গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

নারীর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৪২ পিএম, ০৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৬ এএম ২০২৬
নারীর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শনিবার (৭ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আমি বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।

তারেক রহমান বলেন, বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। তাদের সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল আসবে না।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।

সরকার প্রধান বলেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া, যা ছিল দেশে নারীর ক্ষমতায়নে একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, রাজনীতিসহ সর্বস্তরে নারীর সক্রিয় এবং কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এসি/আপ্র/০৮/০৩/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে...

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনীতে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের প...

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ

নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকার লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছন থেকে শেখ ওয়াসিম রনি নামে এক ব্যবসায়ীর মাটিচাপা...

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে