গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ফিরছে গ্রাম সরকার, প্রতি ওয়ার্ডে থাকবেন ১৫ সদস্য

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৪১ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০২:০১ এএম ২০২৬
ফিরছে গ্রাম সরকার, প্রতি ওয়ার্ডে থাকবেন ১৫ সদস্য
ছবি

খসড়ায় বলা হয়েছে, আইনের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে গ্রাম সরকার থাকবে -প্রতীকী ছবি

দেশে আবারো ‘গ্রাম সরকার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। খসড়ায় প্রতি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৫ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সমাজসেবকের পাশাপাশি কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, যুব প্রতিনিধি, পল্লী চিকিৎসক, নিকাহ রেজিস্ট্রার ও সমবায় সমিতির সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত গ্রাম সরকার শুধু উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেই নয়, নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, মাদক ও জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখবে। এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিবেদন দেওয়ার দায়িত্বও থাকবে তাদের।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ খসড়াটি তৈরি করে এ বিষয়ে মতামত চেয়েছে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, আইনের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে গ্রাম সরকার থাকবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের নামের সঙ্গে ওয়ার্ড নম্বর যুক্ত করে এর নামকরণ করা হবে। গ্রাম সরকার হবে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। আইনের বিধান সাপেক্ষে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অর্জন, নিজের অধিকারে রাখা এবং হস্তান্তরের ক্ষমতাও থাকবে এর।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, গ্রাম সরকার ইউনিয়ন পরিষদের সহায়ক সংগঠন হিসেবে কাজ করবে। তবে সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে সংজ্ঞায়িত প্রশাসনিক একাংশ হিসেবে গণ্য হবে না।

প্রধান ও উপদেষ্টা হবেন জনপ্রতিনিধি: খসড়া অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য গ্রাম সরকারের প্রধান হবেন। সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য থাকবেন উপদেষ্টা হিসেবে।

১৫ সদস্যের মধ্যে থাকবেন দুজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুজন সদস্য - একজন পুরুষ ও একজন নারী, দুজন কৃষক, একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার, একজন সমবায় সমিতির সদস্য, একজন পল্লী চিকিৎসক, একজন শিক্ষক, একজন ব্যবসায়ী, একজন পেশাজীবী, একজন শ্রমিক, একজন যুব প্রতিনিধি এবং একজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য, যদি সংশ্লিষ্ট এলাকায় এমন সদস্য থাকেন।

কোনো এক বা একাধিক শ্রেণির প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবকের সংখ্যা বাড়িয়ে সেই ঘাটতি পূরণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে, এমন ভোটারদের কমপক্ষে ১০ শতাংশের উপস্থিতিতে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচনের প্রস্তাব রয়েছে খসড়ায়।

প্রথমবার গ্রাম সরকার গঠনের ক্ষেত্রে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে তারিখ নির্ধারণ করবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন গ্রাম সরকার গঠন করতে হবে। আর আইনের ২৪ ধারার অধীনে গ্রাম সরকার বাতিল হলে বাতিলাদেশ জারির পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

অপরাধ প্রতিরোধ ও স্থানীয় বিরোধ মীমাংসা: প্রস্তাবিত আইনে গ্রাম পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে রাখা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, মাদক ও জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবে গ্রাম সরকার। এসব বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিবেদন দেওয়ার পাশাপাশি গ্রামে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্যোগও নেবে।

স্থানীয় বিরোধ মীমাংসার দায়িত্বও পালন করতে পারবে প্রস্তাবিত সংস্থাটি। এ ক্ষেত্রে গ্রাম সরকারের লিখিত সিদ্ধান্ত আইনানুগ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করতে পারবে বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রামের রাস্তাঘাট ও কালভার্ট উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি ও আর্থিক বিষয় পর্যালোচনার দায়িত্বও থাকবে তাদের।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করবে গ্রাম সরকার। পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, টিকাদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি বাস্তবায়নেও সহায়তা করবে। মাঠপর্যায়ে এসব কর্মসূচিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের কাজ সম্পর্কে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিবেদন দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।

বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবে গ্রাম সরকার। প্রয়োজনে নিজস্ব তত্ত্বাবধানেও ব্যবস্থা নিতে পারবে।

কৃষি উন্নয়নের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সার, উন্নতমানের বীজ ও কীটনাশক সরবরাহের পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখবে। এসব পণ্যের সংকট দেখা দিলে ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে জানাবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে: গ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায় সমিতি গঠন, ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন, হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ ও পশুপালনে মানুষকে উৎসাহিত করবে গ্রাম সরকার। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, পরিবেশ ও প্রাণী সংরক্ষণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবে। নারী, যুবক, তরুণ, প্রবীণ ও শিশুসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম নেওয়ার ক্ষমতাও থাকবে।

গ্রাম সরকারের মেয়াদ হবে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর। গ্রাম সরকার প্রধান, উপদেষ্টা ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের আগে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের সামনে শপথ নিতে হবে। গ্রাম সরকার গঠনের ৩০ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে খসড়ায়।

সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা: প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করলে বা হারালে কেউ গ্রাম সরকারের সদস্য হতে পারবেন না। কোনো আদালত কাউকে অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করলেও তিনি সদস্য হওয়ার যোগ্য হবেন না। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের আঞ্চলিক এলাকার বাইরে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য নিজ গ্রাম ছেড়ে গেলেও সদস্য হওয়া যাবে না।

নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আদালতের রায়ে কমপক্ষে এক বছরের কারাদণ্ড হলে এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলে কেউ সদস্য হতে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলেও সদস্য হওয়া যাবে না।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়া বা থাকা এবং কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী থাকলেও সদস্য হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকলে অপসারণ: খসড়ায় যথাযথ তদন্তের পর গ্রাম সরকারের কোনো সদস্যকে পদ থেকে অপসারণের বিধান রাখা হয়েছে। যথোপযুক্ত কারণ ছাড়া পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাঁকে অপসারণ করা যাবে। শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হওয়া, দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানানো, অসদাচরণে দোষী হওয়া কিংবা সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারালেও অপসারণের সুযোগ থাকবে।

খসড়ায় অসদাচরণ বলতে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা নৈতিক স্খলনকে বোঝানো হয়েছে।

প্রত্যেক গ্রাম সরকারের ‘গ্রাম সরকার তহবিল’ নামে একটি তহবিল থাকবে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাওয়া অর্থ এবং অন্য কোনো উৎস থেকে পাওয়া অর্থ এ তহবিলে জমা হবে।

বাতিল করতে পারবেন জেলা প্রশাসক: প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, গ্রাম সরকারের কার্যক্রম তদন্তের পর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা, জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড, ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে জেলা প্রশাসক গ্রাম সরকার বাতিল করতে পারবেন। তবে এ ধরনের আদেশ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাম সরকারকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

জেলা প্রশাসক স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে, পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন কিংবা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তদন্তের উদ্যোগ নিতে পারবেন। সাধারণভাবে অথবা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে তদন্তের জন্য কোনো কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষমতাও থাকবে তাঁর।

গ্রাম সরকার বাতিল হলে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের গঠিত এডহক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে, এমন ভোটারদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে।

গ্রাম সরকারের কার্যালয় ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থানে অথবা হাটবাজার কিংবা গ্রোথ সেন্টার এলাকায় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ গ্রাম সরকার প্রধানের সঙ্গে পরামর্শ করে কার্যালয়ের স্থান নির্ধারণ করবে।

মন্ত্রিসভায় পুনর্বহালের প্রস্তাব: উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আবারো গ্রাম সরকার পুনর্বহালের বিষয়ে কয়েকজন প্রস্তাব দেন। তবে বিষয়টি পরবর্তী বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রাখার জন্য বলা হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ১৯৭০-এর দশকে ‘গ্রাম সরকার’ নামে একটি স্থানীয় সরকারব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। পরে ২০০৩ সালে এ বিষয়ে আইন করা হলেও পরবর্তী সময়ে তা বাতিল করা হয়।

রহিত হওয়া গ্রাম সরকার আইন, ২০০৩ অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৩ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠনের কথা ছিল। নারী নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন ইউনিয়ন পরিষদে দেওয়ার দায়িত্বও নির্ধারণ করা হয়েছিল ওই আইনে।

এ ছাড়া গ্রামের রাস্তাঘাট ও কালভার্ট উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং আর্থিক বিষয় পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের বিধান ছিল আগের আইনটিতে।
সানা/আপ্র/১০/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

মিরপুরে পাঁচ লেগুনা স্ট্যান্ড দখল, গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
০৯ অক্টোবর ২০২৬

মিরপুরে পাঁচ লেগুনা স্ট্যান্ড দখল, গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

রাজধানীর মিরপুরে পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ড জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, প্রতিটি গাড়ি থেকে ৩০০ টাকা করে...

বায়তুল মোকাররমে খতিবের পক্ষে বিক্ষোভ, স্লোগানে উত্তেজনা
০৯ অক্টোবর ২০২৬

বায়তুল মোকাররমে খতিবের পক্ষে বিক্ষোভ, স্লোগানে উত্তেজনা

রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর...

অটোরিকশার দাবির পক্ষে বলা নেতার আছে ৭০০ বাহন
০৯ অক্টোবর ২০২৬

অটোরিকশার দাবির পক্ষে বলা নেতার আছে ৭০০ বাহন

জুলাইয়ের চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক

১২ লাখ রোহিঙ্গার দায় একা বাংলাদেশের নয়
০৯ অক্টোবর ২০২৬

১২ লাখ রোহিঙ্গার দায় একা বাংলাদেশের নয়

আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিট-ইস্তান্বুলে আইনমন্ত্রী

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

অটোরিকশার দাবির পক্ষে বলা নেতার আছে ৭০০ বাহন

অটোরিকশা চালকদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দেওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, জনগণের কাছে বারবার খোলস বদলে পার পাওয়া যাবে না। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলারে জুলাইয়ের চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সাত শ অটোরিকশা থাকার অভিযোগকে কাল্পনিক, অসত্য ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চেয়েছে দলটি| প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রশাসক সত্য বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 56 মিনিট আগে