সব ক্ষেত্রে আরো বাড়তি সহযোগিতার মাধ্যমে সামনের দিনে দুদেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র।
নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে দুই পক্ষের তরফে এমন আশাবাদ প্রকাশ করার কথা বলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের আলোচনার বিষয় তুলে ধরে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব ক্ষেত্রে বাড়তি সহযোগিতার মাধ্যমে আসন্ন বছরগুলোতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে নতুন নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষ।
গত রোববার সকালে ঢাকায় সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলের সৌজন্য সাক্ষাৎ পর্ব শুরু হয়। ওইদিন একে একে আসেন চীনের রাষ্ট্রদূত এবং ভারত ও পাকিস্তানের হাই কমিশনার। সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট। এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে ইউরোপীয় জোটভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের ছবি প্রকাশ করে এক এক্স বার্তায় রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন। আমাদের দুই দেশকে আরো নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত। ওই বৈঠকের আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিষয় উঠে আসার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির আলোকে প্রতিষ্ঠিত এই সম্পর্ক।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলোচনায় উভয়পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অভিবাসন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের বিনিময়ের মত পদক্ষেপসহ দুদেশের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো পর্যালোচনা করেছে। মার্চের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পল কাপুরের ঢাকা সফরের বিষয়ও আলোচনায় ওঠে আসার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবিক সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য রাজনৈতিক সহায়তা কামনা করেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
সানা/আপ্র/২৩/২/২০২৬