গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম এখন বাফুফের

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৪৯ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:৫২ এএম ২০২৬
কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম এখন বাফুফের
ছবি

ছবি সংগৃহীত

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম বাফুফেকে দেওয়ার ঘোষণা আগেই এসেছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেডিয়াম দুটির ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে হস্তান্তর করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। 

 

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। তবে স্টেডিয়াম দুটি শুধু ফুটবলের জন্য ব্যবহার করা হবে না। এনএসসির অনুমতি নিয়ে অন্যান্য ক্রীড়া ফেডারেশনও এসব স্টেডিয়াম ব্যবহার করতে পারবে। 

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে মঙ্গলবার আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা এই ধরনের কাজ করতে চাই। আমরা ফিফা, এএফসি, স্পনসরদের অর্থে কাজ সম্পন্ন করবো এবং এনএসসির অনুমতি নিয়ে করবো। এই পয়েন্টগুলো স্পষ্টভাবে ক্লিয়ার করার জন্য ভালো, কারণ অনেক সময় মিসকমিউনিকেশন হয়ে যায়।’ 

 

স্টেডিয়াম ব্যবহারের বিষয়ে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘স্টেডিয়াম সকল ফেডারেশনের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্তভাবে দেওয়া হোক। মেইনটেইন, সিকিউরিটি দেখবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।’

 


এনএসসি অন্য কোনো ফেডারেশনকে স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দিলে বাফুফে তাদের সহযোগিতা করবে বলেও জানান তাবিথ। তাবিথের ভাষায়, ‘এই স্টেডিয়ামগুলো কিন্তু সকল ক্রীড়ার জন্য, কোনো একটা ফেডারেশনের জন্য না।’ 

 

তার আশা, এই দুটি স্থাপনার ব্যবস্থাপনায় বাফুফে সফল হলে ভবিষ্যতে অন্যান্য ক্রীড়া ফেডারেশনকেও বিভিন্ন ক্রীড়া স্থাপনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে পারে এনএসসি। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুনভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। 

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেবে বলে তিনি মনে করেন।’

 


আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা জিরো থেকে শুরু করেছি।’ দেশের স্টেডিয়ামগুলোর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে এনএসসি একটি নকশা ও কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে কমলাপুর স্টেডিয়াম বা সিলেটসহ সারা দেশের স্টেডিয়ামগুলোতে যাতে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যায়, সেই দিকে আমরা নজর দিচ্ছি।’ সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে হাইব্রিড ঘাস লাগানোর কাজের কথাও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। 

 

আমিনুল হক জানান, স্টেডিয়ামগুলোর পরিবেশ উন্নয়নে কাজ শুরু হয়েছে। তবে পুরো কার্যক্রম শেষ করতে কিছুটা সময় লাগবে।

ডিসি/আপ্র/০৮/০৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কাউন্টিতে বাংলাদেশি পেসারদের দাপট, অভিষেকেই খালেদের দুই উইকেট
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাউন্টিতে বাংলাদেশি পেসারদের দাপট, অভিষেকেই খালেদের দুই উইকেট

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেসারদের দাপট অব্যাহত। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের হয়ে একই ম্যাচ...

সিরিজ শুরুর ১০ দিন আগে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরিজ শুরুর ১০ দিন আগে বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

 আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সফরে দুটি টেস্ট খেলবে ক্যারিবীয় দল। ২০২৫-২৭ আইসিস...

সিপিএলে অভিষেকের অপেক্ষায় মিরাজ
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিপিএলে অভিষেকের অপেক্ষায় মিরাজ

বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ এবার ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেকের সুযোগ পেত...

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ঘোষণা দিল আফগানিস্তান
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ঘোষণা দিল আফগানিস্তান

টেস্ট ম্যাচটি আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল, শুধু অপেক্ষা ছিল ওয়ানডে সিরিজটি দ্বিপাক্ষিক হবে নাকি ত্রিদেশীয়—...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 19 ঘন্টা আগে