২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের চারটি বিমান ছিনতাই ছিল শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলা নয়; এটি ছিল বৈশ্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক ঘটনা। নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে হামলা এবং পেনসিলভানিয়ায় একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত হন ২ হাজার ৯৭৭ জন। চারটি বিমানে থাকা ২৪৬ জনেরও কেউ বেঁচে ফেরেননি। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৯০ দেশের নাগরিক।
সেদিনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা ছিল স্পষ্ট - সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে নির্মূল করা হবে। কিন্তু পরবর্তী ২৫ বছরের ইতিহাস বলছে, সেই অভিযান দ্রুত একটি নির্দিষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযান থেকে বিস্তৃত হয়ে যায় দীর্ঘস্থায়ী বৈশ্বিক যুদ্ধে।
প্রশ্ন হলো, এক-চতুর্থাংশ শতাব্দী ধরে চলা সেই যুদ্ধ কি পৃথিবীকে নিরাপদ করেছে, নাকি সন্ত্রাস মোকাবিলার পদ্ধতিই নতুন সংকট তৈরি করেছে?
এক হামলা থেকে বৈশ্বিক যুদ্ধ
৯/১১-এর মাত্র ২৬ দিনের মাথায়, ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। লক্ষ্য ছিল আল-কায়েদা এবং তাদের আশ্রয়দাতা তালেবানকে উৎখাত করা।
তালেবান সরকারের পতন ঘটে। কিন্তু যুদ্ধ সেখানেই শেষ হয়নি। আল-কায়েদার বিরুদ্ধে অভিযান ধীরে ধীরে আফগানিস্তানে একটি নতুন রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রকল্পে পরিণত হয়। দুই দশক ধরে বিপুল সামরিক ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগের পরও সেই ব্যবস্থা টেকেনি। ২০২১ সালের আগস্টে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময় তালেবান দ্রুত ক্ষমতা দখল করে। ১৫ আগস্ট কাবুল পতনের পর দেশ ছাড়েন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি।
৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তির আগে নিউ ইয়র্কে ৯/১১ মেমোরিয়াল অ্যান্ড মিউজিয়ামের নর্থ পুলে নিহতদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা -ছবি রয়টার্স
এখানেই ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধের প্রথম বড় শিক্ষা - একটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সামরিকভাবে পরাস্ত করা এবং একটি দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে দেওয়া এক জিনিস নয়।
যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে আল-কায়েদার সক্ষমতা কমাতে পেরেছিল, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্থিতি নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামরিক সাফল্য শেষ পর্যন্ত কৌশলগত সাফল্যে রূপ নেয়নি।
ইরাক যুদ্ধ: ভুল লক্ষ্য, দীর্ঘস্থায়ী পরিণতি
২০০৩ সালে ইরাকে অভিযান ছিল ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধের দ্বিতীয় বড় বাঁক। ইরাকের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে - এই দাবিকে যুদ্ধের অন্যতম প্রধান যুক্তি হিসেবে হাজির করা হয়েছিল। জাতিসংঘে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল একটি শিশি হাতে নিয়ে ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্রের সক্ষমতার কথা তুলে ধরেছিলেন। পরে ইরাকে সেই অস্ত্রের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এরপর যে ভুলটি আরও বড় সংকট তৈরি করে তা হলো রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে ফেলা। ইরাকি সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করা এবং বাথ পার্টির সদস্যদের প্রশাসন থেকে সরিয়ে দেওয়ার ফলে বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত সামরিক ও প্রশাসনিক জনবল রাষ্ট্রের বাইরে চলে যায়। একই সঙ্গে শিয়া-সুন্নি সংঘাত তীব্র হয়।
রাষ্ট্র যখন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন জঙ্গিবাদ শক্তিশালী হওয়ার জায়গা পায়। ইরাকের সেই অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকেই পরে ইসলামিক স্টেটের উত্থান ঘটে।
এখানে যুদ্ধের সবচেয়ে বড় পরিহাসটি স্পষ্ট - যে বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যুক্তিতে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই যুদ্ধের রাজনৈতিক পরিণতিই নতুন এক জঙ্গি শক্তির বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে।
আর ৯/১১ হামলার সঙ্গে ইরাকের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
আল-কায়েদা দুর্বল, কিন্তু সন্ত্রাসের বিস্তার কেন?
ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন অভিযানে নিহত হন। ২০২২ সালে আল-কায়েদার পরবর্তী প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরিও নিহত হন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দুর্বল হয়েছে। কিন্তু সংগঠনটি বিলীন হয়নি।
রয়টার্সের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আল-কায়েদার বিভিন্ন শাখা এখন আফ্রিকা, সাহেল, সোমালিয়া, পাকিস্তান ও দক্ষিণ এশিয়ায় সক্রিয়। একই সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের আঞ্চলিক শাখাগুলোও টিকে আছে।
এ পরিবর্তনটি গুরুত্বপূর্ণ। ২০০১ সালে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কেন্দ্র ছিল একটি সংগঠন ও তার নেতৃত্ব। ২৫ বছর পর হুমকি অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়েছে - স্থানীয় সংঘাত, দুর্বল রাষ্ট্র, জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক বিভাজন এবং রাজনৈতিক বঞ্চনার সঙ্গে জঙ্গিবাদ মিশে গেছে।
সাহেল তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুর অর্ধেকের বেশি এখন সাহেল অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে ২০০৭ সালে এই হার ছিল ১ শতাংশেরও কম।
অর্থাৎ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ একটি সংগঠনকে দুর্বল করেছে, কিন্তু যে পরিবেশ নতুন সংগঠনের জন্ম দেয়, সেই পরিবেশের বড় অংশ রয়ে গেছে।
যুদ্ধের হিসাব: ৮ ট্রিলিয়ন ডলার, লাখো মৃত্যু
এই কৌশলের মূল্যও কম নয়।
ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের হিসাবে, ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। সরাসরি যুদ্ধ ও সহিংসতায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৯ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫ লাখ থেকে ৪৭ লাখ পর্যন্ত হতে পারে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৩ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ।
এই পরিসংখ্যানের তাৎপর্য শুধু অর্থনৈতিক নয়। যুদ্ধের আসল মূল্য বহন করেছে এমন জনগোষ্ঠী, যারা ৯/১১ ঘটায়নি, অথচ যুদ্ধের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
এখানেই ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’-এর সবচেয়ে কঠিন নৈতিক প্রশ্নটি তৈরি হয় - একটি সন্ত্রাসী হামলার জবাব দিতে গিয়ে যে সামরিক অভিযান শুরু হয়, তার মানবিক মূল্য যদি বহু গুণ বড় হয়, তাহলে নিরাপত্তার সংজ্ঞা কী?
নিরাপত্তার নামে রাষ্ট্রের ক্ষমতা
৯/১১-এর পর নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজন নিয়ে খুব কমই বিতর্ক ছিল। বিমানবন্দর, সীমান্ত, আর্থিক লেনদেন ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার হয়েছে। ড্রোন, মুখ শনাক্তকরণ, বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সন্ত্রাস শনাক্তে নতুন সক্ষমতা তৈরি করেছে।
কিন্তু এর সঙ্গে রাষ্ট্রের নজরদারি ক্ষমতাও বেড়েছে। প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট থেকে শুরু করে ব্যাপক তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা নাগরিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এখন সেই নিরাপত্তা ধারণারও পরিবর্তন ঘটছে। ২০২৬ সালের রয়টার্স-ইপসোস জরিপে ৩৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদকে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকি বলেছেন; বিদেশি সন্ত্রাসবাদকে বলেছেন ২০ শতাংশ। ৬৫ শতাংশ পরোয়ানা ছাড়া অভ্যন্তরীণ নজরদারির বিরোধিতা করেছেন।
অর্থাৎ ২০০১ সালের বহিরাগত শত্রুর আতঙ্ক ২০২৬ সালে অনেকাংশে অভ্যন্তরীণ সহিংসতার আশঙ্কায় রূপ নিয়েছে।
যে শিক্ষা বারবার উপেক্ষিত
৯/১১-পরবর্তী ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে - সামরিক শক্তি সন্ত্রাসের সক্ষমতা ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু সন্ত্রাসের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তি একা ধ্বংস করতে পারে না।
কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নেও উঠে এসেছে, সামরিক অভিযানের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং স্থানীয় ক্ষোভ ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা দীর্ঘমেয়াদে সন্ত্রাস মোকাবিলাকে কঠিন করেছে।
অর্থাৎ সন্ত্রাস দমনের কার্যকর কৌশল শুধু বন্দুক, বোমা ও গোয়েন্দা অভিযান নয়। প্রয়োজন কার্যকর রাষ্ট্র, আইনের শাসন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং স্থানীয় জনগণের আস্থা।
যেখানে রাষ্ট্র দুর্বল, সেখানে জঙ্গি সংগঠন শুধু অস্ত্র দিয়ে জায়গা করে নেয় না - তারা শূন্যস্থান দখল করে।
ইরান কি নতুন আফগানিস্তান হবে?
২৫ বছর পর সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি এসেছে পশ্চিম এশিয়া থেকেই। ২০২৬ সালে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান নিয়ে রয়টার্সের বিশ্লেষণে ৯/১১-পরবর্তী ‘অনন্ত যুদ্ধ’-এর অভিজ্ঞতার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। উদ্বেগের জায়গাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট প্রস্থান-কৌশলের অভাব, দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক মূল্য এবং সামরিক অভিযানের অনিশ্চিত পরিণতি।
ইরান অবশ্য আফগানিস্তান বা ইরাক নয়। তিন দেশের রাজনৈতিক, সামরিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন। কিন্তু অভিজ্ঞতার প্রশ্নটি একই - যুদ্ধ কীভাবে শুরু হচ্ছে, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে এবং এরপর কী হবে।
আফগানিস্তানে তালেবানকে সরানো হয়েছিল; শেষ পর্যন্ত তালেবানই ফিরেছে। ইরাকে সাদ্দামকে উৎখাত করা হয়েছিল; কিন্তু রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পতন জঙ্গিবাদের বিস্তারকে ত্বরান্বিত করেছে।
তাই ভবিষ্যৎ যুদ্ধের সাফল্য মাপতে শুধু কতটি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে, কতজন জঙ্গি নিহত হয়েছে বা কোন ভূখণ্ড দখল হয়েছে - এসব যথেষ্ট নয়। দেখতে হবে, যুদ্ধের পর রাষ্ট্রটি আগের চেয়ে স্থিতিশীল হলো কি না, জনগণের নিরাপত্তা বাড়ল কি না এবং নতুন সহিংসতার জন্য জায়গা তৈরি হলো কি না।
২৫ বছরের সবচেয়ে বড় হিসাব
৯/১১-এর পর পৃথিবী আগের মতো নেই। নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোর হয়েছে, গোয়েন্দা সহযোগিতা বেড়েছে এবং আল-কায়েদার কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বড় ধাক্কা খেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ৯/১১-এর সমতুল্য আরেকটি হামলা ঠেকানোও নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য।
কিন্তু একই সময়ে যুদ্ধ ছড়িয়েছে একাধিক দেশে, জঙ্গিবাদের কেন্দ্র বদলেছে, নতুন সংগঠন জন্ম নিয়েছে এবং লাখো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ের বিনিময়ে বিশ্ব পেয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো - কিন্তু সেই কাঠামো সন্ত্রাসের মূল রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণগুলো নির্মূল করতে পারেনি।
তাই ৯/১১-এর ২৫ বছরের হিসাব ‘সাফল্য’ বা ‘ব্যর্থতা’ - কোনো এক শব্দে শেষ করা যায় না। বরং ফলাফলটি দ্বৈত: একটি বড় ধরনের হামলা পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বিশ্ব অনেক বেশি প্রস্তুত হয়েছে, কিন্তু সন্ত্রাসের উৎপাদনকারী পরিবেশকে মোকাবিলায় অগ্রগতি অনেক কম।
এটাই ২৫ বছরের সবচেয়ে কঠিন শিক্ষা।
সন্ত্রাসকে শুধু শত্রু হিসেবে দেখলে তাকে হত্যা করা যায়; কিন্তু সন্ত্রাসের জন্মের কারণগুলোকে রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা হিসেবে না দেখলে তাকে শেষ করা যায় না।
৯/১১-এর ধ্বংসস্তূপ থেকে বিশ্ব যে নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলেছে, তার পরীক্ষা এখন আর শুধু পরবর্তী হামলা ঠেকানো নয়। পরীক্ষা হলো - এমন একটি বিশ্ব তৈরি করা, যেখানে নতুন প্রজন্মের ক্ষোভকে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো আর নিজেদের পক্ষে ব্যবহার করতে না পারে।
সেই জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে ৯/১১-এর পর ২৫ বছরের যুদ্ধের সবচেয়ে বড় অর্জন হবে শুধু একটি পুরোনো শত্রুকে পরাস্ত করা; আর সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হবে - নতুন শত্রুর জন্ম ঠেকাতে না পারা।
সানা/আপ্র/১১/৯/২০২৬