বরিশালের চরমোনাই মহিলা মাদ্রাসার ছয়তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত হয়েছে ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রী শনিবার (২৩ মে) রাতে। কেন রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ।
বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম জানান, আহত ছাত্রী চরমোনাই পীর পরিচালিত মহিলা মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পর ছাত্রীর মা দাবি করেন, এটি আত্মহত্যার চেষ্টা নয়। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তাদের জানানো হয়েছে মেয়েটি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেন সে এমন করবে, তা তার বোধগম্য নয়। শনিবার মেয়েটির স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফেরার কথা ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।
মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল বলেন, প্রায় ৩ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর এ প্রতিষ্ঠানে রাতের খাবারের সময় হঠাৎ করে ছাত্রীটি নিচে লাফিয়ে পড়ে। কয়েকশ শিক্ষার্থীর সামনেই ঘটনাটি ঘটে। তবে কী কারণে সে এমন করেছে, তার কোনো কারণ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষও খতিয়ে দেখছে বলে জানান তিনি।
এদিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সানা/আপ্র/২৪/৫/২০২৬