গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

মেনু

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরির কারণ জানালো মিয়ানমার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩২ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৫ এএম ২০২৬
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরির কারণ জানালো মিয়ানমার
ছবি

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রবেশের ফাইল ছবি

বাংলাদেশের আশ্রয়শিবির থেকে ৩ লাখ ৯ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাখাইন প্রদেশের চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরই রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

গত রোববার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপাক্ষিক বিষয়।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের নামের তালিকা মিয়ানমারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করেছে মিয়ানমার।

তবে তাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি দেশটি। রাখাইনের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রত্যাবাসন বিলম্বের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির হামলার পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানের মুখে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তারা বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে আশ্রিতদের নামের তালিকা পাঠিয়েছে। তবে প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে কোনো রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতিও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথে বড় বাধা হয়ে আছে। আরাকান আর্মি রাখাইনকে একটি স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করছে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু ওই দুই দফায় কোনো রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরে যায়নি। সূত্র: রয়টার্স
সানা/ডিসি/আপ্র/১৭/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ প্রামাণ্যচিত্রে ভুল ছবি, শহীদ সাংবাদিক বললেন আমি জীবিত
১৭ আগস্ট ২০২৬

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ প্রামাণ্যচিত্রে ভুল ছবি, শহীদ সাংবাদিক বললেন আমি জীবিত

ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্সের অনুষ্ঠান

তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্সের
১৭ আগস্ট ২০২৬

তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্সের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী...

সাড়ে ১৩ লাখ আসন ফাঁকা, উচ্চশিক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তন
১৭ আগস্ট ২০২৬

সাড়ে ১৩ লাখ আসন ফাঁকা, উচ্চশিক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তন

দেশের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের...

এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে আবেদন ১২ লাখ ছাড়িয়েছে
১৭ আগস্ট ২০২৬

এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে আবেদন ১২ লাখ ছাড়িয়েছে

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বিএনপি সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা কতটা, প্রাপ্তি কতখানি

আজ ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এর আগে ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নে সরকার যেমন বেশ কিছু অর্জনের কথা বলছে, তেমনি বিরোধী রাজনৈতিক দল, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের প্রশ্নও সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী মোটামুটি সব কর্মসূচিই পূরণ হয়েছে-কোথাও ৯০, কোথাও ৯৫ এবং কোথাও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রিয় পাঠক, সরকার ভালো করছে নাকি মন্দ করছে? হ্যাঁ বা না জানান।

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে