গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৪৩ পিএম, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ০৪:২২ এএম ২০২৬
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় টানা দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে পুরো জেলা। এর সঙ্গে মৃদু বাতাস যোগ হওয়ায় শীতের তীব্রতা আরো বেড়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জেলায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটি দেশে এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।


জেলার আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, সোমবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯৭ শতাংশ। কুয়াশার কারণে আকাশ ধূসর আকার ধারণ করেছে। এদিন এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান।


তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরের মধ্যে সূর্যের দেখা মিলতে পারে। যদিও সকাল ৯টার পর কয়েক মিনিটের জন্য সূর্য উঁকি দিলেও তা মিলিয়ে গেছে।


শীত ও কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। শীত থেকে বাঁচতে অনেককে খড়, পুরোনো কাপড় জড়িয়ে কিংবা খোলা স্থানে আগুন জ্বালাতে দেখা গেছে।


এদিকে শীতের প্রভাবে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর চাপ লক্ষ্য করা গেছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। তীব্র ঠান্ডার কারণে রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম।


চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ঈদগাহপাড়ার রাজমিস্ত্রি কালাম হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার সময় কাজে এসেছি। তীব্র ঠান্ডা ও বাতাসের কারণে শরীর কাঁপছে। তবুও পেটের দায়ে কাজে আসতে হচ্ছে। একদিন কাজ না করলে খাবার জোটে না।


দিনমজুর সাত্তার আলী বলেন, সূর্যের দেখা না পাওয়ায় শীত বেশি পড়ছে। সকালে কাজে যাওয়া খুব কষ্টকর। তবুও সংসার চালাতে বাধ্য হয়ে বের হতে হচ্ছে।


চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, কয়েক দিন ধরেই জেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের আলো প্রায় নেই বললেই চলে। তবে আজ সূর্যের দেখা মিলতে পারে। এছাড়া মেঘ কেটে গেলে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে। কয়েক দিনের মধ্যে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা আছে। আর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।


এসি/আপ্র/২২/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি
২৯ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি

আশির্বাদ রহমান: দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা সড়ক, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা এবং সীমিত কর্মসংস্থানের কারণে কুড়িগ্...

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন
২৯ জুলাই ২০২৬

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: কর্ণফুলী টানেলে রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী চার রাত নিয়ন্ত্রিতভাবে যান...

প্রশাসনের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত
২৯ জুলাই ২০২৬

প্রশাসনের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

বাগেরহাট জেলার সরকারি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে চলা তিন দিনব্যাপী অবস্থ...

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা

একেএম ফজলুল হক: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহয...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে