আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। তাঁর অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম এবং প্রসিকিউশন দলের সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বহু মামলার বিচার ও নিষ্পত্তি করেছে। তাঁর ভাষায়, ট্রাইব্যুনালে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে বিচার দ্রুত, আইনানুগ ও স্বচ্ছভাবে এগিয়ে চলায় এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে এর এখতিয়ার ও আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, যিনি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তিনিও এর আগে এই ট্রাইব্যুনালের মামলায় অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং কারও ইন্ধনে ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে এই রিট দাখিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উত্থাপন করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দাখিল করেন।
রিট আবেদনে আইনের কয়েকটি নির্দিষ্ট ধারার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, এসব বিধান সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থি। তাই এসব ধারার সাংবিধানিক বৈধতা বিচারিক পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়েছে।
সানা/আপ্র/২৯/৬/২০২৬