গত জুনে মালদ্বীপ-বাংলাদেশ ম্যাচের সেই আলোচিত হাতাহাতির ঘটনায় বড় শাস্তি পেলেন আল আমিন। বাংলাদেশের এই স্ট্রাইকারকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।
ওই ম্যাচের অনাকাঙ্ক্ষিত কাণ্ডে জড়ানো মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলামকেও দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বৈশ্বিক ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থাটি।
এই দুই ফুটবলের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
গত জুনে ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে মালদ্বীপ গিয়েছিল বাংলাদেশ। রাউন্ড রবিন লিগে ৭ জুনে স্বাগতিকদের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে ১-১ ড্র করে ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় দল।
মিরাজুল ৫৪তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করে সমতা ফেরালেও বাংলাদেশ হয় তৃতীয়। ওই ম্যাচেই রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ‘বিতর্ক’ ছিল। যোগ করা সময়ে রেফারির এক সিদ্ধান্ত নিয়ে রণক্ষেত্র তৈরি হয়। বল নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে পিয়াস আহমেদ নোভার সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে যান মালদ্বীপের হাসান ইনাজ।
রেফারি মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। লাল কার্ড দেখেন আল আমিন। বেঞ্চ থেকে প্রতিবাদ করে লালকার্ড দেখেন মিরাজুলও।
লাল কার্ড দেখে মেজার হারিয়ে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে বসেন আল আমিন। হট্টগোল থামার পর আবার শুরু হলে পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ দিকে ফের তর্কে জড়িয়ে পড়ে দুই দলের খেলোয়াড়েরা।
মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি, মারামরি। পরে দুই পক্ষের অফিসিয়ালদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনায় শাস্তি পেলেন আল আমিন ও মিরাজুল।
ডিসি/আপ্র/১৮/০৮/২০২৬