গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

নতুন মামলায় গ্রেফতার আবেদন, আটকে গেল সাদিকের মুক্তি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৩৭ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১০:০৬ এএম ২০২৬
নতুন মামলায় গ্রেফতার আবেদন, আটকে গেল সাদিকের মুক্তি
ছবি

সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হক সাদিক -ফাইল ছবি

আর কোনো মামলায় গ্রেফতার দেখানো না থাকায় কারাগার থেকে মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হক সাদিক। এর মধ্যেই খিলক্ষেত থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। ফলে তাঁর কারামুক্তি আটকে গেছে।

রোববার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক মো. শাহজালাল তাঁকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে আবেদনের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তারেকুর রহমান।

সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সাদিককে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর সামরিক আদালত তিন মাসের কারাদণ্ড দেন। ওই সময় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর বসুন্ধরা এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাদিকুল হককে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানোর জন্য গত ৭ আগস্ট আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক চাঁদ আলী।

ওই আবেদনে বলা হয়, ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটানো হয়। সাদিক ভাটারা থানার আরেকটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। তদন্তে ওই ঘটনায় তাঁর ‘প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে’ বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য গত সোমবার দিন ধার্য করেন। ওই দিন মেজর সাদিককে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে তাঁর আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন বলেন, ঘটনার সময় সাদিক কারাগারে ছিলেন। তাই কারাগারে থেকে কীভাবে তিনি গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এরপর কারাগারে থাকা অবস্থায় কীভাবে সাদিক ওই মামলার ঘটনায় জড়িত হলেন, সে বিষয়ে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ব্যাখ্যা চান আদালত। রোববার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেন। সেই ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম সাদিককে ওই মামলায় গ্রেফতার না দেখানোর আদেশ দেন।

পরে সাদিকের আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন বলেছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় তাঁর মক্কেলের মুক্তিতে বাধা নেই। এর পরই খিলক্ষেত থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হলো।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৭ মে দুপুর ২টার দিকে খিলক্ষেত বাজারসংলগ্ন এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময় সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। মামলায় অভিযোগ করা হয়, চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর তাঁরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ এবং ঢাকা সেনানিবাসের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে ‘সহযোদ্ধা’ নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।

এ ঘটনায় ঢাকা সেনানিবাসের সদর দপ্তর লজিস্টিকস এরিয়ার আজিজুল ইসলাম পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন।
সানা/ডিসি/আপ্র/১৭/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কৈলাসে চলে গেলেন দেবী দুর্গা
২২ অক্টোবর ২০২৬

কৈলাসে চলে গেলেন দেবী দুর্গা

বাড়তি নিরাপত্তায় প্রতিমা বিসর্জন, লাখো মানুষের ঢল

১৩ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ লাখ ২৫ হাজার, আহত ১ লাখ ৭৬ হাজার
২১ অক্টোবর ২০২৬

১৩ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ লাখ ২৫ হাজার, আহত ১ লাখ ৭৬ হাজার

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ
২১ অক্টোবর ২০২৬

টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ

গাজীপুরের টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশু ও নারীসহ একই পরিবারের তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে...

সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণে সাত দিন বন্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন
২১ অক্টোবর ২০২৬

সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণে সাত দিন বন্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন

সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অনলাইনে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম সাত দিন বন্ধ থাকবে। এ সময়ে জন্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 9 ঘন্টা আগে