায়ের তথ্য জেলা পর্যায়ে পৌঁছাবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী। জেলা পর্যায় থেকে বিভাগীয় পর্যায় এবং সেখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় মনিটরিং শাখায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে প্রতিটি স্তরে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ের তথ্য জেলা পর্যায়ে এবং ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ের তথ্য কেন্দ্রীয় মনিটরিং শাখায় পাঠাতে হবে। এছাড়া প্রতিটি স্তরে তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণের জন্য নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও এক্সেল শিট ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকরা শুধু ডিজিটাল তথ্য পাঠাবেন না, বরং হাজিরা খাতার ছবি তুলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে এবং তা সংরক্ষণ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, পাঠদান কার্যক্রমে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক নেতৃত্ব শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, শিক্ষকদের সময়মতো উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ ও শিক্ষার মানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এতে বলা হয়, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে।

১১ দফা নির্দেশনার মধ্যে আরো রয়েছে-প্রতিটি স্তরে তথ্যের সমন্বিত হিসাব তৈরি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রেরণ, অনুপস্থিতির কারণ উল্লেখসহ তালিকা প্রস্তুত এবং তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা। সঠিক তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন বলেও জানানো হয়েছে।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১২/৬/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা নন-এমপিও শিক্ষকদের
১০ জুন ২০২৬

শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা নন-এমপিও শিক্ষকদের

দেশের বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির দাবিতে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে...

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
০৯ জুন ২০২৬

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্স (স্নাতক সম্মান) পর্যায় থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় তুলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম...

চার বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিলো সরকার
০৯ জুন ২০২৬

চার বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিলো সরকার

দেশের চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই