গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

জাতীয় সংগীতের সময় বসে থাকার সাফাই দিলেন হান্নান মাসউদ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:০৩ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৯:৩৮ এএম ২০২৬
জাতীয় সংগীতের সময় বসে থাকার সাফাই দিলেন হান্নান মাসউদ
ছবি

আবদুল হান্নান মাসউদ -ছবি সংগৃহীত

সংসদ অধিবেশনে জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের চেয়ারে বসে থাকা নিয়ে সাফাই দিয়েছেন সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আজকে মহান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে যখন মাননীয় স্পিকার মহোদয় ফ্যাসিস্টের দোসর রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর ভাষণ দেওয়ার ঘোষণা দেন, তখন বিরোধীদলীয় সকল সংসদ সদস্য দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে উচ্চস্বরে স্লোগানে স্লোগানে প্রতিবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি চুপ্পু যখন সংসদে প্রবেশ করে তখন তাকে সম্মান প্রদর্শনের নিমিত্তে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে যান এবং বিরোধীদলের সদস্যরা বসে যান। পাশাপাশি বিরোধীদলের নেতৃবৃন্দ উচ্চ আওয়াজে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি মহান সংসদে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীত বাজানো শুরু হয়ে যায় কিন্তু বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদে ব্যস্ত থাকায় এবং স্পিকারে সাউন্ড সমস্যা থাকায় জাতীয় সংগীত বাজানোর বিষয়টা প্রতিবাদরত বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা বুঝতে পারেননি।’

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ জাতীয় সংগীত চলার বিষয়টা টের পেলে তিনি বিষয়টা বাকি সংসদ সদস্যদের জানান। জানা মাত্রই বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা তৎক্ষণাৎ দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং জাতীয় সংগীত শেষ হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকেন।’

রীতি মেনে ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণের সূচি প্রকাশ করা হয়। তবে তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তখন থেকেই তার বক্তব্যের বিরোধিতা করে আসছিল জামায়াত জোট।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রবেশ করলে প্রচলিত রীতিতে সংসদ নেতা ও সরকারি দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানান। তবে বিরোধী দলের সদস্যদের একটি অংশ প্রতিবাদের অংশ হিসেবে নিজেদের আসনে বসে থাকেন। এ সময় বিউগলে জাতীয় সংগীত বাজতে শুরু করলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সংসদের কর্মকর্তারা জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সদস্যদের দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন। তখন কেউ কেউ দাঁড়ালেও কয়েকজন সদস্য বসে ছিলেন। তবে একে একে সবাই একসময় দাঁড়িয়ে যান। এসময় জামায়াত জোটের সদস্যদের প্রতিবাদ বন্ধ রেখে নীরবে থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি সংসদে তার ভাষণ শুরু করলে বিরোধী দলের সদস্যরা উচ্চস্বরে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা স্লোগান দিতে দিতে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
এনসিপির সাংসদ হান্নান মাসুদ তার পোস্টে বলেছেন, ‘ভুল বুঝাবুঝির অবসান হউক, সঠিক ইনফরমেশন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হউক।’

সানা/আপ্র/১৩/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিরোধী দল
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিরোধী দল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার সময় থেকে...

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূ...

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতাকর্মী শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দ...

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা না ছাড়ায়: প্রধানমন্ত্রী
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা না ছাড়ায়: প্রধানমন্ত্রী

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে - এমন আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে