গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মেনু

ডিগ্রিধারীদের ভোটার নিবন্ধনে এসএসসি সনদ বাধ্যতামূলক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০০ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০২:১৫ এএম ২০২৬
ডিগ্রিধারীদের ভোটার নিবন্ধনে এসএসসি সনদ বাধ্যতামূলক
ছবি

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন থেকে শিক্ষাগত ডিগ্রিধারী নাগরিকদের ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ সার্ভারে আপলোড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া আরো নির্ভুল করা এবং ভবিষ্যতে তথ্য সংশোধনে জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডি শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তা, উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাগত ডিগ্রিধারী নতুন ভোটারদের নিবন্ধনের সময় সংশ্লিষ্ট সনদপত্র সার্ভারে সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

কেন নেওয়া হলো এই সিদ্ধান্ত: এনআইডি শাখার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে মাধ্যমিক বা তদুর্ধ্ব শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন আবেদনকারীদের সনদ ডাটাবেজে সংযুক্ত করা হচ্ছিল না।

এর ফলে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধনের সময় সনদ যাচাই করা সম্ভব হচ্ছিল না এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।

এসএসসি সনদ আপলোড এখন বাধ্যতামূলক: নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বা তদুর্ধ্ব শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ভোটার নিবন্ধনের সময় এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ সার্ভারে আপলোড করতেই হবে।
এটি ছাড়া নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না বলে নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে।

উচ্চশিক্ষিতদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সংরক্ষণ: যারা উচ্চ মাধ্যমিক বা তার চেয়েও উচ্চতর ডিগ্রিধারী, তাদের ক্ষেত্রে শুধু এসএসসি সনদ আপলোডই নয়, সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ উপজেলা নির্বাচন অফিসে সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেকোনো যাচাই বা সংশোধন প্রক্রিয়ায় নির্ভুল তথ্য নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।

তদারকিতে আঞ্চলিক ও জেলা কর্মকর্তারা: এই নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং কোনো ব্যত্যয় হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
লক্ষ্য নির্ভুল তথ্যভান্ডার ও সেবা সহজীকরণ: নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডারকে আরো নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তথ্য সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়া সহজ করা। এতে করে ভোটার নিবন্ধন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সানা/আপ্র/৩০/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

দিল্লির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত শামার
১৫ জুন ২০২৬

দিল্লির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত শামার

দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, সম্প্রচার ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্...

সংসদে বিরোধিতা পেরিয়ে ২৩ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকার মঞ্জুরি দাবি পাস
১৫ জুন ২০২৬

সংসদে বিরোধিতা পেরিয়ে ২৩ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকার মঞ্জুরি দাবি পাস

বিরোধী সংসদ সদস্যদের আপত্তি ও ছাঁটাই প্রস্তাব নাকচ করে নতুন অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে অর্থ বিভাগের জন...

বর্ষা বরণে সংস্কৃতি বন্দনা ও পরিবেশ সচেতনতার দাবি
১৫ জুন ২০২৬

বর্ষা বরণে সংস্কৃতি বন্দনা ও পরিবেশ সচেতনতার দাবি

আষাঢ়ের প্রথম দিনে রাজধানীজুড়ে বর্ষা বরণ হয়ে উঠেছে একসঙ্গে সংস্কৃতি, পরিবেশ সচেতনতা ও সামাজিক দাবির ব...

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
১৫ জুন ২০২৬

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দিল্লিতে প্রবেশে বাধা

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই