গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ট্রাম্প ফোনে মিলল এইচটিসির প্রযুক্তির ছাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:১৭ পিএম, ১৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৫৮ এএম ২০২৬
ট্রাম্প ফোনে মিলল এইচটিসির প্রযুক্তির ছাপ
ছবি

ফোনটির ভেতরের প্রধান হার্ডওয়্যার, চিপসেট ও প্রযুক্তিগত কাঠামো প্রায় পুরোপুরি এইচটিসি ইউ২৪ প্রোর সঙ্গে মিলে যায় -ছবি আইফিক্সইট

‘যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি’ বলে প্রচারিত বহুল আলোচিত ‘ট্রাম্প মোবাইল টি১’ স্মার্টফোনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফোনটি মূলত এইচটিসির ‘ইউ২৪ প্রো’ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যার সঙ্গে বাহ্যিক কিছু পরিবর্তন ছাড়া প্রযুক্তিগত দিক থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো পার্থক্য নেই।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনটির ভেতরের প্রধান হার্ডওয়্যার, চিপসেট ও প্রযুক্তিগত কাঠামো প্রায় পুরোপুরি এইচটিসি ইউ২৪ প্রোর সঙ্গে মিলে যায়। একই সঙ্গে পাওয়া গেছে এমন তথ্যও, যা ইঙ্গিত করছে-ফোনটির নকশা ও অধিকাংশ যন্ত্রাংশের উৎস চীন।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের সংগ্রহ করা একটি ডিভাইস পরীক্ষা করে বিশ্লেষণ করেছে প্রযুক্তিপণ্য মেরামত ও বিশ্লেষণবিষয়ক ওয়েবসাইট আইফিক্সইট। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ট্রাম্প মোবাইল টি১ এবং এইচটিসি ইউ২৪ প্রো মডেলের মধ্যে মূল পার্থক্য সীমাবদ্ধ রয়েছে ব্যাটারির ধারণক্ষমতা, চার্জিং সুবিধা এবং বাহ্যিক নকশায়।

ট্রাম্প মোবাইলে তুলনামূলক বড় ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এতে ৩০ ওয়াট চার্জিং সুবিধা রয়েছে, যেখানে এইচটিসি মডেলে রয়েছে ৬০ ওয়াট চার্জিং সমর্থন। এ ছাড়া ট্রাম্প ফোনের বাইরের অংশে সোনালি রঙের আবরণ ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশ্লেষণে আরো দেখা গেছে, দুটি ফোনের ক্যামেরা বিন্যাস ও স্পিকারের ছিদ্রের নকশায় সামান্য পরিবর্তন থাকলেও অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি প্রায় অভিন্ন। উভয় ডিভাইসেই ব্যবহৃত হয়েছে একই প্রসেসর, সমপরিমাণ র‌্যাম ও তথ্য সংরক্ষণক্ষমতা। তবে মেমোরি বোর্ডের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে পার্থক্য রয়েছে।

শুরুর দিকে ট্রাম্প মোবাইল দাবি করেছিল, ফোনটি ‘যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি’। পরে প্রতিষ্ঠানটি তাদের বক্তব্য পরিবর্তন করে জানায়, এটি ‘আমেরিকানদের জন্য গর্বের নকশায়’ তৈরি এবং ‘আমেরিকান মূল্যবোধের ভিত্তিতে’ নির্মিত। তবে ফোনটির উৎপাদন ও যন্ত্রাংশের উৎস সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।


বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে স্মার্টফোনের সব যন্ত্রাংশ সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদনের মতো অবকাঠামো সেখানে গড়ে ওঠেনি। ফলে ট্রাম্প মোবাইল এখন দাবি করছে, ফোনটি ‘গর্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সংযোজন করা হয়েছে’।

প্রতিষ্ঠানটির এই বক্তব্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশ থেকে আনা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যুক্তরাষ্ট্রে একত্র করে ডিভাইসটি সংযোজন করা হয়েছে। তবে ফোনটির অধিকাংশ উপাদান চীন থেকে এসেছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ব্যাটারি তৈরি হয়েছে ফিলিপাইনে।

সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে আইফিক্সইটের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প মোবাইল টি১ মূলত এমন একটি ডিভাইস, যা চীনে নকশা ও উৎপাদন করা হয়েছে এবং যার প্রায় সব প্রধান যন্ত্রাংশই চীন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।


সানা/ডিসি/আপ্র/১৩/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

মধ্যবয়সে দীর্ঘক্ষণ টিভি দেখলে কমতে পারে মস্তিষ্কের সক্ষমতা
০৯ আগস্ট ২০২৬

মধ্যবয়সে দীর্ঘক্ষণ টিভি দেখলে কমতে পারে মস্তিষ্কের সক্ষমতা

টেলিভিশনের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটানো মধ্যবয়সীদের ভবিষ্যতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতার ওপর নেতিবাচ...

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রেসিডেন্টের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় বোমা হামলা
০৯ আগস্ট ২০২৬

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রেসিডেন্টের প্রথম দিনেই কলম্বিয়ায় বোমা হামলা

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই দেশটির বিভিন্ন স্থ...

হাসপাতালের ভুলে দুই পরিবারে বড় হলেন দুই নারী
০৯ আগস্ট ২০২৬

হাসপাতালের ভুলে দুই পরিবারে বড় হলেন দুই নারী

চীনের একটি হাসপাতালে জন্মের পর ভুলবশত অদলবদল হয়ে যাওয়া দুই নারী ৩৭ বছর পর নিজেদের প্রকৃত পরিবার সম্প...

মমতার গাড়িতে হামলার অভিযোগ, অল্পের জন্য রক্ষা
০৯ আগস্ট ২০২৬

মমতার গাড়িতে হামলার অভিযোগ, অল্পের জন্য রক্ষা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (০৯...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শেখ হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানালেন জয়সওয়াল

বাংলাদেশের বর্তমান বৈধ ও গঠিত সরকারের বিষয়ে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য সমর্থন করে না নয়াদিল্লি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমাদের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করা হয়েছে। আমি আবারো সেটিই বলছি। এটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না।” প্রিয় পাঠক. আপনি কি মনে করেন ভারত সঠিক বলেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে