গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

মেনু

যে পিল খেয়ে বায়ুত্যাগ করলে গোলাপের সুবাস বের হবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:২৫ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:১২ এএম ২০২৬
যে পিল খেয়ে বায়ুত্যাগ করলে গোলাপের সুবাস বের হবে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সেই আদিম যুগ থেকেই মানুষ মেতে ছিল আবিষ্কারের নেশায়। কখনো প্রয়োজনে, কখনো উন্নত জীবনের আশায় মানুষের কঠোর পরিশ্রম অসংখ্য নতুন আবিষ্কার জন্ম দিয়েছে। তবে সব আবিষ্কারই উদ্দেশ্যযুক্ত ছিল না। কিছু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের পেছনে রয়েছে মজাদার বা উদ্ভট ঘটনা, যা কেউ কল্পনাও করতে পারত না।

সম্প্রতি এমনই এক অভিনব আবিষ্কার এই উত্তরাধিকারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ক্রিশ্চিয়ান পঁয়েশ্যেভাল ৬৫ বছর বয়সী ফরাসি বিজ্ঞানী। এমন একটি পিল উদ্ভাবন করেছেন যা খাওয়ার পর বায়ুত্যাগ করলে দুর্গন্ধের বদলে চকলেটের সুবাস ছড়িয়ে দেয়।

পঁয়েশ্যেভাল ফ্রান্সের ছোট গ্রাম ঝেভ্রসের বাসিন্দা। অপ্রচলিত সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা তার জীবনের স্বভাব। স্থানীয়রা তাকে মজার ছলে ‘সান্তা ক্লজের ছোট হিপি ভাই’ বলে ডাকে।

২০০৬ সালে বন্ধুদের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশগ্রহণের সময় এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল, যা তাকে বায়ুত্যাগ বিষয়ক গবেষণার পথে নামতে প্রেরণা দেয়। তার নিজের ভাষায়, ‘আমাদের বায়ুত্যাগ এত দুর্গন্ধযুক্ত হয়েছিল যে আমরা প্রায়ই নিজেই বিরক্ত হয়েছিলাম। আমার পাশে বসা বন্ধুরাও আমার কারণে বিমর্ষ হয়ে পড়েন। তখনই ভাবলাম আমাকে কিছু করতে হবে।’

ওই ঘটনার পরেই তিনি গবেষণার পথে নামেন এবং এক অভিনব আবিষ্কার করে ফেলেন। বায়ুত্যাগজনিত দুর্গন্ধ দূর করতে তিনি চকোলেটের মতো সুগন্ধযুক্ত বড়ি আবিষ্কার করেন। তবে এটিই তার একমাত্র আবিষ্কার নয়। এর আগে তিনি এমন ওষুধও তৈরি করেছেন, যা বায়ুত্যাগে গোলাপ এবং ভায়োলেট ফুলের সুবাস প্রদান করে। এছাড়া তিনি পোষ্য প্রাণীর জন্যও বায়ুত্যাগজনিত দুর্গন্ধ কমানোর পাউডার তৈরি করেছেন।

তার তৈরি সব পিল প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি, কোনো রাসায়নিক নয়, এবং সামাজিকভাবে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি কমাতে সাহায্য করে।

পঁয়েশ্যেভাল খাদ্যাভ্যাস এবং বায়ুত্যাগের দুর্গন্ধের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন নিরামিষভোজী ছিলাম, তখন আমার বায়ু শাকসবজির গন্ধের মতো হতো, যা গরুর গোবরের গন্ধের সঙ্গে মিল রয়েছে। কিন্তু মাংস খাওয়ার পরে দুর্গন্ধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।’

পিলের উপাদানগুলোর মধ্যে আছে উদ্ভিদজাত কাঠকয়লা, মৌরি, সামুদ্রিক শৈবাল, উদ্ভিদ রজন, বিলবেরি এবং কোকো ফলের নির্যাস। এগুলো শুধু দুর্গন্ধ আড়াল করে না, অন্ত্রে সৃষ্ট গ্যাস ও পেট ফোলাও কমায়।

এসব ওষুধ এক ভিন্ন গোত্রের বাজার তৈরি করেছে। বিশেষ করে উৎসব ও ছুটির মৌসুমে এগুলো খুবই জনপ্রিয়। অনেকেই

পেট ফোলার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধ নিয়মিত সেবন করেন। আবার কেউ কেউ বন্ধুদের উপহার হিসেবে দেন। ছোটখাটো এই উদ্ভাবন জীবনকে মজার ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার পাশাপাশি দৈনন্দিন সমস্যার নতুন সমাধানও প্রদান করেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ওআ/আপ্র/৩০/১/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

গরমে নবজাতকের যত্নে বাড়তি সতর্কতা
০৬ জুন ২০২৬

গরমে নবজাতকের যত্নে বাড়তি সতর্কতা

গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নবজাতকের যত্নেও বাড়তি মনোযোগ প্রয়োজন। কারণ প্রাপ্তবয়স্কদের ত...

ভালো আম চিনে কেনার সহজ উপায়
০৬ জুন ২০২৬

ভালো আম চিনে কেনার সহজ উপায়

আম সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলের মধ্যে একটি। এর মিষ্টি স্বাদ, রসালো গঠন এবং সতেজকারক গন্ধ সবার কাছেই আকর্ষণী...

সম্পর্কের গভীরতা বাড়লেই কেন বদলে যায় আচরণ
০৬ জুন ২০২৬

সম্পর্কের গভীরতা বাড়লেই কেন বদলে যায় আচরণ

প্রিয় মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের শুরুটা সাধারণত আনন্দ, উত্তেজনা আর দীর্ঘ কথোপকথনে ভরা থাকে। কিন্তু অনেক...

বেশি মাংসে বদহজম, দ্রুত স্বস্তি পাওয়ার উপায়
০৪ জুন ২০২৬

বেশি মাংসে বদহজম, দ্রুত স্বস্তি পাওয়ার উপায়

ঈদ, দাওয়াত কিংবা বিশেষ আয়োজনের খাবারে অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাংস খাওয়া হয়ে যায়। সুস্বাদু খাবা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ঢাকা আর বাসযোগ্য নেই, সব রোগের মূল বুড়িগঙ্গা

রাজধানী ঢাকার বর্তমান পরিবেশ ও নাগরিক দুরবস্থা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এটা (ঢাকা) আর বাসযোগ্য মনে হয় না। ঘর থেকে বেরোলেই নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না, চারদিকে দূষিত বাতাস। আমার তো মনে হয়, ঢাকার সব রোগের মূলেই বুড়িগঙ্গা। আপনি কি মন্ত্রীর এই বক্তব্যে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে