গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

হঠাৎ তুরস্কের রাস্তা থেকে গায়েব ১২ লাখ কুকুর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৩৩ পিএম, ৩০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৫৭ এএম ২০২৬
হঠাৎ তুরস্কের রাস্তা থেকে গায়েব ১২ লাখ কুকুর!
ছবি

প্রতীকী ছবি

তুরস্কজুড়ে পথকুকুর ধরার অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ লাখ কুকুর আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্র বা অন্য কোথাও আইনবহির্ভূতভাবে কুকুর হত্যা করা হচ্ছে— এমন অভিযোগও সরাসরি অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা আহমেত ইয়াভুজ কারাচা দেশটির পার্লামেন্টের কৃষি, বন ও গ্রামীণ বিষয়ক কমিটিকে জানান, বর্তমানে তুরস্কে পথকুকুরের সংখ্যা আনুমানিক ১২ লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে প্রায় ১২ লাখ কুকুর ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে, যা মোট পথকুকুরের প্রায় ৭৮ শতাংশ। আগে দেশে পথকুকুরের সংখ্যা ৪০ লাখ বলে ধারণা করা হলেও সরকারি হিসাবে সেই সংখ্যা অনেক কম।

কারাচা বলেন, রাস্তাঘাট থেকে উদ্ধার করা কুকুরগুলোকে চিকিৎসা, বন্ধ্যাকরণ ও পুনর্বাসনের পর আশ্রয়কেন্দ্র অথবা সরকার নির্ধারিত ‘প্রাকৃতিক আবাসস্থল’-এ রাখা হচ্ছে।

তিনি জানান, কেবল ৫১৯৯ নম্বর প্রাণী সুরক্ষা আইনে নির্ধারিত বিশেষ পরিস্থিতিতেই কুকুরকে ইউথেনেশিয়া (কষ্টহীন মৃত্যু) দেওয়া হয়।

তার ভাষায়, আইনে ইউথেনেশিয়ার শর্তগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। এর বাইরে আমাদের আশ্রয়কেন্দ্র বা প্রাকৃতিক আবাসস্থলে কোনো ধরনের ইউথেনেশিয়া কার্যক্রম পরিচালিত হয় না।
তুরস্কে পথকুকুর নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০২৪ সালে দেশটির সরকার একটি আইন পাস করে, যার আওতায় পৌরসভাগুলোকে পথকুকুর ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ক্ষমতাসীন ন্যায় ও উন্নয়ন পার্টি (একেপি) এবং তাদের জোটসঙ্গী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন পার্টির (এমএইচপি) সমর্থনে পাস হওয়া ওই আইনে বিপজ্জনক, মরণাপন্ন কিংবা দত্তক নেওয়ার অনুপযুক্ত কুকুরকে ইউথেনেশিয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রাণী অধিকার সংগঠনগুলো এবং প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) এই আইনকে ‘গণহত্যার আইন’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

তাদের অভিযোগ, তুরস্কে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র ও কার্যকর তদারকি না থাকায় আইনটি মানবিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় এবং এর আড়ালে ব্যাপকহারে পথকুকুর হত্যা করা হতে পারে।

এদিকে আহমেত ইয়াভুজ কারাচা আরো বলেন, অনেক মানুষ কুকুর দত্তক নেওয়ার পর আবার সেগুলো রাস্তায় ছেড়ে দেন। তাই এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি জানান, দেশের নয়টি মহানগরে পথকুকুর সংগ্রহ কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ১০ থেকে ১১টি মহানগরে এ কার্যক্রম নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে বলে সরকারের আশা।

সূত্র: টার্কিশ মিনিট

এসি/আপ্র/৩০/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মিয়ানমারে সু চির জীবিত থাকার প্রমাণ চান ছেলে কিম
৩০ জুন ২০২৬

মিয়ানমারে সু চির জীবিত থাকার প্রমাণ চান ছেলে কিম

মিয়ানমারের সামরিক জান্তার কাছে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চি জীবিত আছেন কি না, তার প্রমাণ চেয়েছেন তাঁর ছে...

সব নতুন বাস এসি করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের
৩০ জুন ২০২৬

সব নতুন বাস এসি করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুতে এখন থেকে কেনা সব নতুন বাস শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত...

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের দিতে হতে পারে ১৬ লাখ টাকা
৩০ জুন ২০২৬

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের দিতে হতে পারে ১৬ লাখ টাকা

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন কঠোর আইন চালুর প্রস্তাব করেছে সরকার। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী,...

পানি আটকালে হাত কেটে ফেলবো: ভারতকে পাকিস্তানের হুমকি
৩০ জুন ২০২৬

পানি আটকালে হাত কেটে ফেলবো: ভারতকে পাকিস্তানের হুমকি

সিন্ধু চুক্তির (আইডব্লিউটি) অধীনে পাকিস্তানের পানির ন্যায্য হিস্যা কেড়ে নেওয়ার যে কোনো ভারতীয় প্রচেষ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে