গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

গোবিন্দগঞ্জে জমির বিরোধ পুনঃতদন্ত ও তহসিলদারের অপসারণ দাবি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫৫ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৭ এএম ২০২৬
গোবিন্দগঞ্জে জমির বিরোধ পুনঃতদন্ত ও তহসিলদারের অপসারণ দাবি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

এ টি এম সাজ্জাদ হোসেন সাবু, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা): গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা প্রায় সাত একর জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের ঘটনায় অভিযোগের পুনঃতদন্ত এবং সাপমারা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) বেলাল হোসেনকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের পণ্ডিতপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে মকবুল হোসেন বলেন, পণ্ডিতপুর মৌজার জেএল-৮৬-এর ৫ নম্বর খতিয়ানের ৫০৫ নম্বর দাগে প্রায় সাত একর জমি অন্তত ৪০ বছর ধরে পণ্ডিতপুর গ্রামের ১৫ থেকে ১৬টি পরিবার চাষাবাদসহ ভোগদখল করে আসছে। সম্প্রতি একই গ্রামের সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লুকাস মরমু, বীরেন মরমু, ইস্তিফানসহ কয়েকজন ওই জমি তাঁদের বাপ-দাদার সম্পত্তি বলে দাবি করছেন।

মকবুল হোসেন বলেন, জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধে না গিয়ে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি সাপমারা ইউনিয়নে কর্মরত তহসিলদার বেলাল হোসেন ভুক্তভোগীদের না জানিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করে গোপনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে মকবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে তহসিলদার বেলাল হোসেনকে অপসারণেরও দাবি জানান তিনি।

তবে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জমি দাবিদার লুকাস মরমু ও বীরেন মরমু। তাঁদের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিগুলো তাঁদের বাপ-দাদার সম্পত্তি। অন্যরা জোরপূর্বক জমিগুলো দখলে রেখেছেন। জমি উদ্ধারের চেষ্টা করতে গেলে তাঁদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে সাপমারা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) বেলাল হোসেন বলেন, তিনি তদন্তের বিষয়টি অস্বীকার করছেন। তাঁর জানা মতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নোটিশ দিয়ে অফিসে ডাকা হয়েছে। সেখানে তাঁদের অভিযোগের বিষয়টি শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল কুদ্দুস সরকার, মো. বাদশা মিয়া, লোকমান হোসেন, শাহীন মিয়া, রাজ্জাক মণ্ডল, মোস্তফা, জাফিরুল ইসলাম, ওয়েজ কুরনী, আবদুল মতিন ও আবদুল লতিফসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১২/৯/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

মির্জাপুরে মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক-প্রিন্সিপাল আটক
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মির্জাপুরে মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক-প্রিন্সিপাল আটক

মো. আকরাম হোসেন: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের এক শিশু শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধ...

জ্বালানি সংকটের কথা বললেই স্বৈরাচার ফেরার হুমকি: শফিকুর রহমান
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি সংকটের কথা বললেই স্বৈরাচার ফেরার হুমকি: শফিকুর রহমান

জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বললেই সরকার স্বৈরাচার ফিরে আসবে বলে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন...

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

মোজাম্মেল হক নয়ন, নীলফামারী: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বো...

ঘোড়াঘাটের ভেতরে পলাশবাড়ীর সীমানা ফলক নিয়ে উত্তেজনা
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘোড়াঘাটের ভেতরে পলাশবাড়ীর সীমানা ফলক নিয়ে উত্তেজনা

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার প্রচলিত সীমানার প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে গাইবা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে