গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরির কারণ জানালো মিয়ানমার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩২ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০৪:৪০ এএম ২০২৬
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরির কারণ জানালো মিয়ানমার
ছবি

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রবেশের ফাইল ছবি

বাংলাদেশের আশ্রয়শিবির থেকে ৩ লাখ ৯ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাখাইন প্রদেশের চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরই রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

গত রোববার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপাক্ষিক বিষয়।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের নামের তালিকা মিয়ানমারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করেছে মিয়ানমার।

তবে তাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি দেশটি। রাখাইনের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রত্যাবাসন বিলম্বের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির হামলার পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানের মুখে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তারা বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে আশ্রিতদের নামের তালিকা পাঠিয়েছে। তবে প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে কোনো রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতিও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথে বড় বাধা হয়ে আছে। আরাকান আর্মি রাখাইনকে একটি স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করছে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু ওই দুই দফায় কোনো রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরে যায়নি। সূত্র: রয়টার্স
সানা/ডিসি/আপ্র/১৭/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার
১৪ অক্টোবর ২০২৬

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এলজিপির দাম নির্ধারণে আগামী ২৯ অক্ট...

এ মুহূর্তে অপারেশন ক্লিনহার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪ অক্টোবর ২০২৬

এ মুহূর্তে অপারেশন ক্লিনহার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’-এর মতো কোনো অভিয...

শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৪ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি...

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
১৪ অক্টোবর ২০২৬

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচল ক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে