গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ধর্ষণের পর রামিসাকে হত্যা

আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটি ন্যায়বিচারের অংশ: আসামিপক্ষের আইনজীবী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৩৬ পিএম, ০৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০৯:২৯ এএম ২০২৬
আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটি ন্যায়বিচারের অংশ: আসামিপক্ষের আইনজীবী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে আসামিপক্ষের রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসা আলিমুল্লাহ বলেছেন, সোহেল রানা কোনো সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন করেনি। সে নিজেই আত্মস্বীকৃত অপরাধী। ফলে আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটিকে আমি ন্যায়বিচারের অংশ হিসেবেই দেখি।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এত অল্প সময়ে এ ধরনের আলোচিত মামলার বিচার নিষ্পত্তির নজির আমার জানা নেই। এই রায়ের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা গেছে, অপরাধী অপরাধ করলে সে কোনোভাবেই নিস্তার পাবে না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সরকার এই বিচারের মাধ্যমে সমাজের কাছে একটি বার্তা দিতে চেয়েছে যে, দেশের মা-বোন ও শিশুরা যেন নিজ বাসা এবং বাইরে নিরাপদে চলাচল করতে পারে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতেও এই রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রায়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে মুসা আলিমুল্লাহ বলেন, আমি মনে করি এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। উচ্চ আদালতে কী হবে, সেটা পরবর্তী বিষয়। তবে ট্রাইব্যুনালে যে বিচার হয়েছে, সেখানে আসামির নিজের বক্তব্য ও মামলার উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, প্রধান আসামি সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিচার চলাকালে ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সময়ও তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং নিজের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করেননি।

মুসা আলিমুল্লাহ বলেন, আইন অনুযায়ী আসামিদের উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা চাইলে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন। তবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

আসামিপক্ষের এই আইনজীবী আ বলেন, মাত্র কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করে রাষ্ট্র একটি নজির স্থাপন করেছে। এই মামলার বিচার ভবিষ্যতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সমাজে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি অপরাধীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেও কাজ করবে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এসি/আপ্র/০৭/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা ‌‌গুম‌ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা ‌‌গুম‌ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর

কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখলে, গোপন কোনো স্থানে আটকে রাখলে অথবা আই...

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ থাকে...

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সরকারকে গালাগাল, সেই সিফাতের জামিন নামঞ্জুর
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সরকারকে গালাগাল, সেই সিফাতের জামিন নামঞ্জুর

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সরকারকে গালিগালাজের ঘটনায় গ্রেফতার...

মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মৃ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 48 মিনিট আগে