গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

স্মার্টফোনেরও নির্ধারিত ‘মেয়াদ শেষ’, জানবেন যেভাবে

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:১৮ পিএম, ১৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৫৭ এএম ২০২৬
স্মার্টফোনেরও নির্ধারিত ‘মেয়াদ শেষ’, জানবেন যেভাবে
ছবি

প্রথমেই ফোনের ব্র্যান্ড, মডেলের নাম ও মডেল নম্বরটি জানা প্রয়োজন -ছবি ফ্রিপিক

প্যাকেটজাত খাবারের মতো হাতের স্মার্টফোনটিরও নির্দিষ্ট ‘এক্সপায়ারি ডেট’ বা মেয়াদ রয়েছে- এমন ধারণা অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই নতুন। মূলত নির্মাতা কোম্পানি যখন ডিভাইসে নিরাপত্তা আপডেট দেওয়া বন্ধ করে দেয়, তখনই ফোনটি ধীরে ধীরে নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে কোনো একক বা সর্বজনীন আপডেট নীতি নেই। গুগল অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করলেও একটি ফোন কতদিন আপডেট পাবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট নির্মাতা কোম্পানির ওপর।

ফোনের ‘এন্ড অব লাইফ’ বা মেয়াদ শেষের সময় বলতে বোঝায়, যখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর কোনো সফটওয়্যার বা নিরাপত্তা আপডেট পাঠায় না। তবে এর মানে এই নয় যে ফোনটি সঙ্গে সঙ্গেই অচল হয়ে যায়। বরং ধীরে ধীরে এর নিরাপত্তা দুর্বলতা বাড়তে থাকে, বিশেষ করে অনলাইন ব্যাংকিং, কেনাকাটা বা সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্মার্টফোনে আপডেট দেওয়ার সময়সীমা তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। গুগল ও স্যামসাংয়ের মতো প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদি সাপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২০ জুনের পর বাজারে আসা নতুন স্মার্টফোনগুলো বিক্রি বন্ধের পর অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত সফটওয়্যার আপডেট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে।

ব্যবহারকারীরা কীভাবে বুঝবেন তাদের ফোনের সাপোর্ট কবে শেষ হবে-এ বিষয়ে প্রযুক্তিবিদরা কিছু সহজ পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন।

প্রথমে ফোনের সেটিংস থেকে ‘অ্যাবাউট ফোন’ অংশে গিয়ে মডেল নাম ও নম্বর জানা যায়। এরপর নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য ‘এন্ডঅফলাইফডটডেট’ নামের ওয়েবসাইটে নির্মাতা ও মডেল অনুযায়ী অনুসন্ধান করে আপডেট শেষ হওয়ার সময় জানা সম্ভব।

বিকল্পভাবে ইন্টারনেটে ফোনের মডেলের সঙ্গে ‘সফটওয়্যার সাপোর্ট শেষ’ বা ‘আপডেট গ্যারান্টি’ লিখে অনুসন্ধান করলেও ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া সেটিংসে থাকা ‘সিকিউরিটি প্যাচ লেভেল’ দেখে বোঝা যায় ফোনটি কতা সাম্প্রতিক আপডেট পাচ্ছে। যদি এই তারিখ কয়েক মাসের বেশি পুরোনো হয়, তবে সেটি আপডেট বন্ধ হওয়ার প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে।

মেয়াদ শেষ হওয়া ফোন ব্যবহার করা পুরোপুরি বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে অনলাইন ব্যাংকিং, ইমেইল, পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা বা আর্থিক লেনদেনের মতো সংবেদনশীল কাজে এসব ডিভাইস ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ নিরাপত্তা ত্রুটিগুলোর আর কোনো সমাধান আসছে না, ফলে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। সাধারণ ব্যবহারের জন্য যেমন গান শোনা, ভিডিও দেখা বা জিপিএস নেভিগেশন-এসব কাজে পুরোনো ফোন কিছু সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি এতে সংবেদনশীল তথ্য না রাখা হয়।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, নতুন ফোন কেনার সময় ‘আপডেট গ্যারান্টি’ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বর্তমানে গুগল পিক্সেল ও স্যামসাংয়ের নির্দিষ্ট কিছু সিরিজ দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সাপোর্ট প্রদান করছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১৭/৬/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

এআইকে দেওয়া তথ্য ডার্ক ওয়েবে আছে কি না জানবেন যেভাবে
১৯ অক্টোবর ২০২৬

এআইকে দেওয়া তথ্য ডার্ক ওয়েবে আছে কি না জানবেন যেভাবে

স্মার্টফোন, ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি এখন নানা কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাট...

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় প্রযুক্তির ব্যবহার দেখাচ্ছে আশার আলো
১৮ অক্টোবর ২০২৬

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় প্রযুক্তির ব্যবহার দেখাচ্ছে আশার আলো

ঢাকার চিরচেনা যানজট, কর্মব্যস্ত মানুষের ভিড়, গাড়ির হর্ন আর দীর্ঘ অপেক্ষা নগরবাসীর প্রতিদিনের জীবনের...

ডার্ক ওয়েবে ১৮ লাখ নাগরিকের তথ্য ছড়িয়ে থাকার প্রমাণ
১৮ অক্টোবর ২০২৬

ডার্ক ওয়েবে ১৮ লাখ নাগরিকের তথ্য ছড়িয়ে থাকার প্রমাণ

সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ সাইবার রেজিলিয়েন্স ব্রিফিং ২০২৬’ শীর্ষক সেমিনারের আয়ো...

ইলন মাস্কের ‘উড়ন্ত’ গাড়ি রোডস্টারের আয় নিয়ে শঙ্কা
১৮ অক্টোবর ২০২৬

ইলন মাস্কের ‘উড়ন্ত’ গাড়ি রোডস্টারের আয় নিয়ে শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে পরবর্তী প্রজন্মের রোডস্টার গাড়ি উন্মোচন করেছে টেসলা। নতুন তিনটি সংস্করণের এক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে