গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

মানবপাচার: যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:২২ পিএম, ০৭ মে ২০২৬ | আপডেট: ০১:৩৫ এএম ২০২৬
মানবপাচার: যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সি
ছবি

মানবপাচার: যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সি

ইউক্রেইন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়াইয়ের জন্য প্রতারণার মাধ্যমে লোক পাঠানোর অভিযোগে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাজ্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেই তালিকায় পড়েছে বাংলাদেশি একটি ট্রাভেল এজেন্সিও।

মানবপাচারের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড টুরস লিমিটেড’।

একই অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত হয়েছে আরও ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশন বলেছে, ইউক্রেইন যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বাংলাদেশিদের প্রতারণা এবং শোষণের জন্য দায়ী এই ড্রিম হোম ট্রাভেলস।


রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে লাগাম টানতে এবং অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ার জন্য যুদ্ধ পাঠানোতে যুক্ত ‘অসাধু চক্রকে’ টার্গেট করে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় এনেছে ব্রিটিশ সরকার।

যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে, নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া চক্রটি উন্নত জীবনের সন্ধানে থাকা বিদেশি অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ করে আসছে।

এরপর তাদেরকে যুদ্ধের সম্মুখভাগে কামানের গোলা ভরার কাজে পাঠাচ্ছে কিংবা ফেলে দিচ্ছে অস্ত্রের কারখানায়।

‘বৈশ্বিক অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের জন্য নিষেধাজ্ঞা’ আইনের আওতায় নিষেধাজ্ঞার দেওয়া হয়েছে ড্রিম হোম ট্রাভেলসকে।

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় যুক্তরাজ্যে থাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বন্ধের মতো শাস্তি রয়েছে।


ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের খবর অনুযায়ী, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সের্গেই মেরজলিয়াকভ এবং আবিদ কালিদ শারিফ আবিদ। 

 

এই দুজনের বিরুদ্ধে ইউক্রেইনে গিয়ে যুদ্ধ করা এবং ফিনল্যান্ড ও পোল্যান্ডকে ‘অস্থিতিশীল’ করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়োগে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

গত সপ্তাহে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৭ হাজার বিদেশি যোদ্ধাকে এভাবে নিয়োগ করেছে রাশিয়া।

ওই সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের টার্গেট করে নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক একটা সিস্টেম দাঁড়িয়েছে।

এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিদের ইউরোপে নিয়ে গিয়ে ভালো বেতনে বেসামরিক চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এভাবে নিয়োগ করা ব্যক্তিদের এক-পঞ্চমাংশ প্রথম চার মাস পার হওয়ার আগেই মারা যান।

দুর্বল প্রশিক্ষণ এবং সেনা কর্মকর্তাদের নির্যাতনের কারণে এই পরিণতি ভোগ করতে হয় তাদেরকে।

ডিসি/আপ্র/০৭/০৫/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

এ মুহূর্তে অপারেশন ক্লিনহার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪ অক্টোবর ২০২৬

এ মুহূর্তে অপারেশন ক্লিনহার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’-এর মতো কোনো অভিয...

শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৪ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি...

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
১৪ অক্টোবর ২০২৬

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচল ক...

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী
১৪ অক্টোবর ২০২৬

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে