আমীন আল রশীদ
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতি ও সামাজিক পরিসরে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরস্পরকে লক্ষ্য করে গালাগাল, অপমান, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কুরুচিপূর্ণ ভাষার ব্যবহার অনেক বেড়েছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অশ্লীল শব্দের ব্যবহার, এমনকি নারীর জন্য অবমাননাকর অনেক শব্দ প্রকাশ্যে উচ্চারণের মধ্য দিয়ে কেউ কেউ এটাকে স্বাভাবিকীকরণেরও চেষ্টা করছেন।
অনেকে এটিকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভের ‘ভাষাগত বিস্ফোরণ’ হিসেবে মনে করেন। কেননা, জুলাইয়ের আগে রাজনৈতিক ভিন্নমত প্রকাশের ওপর নানা ধরনের ভয়, চাপ ও নিয়ন্ত্রণ ছিল। ফলে মানুষের অনেক ক্ষোভ প্রকাশ পেতো না, অথবা প্রকাশের ক্ষেত্রে সীমা ছিল। জুলাই আন্দোলনের সময় সামাজিকমাধ্যম নিজেই হয়ে ওঠে বিকল্প রাজনৈতিক পরিসর-প্রচলিত মিডিয়ার বাইরে মানুষ ভিডিও, পোস্ট, মিম, লাইভ ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কথা বলেছে। জুলাইয়ের পরে অনেকের মনে মুক্তির অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে, এখন যা খুশি বলা যাবে। কিন্তু ভয় কমে যাওয়ার সঙ্গে আত্মসংযমও যখন কমে যায়, তখন স্বাধীনতা আর অশালীনতার সীমারেখা থাকে না।
জুলাইয়ের পরে আরেকটি বড় ঘটনা ঘটে গেছে। সেটি হলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ‘শত্রু’ বানানোর সংস্কৃতি। জুলাইয়ের আগে রাজনীতি ছিল মূলত ‘আমার দল’ বনাম ‘তোমার দল’। কিন্তু জুলাইয়ের পর অনেক ক্ষেত্রে সেটি হয়েছে দেশপ্রেমিক বনাম দেশদ্রোহী। জুলাইয়ের পক্ষ বনাম জুলাইয়ের বিপক্ষ। ফ্যাসিস্ট বনাম ফ্যাসিবাদবিরোধী। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ বনাম বিপক্ষ। ইসলামপন্থি বনাম ইসলামবিরোধী। ইত্যাদি। ফলে প্রতিবাদের ভাষা ও রাজনৈতিক মত প্রকাশের ভাষা—এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক, অশ্লীল এবং গালাগালনির্ভর।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার সম্প্রতি নিজের ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন- ‘ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে অশ্লীল গালি দেওয়া মত-প্রকাশের স্বাধীনতা বলা হচ্ছে। ক্ষুব্ধ হলে যেভাবেই হোক ক্ষোভ প্রকাশ করবেন, এতে আপত্তির কিছু থাকতে পারে না। বরং সমর্থন করতে হবে। কিন্তু একবার লক্ষ করে দেখেন, এই গালিগুলো প্রায় সবই নারীকেন্দ্রিক, মা-বোনকে উদ্দেশ্য করেই দেওয়া হয়। এবং এটাই গালির ভাষার অংশ হয়ে গেছে। কাউকে গালি দিলে তার মা-বোন তুলে গালি দিতে হবে, এবং সেটাই সবচেয়ে মোক্ষম গালি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নারীবিরোধী, নারীর প্রতি অবমাননাকর কোনও ভাষা কি আমাদের প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে? পুরুষের অপরাধে গালির লক্ষ্যবস্তু মা আর বোন?’
ফরিদা আখতার নিঃসন্দেহে একজন সজ্জন মানুষ। প্রায় দুই যুগ ধরে তাকে ব্যক্তিগভাবে চিনি। সেই দাবি নিয়েই তাকে প্রশ্নটা করি, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই যে রাজনীতি ও সামাজিক পরিসরে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে গালিগালাজ, বিশেষ করে নারীর জন্য অবমাননাকর শব্দ উচ্চারণ যে ভয়াবহ আকারণ ধারণ করলো; একটি বিরাট প্রজন্ম যে বাংলাদেশের চিরায়ত পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের বারোটা বাজিয়ে দিলো—তখন তারা কি এই প্রবণতা বন্ধে কোনও উদ্যোগ নিয়েছিলেন বা নিতে না পারার কারণে এখন কি তাদের কোনও অনুশোচনা হয়? তিনটি পয়েন্ট নিয়ে কথা বলা যাক- ১. প্রতিবাদের ভাষা, ২. বাকস্বাধীনতার সীমা এবং ৩. সন্ত্রাসবিরোধী আইন। এর আগে সিফাত প্রসঙ্গ।
বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট, সেখানে বিএনপি সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে অশালীন ভাষায় গালাগাল করার ঘটনায় সিফাত আবদুল্লাহ নামে এক তরুণকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি পুরোনো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে সিফাতের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ দাবি করলেও তাকে আটকের পর গাজীপুরের গাছা থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী নাছের খান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘গ্রেফতার সিফাত আব্দুল্লাহ এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ইনকিলাব মঞ্চের একজন সক্রিয় কর্মী।’
বাস্তবতা হলো, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, ভয়াবহ লোডশেডিং ও গ্যাস সংকট নিয়ে মানুষের মনে ক্ষোভের অন্ত নেই। অনেকেই মনে মনে বা ঘরের ভেতরে নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতার সময় সেই রাগের উদ্গীরণ ঘটান। কেউ হয়তো দুয়েকটা স্ল্যাং বা অশ্লীল শব্দও বলে ফেলেন। কিন্তু সেই একই শব্দ কি তারা ফেসবুকের মতো পাবলিক প্ল্যাটেফর্মে লিখবেন বা উচ্চারণ করবেন? যার ন্যূনতম পারিবারিক শিক্ষা আছে, রুচি ও সাংস্কৃতিক বোধ আছে, তিনি কি রেগে গেলেও পাবলিকপ প্লেসে দাঁড়িয়ে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে এমন কোনও শব্দ উচ্চারণ করেন—যেটা সামাজিক দৃষ্টতে অত্যন্ত গর্হিত, নিন্দনীয় এবং শালীনতাবিবর্জিত?
এটা ঠিক যে, বঞ্চিত ও ক্ষুব্ধ মানুষ অনেক সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে স্ল্যাং বা অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করেন। কিন্তু সেটির স্থান-কাল-পাত্র আছে। দেশের একজন প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে, তার নাম ধরে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করা কোনও প্রতিবাদের ধরন হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী, জ্বালানি মন্ত্রী কিংবা সামগ্রিকভাবে সরকারের নানা কাজের সমালোচনা করে মিছিল সমাবেশ তো প্রতিনিয়তই হচ্ছে। সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সরকারের কড়া সমালোচনা করছেন। লংমার্চ হচ্ছে। টকশোতে অনেকেই প্রতিবাদ করছেন। প্রতিবাদ করে অনেকেই কলাম লিখছেন। কিন্তু সেই বলা ও লেখার একটা সীমারেখা আছে। কিছু ব্যতিক্রম বাদে সবাই সেই ভদ্রতা, শালীনতা ও রুচির সীমানা বিবেচনায় রেখেই বলেন ও লেখেন। অপরদিকে টকশোতে কেউ কেউ অত্যন্ত অরুচিকর ভাষায়ও কথা বলেন। সেখানে সরকারের লোক যেমন আছেন, তেমনই বিরোধী দলেরও। কিন্তু মানুষ তাদের পছন্দ করে না। তাদের কথা গ্রহণ করে না। বরং তারা সত্য কথা বললেও মানুষ সেগুলো আমলে নেয় না—এটাই বাস্তবতা। বরং তাদের মানুষ উগ্র, নৈরাজ্যবাদী ও জোকার হিসেবেই বিবেচনা করে।
সিফাতের সমালোচনা হচ্ছে মূলত এ কারণেই যে, গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের অভিযোগ থাকলেও তার প্রতিবাদের ভাষা ছিল- রাজনৈতিক তথা একটি রাজনৈতিক অভিলাষকে সামনে রেখে। অর্থাৎ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের উসিলায় তিনি সম্ভবত কোনও একটি রাজনৈতিক দলের পারপাস সার্ভ করতে চেয়েছেন। অথবা তিনি সরকারকে বা সরকারি দলকে উত্তেজিত করতে চেয়েছেন— যাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং সেটি দিয়ে প্রমাণ করা যায় যে সরকার ভিন্নমত দমনে অতীতের সরকারের পথেই হাঁটছে। অর্থাৎ এখানে জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে প্রতিবাদ নাকি সচেতনভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নই মুখ্য, সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এটি হচ্ছে মুদ্রার এক পিঠ। অন্যপিঠ হলো- সরকারের বা সরকার-প্রধানের কিংবা কোনও মন্ত্রীর সমালোচনা করলেই, ধরা যাক কেউ অশ্লীল ভাষাতেই সমালোচনা করলেন- সে জন্য কি একজন সাধারণ মানুষকে, এমনকি একজন রাজনৈতিক কর্মীকেও গ্রেফতার করা যায়?
দণ্ডবিধির ৫০৪ ধারায় বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অপমান করা বা এর মাধ্যমে এমনভাবে উসকানি দেওয়া, যাতে তিনি জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে বা অন্য কোনও অপরাধ করতে পারেন- তাহলে যিনি অপমান করলেন, তার সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হবে। অর্থাৎ কাউকে শুধু গালি দেওয়া হলেই এই ধারা প্রযোজ্য নয়। বরং এখানে তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ- ইচ্ছাকৃত অপমান, সেই অপমানের মাধ্যমে উসকানি সৃষ্টি এবং সেই উসকানিতে জনশান্তি ভঙ্গ বা অন্য কোনও অপরাধ ঘটার সম্ভাবনা সম্পর্কে অভিযুক্তের উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকা। এ ছাড়া কারও সম্মানহানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা বা মানহানিকর অভিযোগ করাও দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার আলোকে অপরাধ।
প্রকাশ্যে গালিগালাজ করা ২৯৪ ধারায় অপরাধ। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি জনসমক্ষে বা তার কাছাকাছি অশ্লীল কথা বলেন এবং তা অন্যদের বিরক্তির কারণ হয়- তাহলে সেটিও অপরাধ হতে পারে। এর শাস্তি সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড অথবা জরিমানা কিংবা উভয়ই। দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোনও নারীকে তার শালীনতা ও মর্যাদাহানি করার উদ্দেশ্যে কোনও কথা, শব্দ, অঙ্গভঙ্গি বা কোনও আচরণ করা হলে সেটিও অপরাধ এবং এর শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা জরিমানা কিংবা উভয়ই।
গাজীপুরের সিফাত আসলে কোন উদ্দেশ্য থেকে প্রধানমন্ত্রীকে গালাগাল করেছেন, সেটির নির্মোহ অনুসন্ধান জরুরি। তবে তিনি অবমাননাকর শব্দ বলেছেন- এই অপরাধে কি তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো যায়? ঘটনা ঘটলো যেদিন, তাকে আটকের পরে পুরোনো একটি মামলায় কি গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো যায়? এটি কি রাষ্ট্রীয় আইনের রাজনৈতিক ব্যবহার নয়?
২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হওয়ার পরে এই আইনে যতগুলো মামলা হয়েছে, তার বিরাট অংশই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সমালোচনার কারণে। আবার সরাসরি সংক্ষুব্ধ কেউ ওইসব মামলা করেননি। মামলা করেছেন দলের অন্য কেউ। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিমের সমালোচনা করে পোস্ট দিয়েছিলেন। মামলা করেছেন স্থানীয় কোনও নেতা। সেই মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। চাকরিও চলে গিয়েছিল। অর্থাৎ যাকে উদ্দেশ করে পোস্ট, তার কোনও মাথাব্যথা নেই, মাথাব্যথা অন্যের। এ ধরনের অতি উৎসাহ বছরের পর বছর ধরে চলেছে। এ কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহারটি অপব্যবহারে পরিণত হয়। একইভাবে এখন সন্ত্রাসবিরোধী আইনেরও ব্যবহার (মূলত অপব্যবহার) করা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট কিংবা অন্য কোনও কর্মকাণ্ডের কারণে- যেগুলোকে কোনোভাবেই সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে প্রমাণ করা সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো, বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে আলোচনা এবং সরকারের সমালোচনার কারণে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অনেক রাজনৈতিক নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে- যাদের একটি কাজকেও সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে প্রমাণের সুযোগ নেই। তবে এটাও মনে রাখা দরকার যে, বাকস্বাধীনতা আনলিমিটেড বা অসীম নয়।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার যে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কয়েকটি শর্তের কথা বলা হয়েছে। যেমন- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতার স্বার্থ, আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা। অর্থাৎ বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি বলা নয়। এখানে জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতার স্বার্থ অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত গণতান্ত্রিক দেশের মানুষও বাকস্বাধীনতার নামে অন্যকে গালি দেয় না বা দিতে পারে না। ব্যক্তিগত পরিসর, গৃহ কিংবা কর্মস্থলেও সহকর্মীদের সঙ্গে মানুষ যে ভাষায় কথা বলে বা কথা প্রসঙ্গে যেসব স্ল্যাং উচ্চারণ করে, সেগুলো পাবলিকলি বলা যায় না। এখানেই শালীনতা ও নীতি-নৈতিকতার প্রশ্ন। সংবিধান কাউকে আনলিমিটেড স্বাধীনতা দেয় না। আনলিমিটেড বা অসীম স্বাধীনতা মানে নৈরাজ্য। বিশেষ করে যখন কেউ প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রের কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, এমনকি প্রয়াত জাতীয় নেতাদের গালাগাল করে—সেখানে অন্যায়ের প্রতিবাদের চেয়ে রাজনৈতিক অভিলাষ ও উদ্দেশ্যই থাকে মুখ্য।
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)
কেএমএএ/আপ্র/০৮.০৯.২০২৬