গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা না ছাড়ায়: প্রধানমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০২:৪৫ এএম ২০২৬
বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা না ছাড়ায়: প্রধানমন্ত্রী
ছবি

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -ছবি সংগৃহীত

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে - এমন আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে এবং বাকস্বাধীনতা অবারিত। তবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি যেন গালাগালির সংস্কৃতিতে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা, বিরোধী দলের লংমার্চ, সংসদীয় রাজনীতিতে ভিন্নমতের চর্চা, রাষ্ট্র সংস্কার এবং বৈদেশিক ঋণের চাপসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বাকস্বাধীনতাও। বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে, বাকস্বাধীনতা অবারিত। কিন্তু বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে, সেটি সবাইকে মনে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণের কাঁধে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসন যেমন কেউ চান না, তেমনি কোনো বিবেকবান মানুষ বা দেশপ্রেমিক রাজনীতিকও চান না যে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গালাগালিতে পরিণত হোক। এ জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের এ পর্যায়ে সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাঁর বক্তব্যে সমর্থন জানান। প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, পারিবারিক পরিবেশে যেসব কথা বলতে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না, জনপরিসরে কেন সেসব শব্দ ব্যবহার করা হবে। তিনি সংসদের সব সদস্য ও দেশের বিবেকবান নাগরিকদের গালাগালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ভিন্নমত যেন শত্রুতায় না রূপ নেয়
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ভিন্নমত ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবীতেই এমন চর্চা রয়েছে। এটিই গণতান্ত্রিক অনুশীলনের অংশ। তবে ভিন্নমত যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সরকারি ও বিরোধী দল মিলেই একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ ও বিরোধ শেষ পর্যন্ত বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট অপশক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে এবং তাদের ফিরে আসার পথ সুগম করতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে এবং শহীদদের প্রতি কর্তব্যের অংশ হিসেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ - এই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করতে চায়।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট লংমার্চে মিটলে আমরাই আগে করতাম
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে বিরোধী দলের লংমার্চের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানে সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা আশা করেছিল। কিন্তু দেখা গেল, বিশাল গাড়িবহর নিয়ে লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যা সমাধান করা যেত, তাহলে সরকারই সবার আগে লংমার্চের আয়োজন করত।

দেশের জ্বালানি সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমস্যা হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি। তাঁর দাবি, আগের সরকারের সময়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বঙ্গোপসাগরের দুই পাশে প্রতিবেশী দেশগুলো সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করলেও বাংলাদেশের অংশে দীর্ঘ সময় গ্যাস অনুসন্ধান বা উত্তোলনের তেমন চেষ্টা হয়নি।

তিনি বলেন, অনেকে মনে করেন, কোনো বিশেষ দেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় বা তারা যেন গ্যাস নিয়ে যেতে পারে, সে কারণেই বাংলাদেশের অংশে বঙ্গোপসাগরে গ্যাস উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর বিপরীতে পশ্চিম এশিয়াকে গ্যাস আমদানির প্রধান উৎস হিসেবে নির্ভর করতে হয়েছে এবং দেশকে অনেকটাই আমদানিনির্ভর করে ফেলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১০-১২ দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হয়। এর ফলে ওই অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস আমদানিতে বাধা তৈরি হয়। এর মধ্যে দেশের দুটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটের একটিতে বৈদ্যুতিক শকের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে এবং সেটি বিকল হয়ে যায়। ফলে গ্যাস সরবরাহে সংকট আরও বেড়ে যায়। প্রকাশিত অন্যান্য প্রতিবেদনেও এই সংকটের কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও একটি ভাসমান গ্যাস টার্মিনাল বিকল হওয়ার কথা এসেছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ২০২২ সালে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় তৎকালীন সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সে সময় অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা করা হয়েছিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছিল এবং ব্যাংকের লেনদেনের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছিল।

কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নামে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এর মাধ্যমে কিছু মানুষকে সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্রকে ঋণগ্রস্ত করা হয়েছে। এরপরও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। জনগণের সামনে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরা প্রত্যেক সংসদ সদস্যের দায়িত্ব। সরকারি কিংবা বিরোধী দলের - প্রত্যেক সদস্যকেই প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। বাস্তবতা সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা হলে পতিত ও পরাজিত ফ্যাসিবাদী চক্রই লাভবান হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবিলায় সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদী।

সৌরবিদ্যুতে উৎপাদক হতে চায় সরকার
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতদিন বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিল। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা করছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ শুধু বিদ্যুতের গ্রাহক থাকবে না, বরং সৌরবিদ্যুতের উৎপাদকও হবে।

এ সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বিএনপির অতীত রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে, প্রতিবারই দেশকে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে।

সংসদকে কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু করতে চান

বর্তমান সংসদকে সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা দেশ ও জনগণের স্বার্থে আলোচনা করেছেন এবং কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এ সংসদকে কার্যকর ও প্রাণবন্ত রাখার জন্য উপস্থিত সব সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা হচ্ছে সংসদে আলোচনা করে তাদের সমস্যা কিছুটা হলেও লাঘব হবে এবং এই সংসদ তাদের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

তৃতীয় অধিবেশনের শুরু হয় ২৭ আগস্ট। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। মাগরিবের নামাজের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ অধিবেশন সমাপনীসংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ পড়ে শোনান। সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী প্রথমে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে সমাপনী বক্তব্য শুরু করেন।

বৈদেশিক ঋণের চাপ সামলানোর দাবি
অর্থনীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে বাংলাদেশকে ঋণখেলাপির অপবাদ সইতে হয়েছে। তাঁর দাবি, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বোঝা এখন বর্তমান সরকারকে পরিশোধ করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত একটি রাষ্ট্র পেয়েছে বর্তমান সরকার। যারা দেশ ছেড়ে চলে গেছে, তারা ঋণ রেখে গেছে দেশের ও জনগণের কাঁধে। একই সঙ্গে ঋণখেলাপির হিসাব-নিকাশেও জালিয়াতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে খেলাপি ঋণের অনুপাত কমে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিগত নির্বাচনের পর এ অনুপাত ছিল ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গত পাঁচ মাসে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত পাঁচ মাসে পরিশোধ করা এ অর্থের মধ্যে ১৩৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার ছিল আসল এবং ৬৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার সুদ। কোনো নির্দিষ্ট পাঁচ মাসের হিসাবে এটিই সর্বোচ্চ পরিশোধের রেকর্ড বলে প্রকাশিত তথ্যেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের দেড় দশকে বড় অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্পের নামে নেওয়া ঋণের একটি বড় অংশের অবকাশকাল শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন আসল ও সুদ পরিশোধের চাপ বেড়েছে। বর্তমান সরকার সেই দায় নিয়মিত পরিশোধের পাশাপাশি অর্থনীতিকে ঋণের বোঝা থেকে বের করে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের দেওয়া দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা এবং রাষ্ট্র মেরামতের কাজ এগিয়ে নেওয়াই সবার দায়িত্ব।
সানা/আপ্র/১১/৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

রুমিনের বক্তব্য ঘিরে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রুমিনের বক্তব্য ঘিরে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল

বিএনপির সরকারের অতীত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সংকটের সমালোচনা করে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্...

নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না: রিজভী
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না: রিজভী

দেশের অগ্রগতিতে নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ম...

বিরোধীদলের লংমার্চে জ্বালানি অপচয়, ভোগান্তির আশঙ্কার ইশরাকের
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিরোধীদলের লংমার্চে জ্বালানি অপচয়, ভোগান্তির আশঙ্কার ইশরাকের

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচিকে ‘জ্বালানির অপচয়’ ও ‘জনগণের ভোগান্তির’ কারণ হিসেবে মন্তব্য করেছেন ম...

ছয় দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ, বিদ্যুৎ নিয়ে শফিকুরের প্রশ্ন
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছয় দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ, বিদ্যুৎ নিয়ে শফিকুরের প্রশ্ন

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকলেও জাতীয় সংসদ ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়িতে বিদ্যুৎ আছে—এমন মন্তব্য ক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে