গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

খাবারের অভাবে এলাকা ছাড়ছে সামুদ্রিক পাখিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৭ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০০:২৪ এএম ২০২৬
খাবারের অভাবে এলাকা ছাড়ছে সামুদ্রিক পাখিরা
ছবি

পানামা খালের কাছে বসে আছে চিলি ও পেরু থেকে আসা পাখিগুলো -ছবি রয়টার্স

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামার রাজধানী পানামা সিটির আকাশে এখন চক্কর দিচ্ছে শত শত সামুদ্রিক পাখি। চিলি ও পেরুর উপকূল থেকে আসা এসব পাখির উপস্থিতি স্থানীয়দের কাছে বিরল দৃশ্য। গবেষকেরা বলছেন, খাবারের সংকটে নিজ আবাসস্থল ছেড়ে এসব পাখির পানামায় চলে আসা শক্তিশালী এল নিনোর অশনিসংকেত।

গবেষকদের মতে, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলের পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। উষ্ণ পানিতে মাছের স্বাভাবিক বিচরণ ও খাদ্যসংগ্রহের পরিবেশ বদলে যাওয়ায় মাছগুলো খাবারের সন্ধানে অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছে। আর মাছই যেহেতু এসব সামুদ্রিক পাখির প্রধান খাদ্য, তাই খাবারের খোঁজে পাখিগুলোকেও নিজেদের এলাকা ছাড়তে হচ্ছে।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রশান্ত মহাসাগরের পৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তাকে এল নিনো বলা হয়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন আসে। জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট থেকে এল নিনো শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পাখি দেখার তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্ল্যাটফর্ম ই-বার্ডের হিসাবে, চলতি বছরের জুন থেকে পানামা সিটির কাছে পেনন সে সান হোসে ও আশপাশের এলাকায় ৬০ থেকে ৪০০টি ‘ব্লু ফুটেড বুবি’ পাখির দেখা মিলেছে।

আগের এল নিনোর সময়ও এ এলাকায় এ ধরনের পাখির উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের এল নিনোর সময় সেখানে ২১ থেকে ২০০টি এবং ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের এল নিনোর সময় ৩ থেকে ৬২টি ব্লু ফুটেড বুবি দেখা গিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবাদী সংগঠন অডুবন সোসাইটির পরিচালক রোসাবেল মিরো বলেন, জুন থেকেই এসব অতিথি পাখির দেখা মিলছে। এগুলো পরিযায়ী পাখি নয়; খাবারের অভাবেই বাধ্য হয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলে আসছে।

রোসাবেল মিরোর মতে, এসব পাখির অস্বাভাবিক উপস্থিতিই ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে প্রশান্ত মহাসাগরে এবার শক্তিশালী এল নিনো দেখা দিতে পারে।

তবে এর প্রভাব শুধু পাখিদের স্থানবদলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অতীতের এল নিনোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এসব সামুদ্রিক পাখির প্রজননচক্রে ব্যাঘাত ঘটে। খাবারের সংকটের কারণে প্রজননে সফলতার হারও কমে যায়।

এবার এল নিনো তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় সামুদ্রিক পাখিদের প্রজননে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকেরা।
সানা/আপ্র/১৮/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৭৩, নিখোঁজ ১৪
২১ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৭৩, নিখোঁজ ১৪

ইয়েমেনের শাবওয়া প্রদেশে সরকারি প্রশিক্ষণ শিবিরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জন...

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি হতে পারে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই
২১ অক্টোবর ২০২৬

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি হতে পারে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অমীমা...

ফ্রান্সে প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি
২০ অক্টোবর ২০২৬

ফ্রান্সে প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি

জ্বালানির বাড়তি দাম, জীবনযাত্রার ব্যয় আর সরকারি সেবার অবনতি নিয়ে শুরু হয়েছিল প্রতিবাদ। ধীরে ধীরে সে...

চীনে পুতিন, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের সম্ভাবনা
২০ অক্টোবর ২০২৬

চীনে পুতিন, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের সম্ভাবনা

আগামী মাসে চীনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই