গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৪৯ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৫২ এএম ২০২৬
নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিকে নির্বাচনের আগে থেকেই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসভবনের অনুসন্ধান শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানও নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বর্তমান সরকার। এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে। 

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে গেলে সেটিকেই সংস্কার করে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে এককভাবে সরকার গঠন করতে যেখানে অন্তত ১৫১টি আসন প্রয়োজন, সেখানে বিএনপি দুই শতাধিক আসনে জয়ী হয়ে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনের সমর্থন পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে যাচ্ছে।

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবন নির্ধারণে কাজ শুরু করেছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল, কমিটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের আবাসনের বিষয়ে সুপারিশও জমা দেয়। মূলত, গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু, কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেয়। তারা শেরেবাংলা নগরে দুটি স্থান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। একটি হচ্ছে- শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন এলাকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন, আরেকটি হচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকা। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চেয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকে বেশি উপযোগী বলে মনে করে কমিটি। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছিল। পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে তা পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেয়।

এসি/১৫/২/২০২৬

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে...

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনীতে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের প...

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ

নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকার লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছন থেকে শেখ ওয়াসিম রনি নামে এক ব্যবসায়ীর মাটিচাপা...

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে